ভাষা আন্দোলন ও মানিকগঞ্জ

ভাষা আন্দোলন ও মানিকগঞ্জ

আব্দুর রাজ্জাক, ঘিওর (মানিকগঞ্জ) ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১০:২৬ ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০   আপডেট: ১৯:০৮ ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

‘ভাষা আন্দোলন’ বাংলা ও বাঙালির এক ঐতিহাসিক পটভূমি। মাতৃভাষা বাংলার দাবিতে দেশব্যাপী যে আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে ওঠে, তার প্রভাব রাজাধানী ঢাকার বাইরেও ছড়িয়ে পড়ে। 

ঢাকার অদূরে মহকুমা শহর মানিকগঞ্জে মাতৃভাষা বাংলার দাবির ঢেউ একটু বেশিই পড়ে। গঠিত হয় মাতৃভাষা আন্দোলন সংগ্রাম পরিষদ। ভাষার লড়াই ছিল বাংলা এবং বাঙালির প্রথম সার্থক লড়াই। আর এই লড়াই ও বিজয়ের এক মহানায়ক মানিকগঞ্জের শহিদ রফিক উদ্দিন আহমদ। 

সিংগাইর উপজেলার বলধরা ইউপির প্রাচীন গ্রাম পারিলে ১৯২৬ সালের ৩০ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন এই মহামানব। শহিদ রফিকই সম্ভবত পৃথিবীতে ভাষার জন্য প্রথম শহিদের মর্যাদা লাভ করেন। 

১৯৪৮ হতে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত সংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্বে আন্দোলন চলতে থাকে। মূলত জেলার ঘিওর থানার তেরশ্রীতে এই আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। তেরশ্রী কে এন ইনস্টিটিউশনের সহকারী প্রধান শিক্ষক প্রমথ নাথ নন্দী এই আন্দোলন সংগঠিত করতে থাকেন। 

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ভাষা শহিদদের স্মরণে নির্মিত শহিদ মিনার

প্রমথ নাথ নন্দীর সঙ্গে যুক্ত হন একই বিদ্যালয়ের ক্রীড়া বিষয়ক শিক্ষক আফছার উদ্দিন আহম্মেদ। এ দুজনের প্রেরণায় আন্দোলন ক্রমশ বেগবান হতে থাকে। 

মানিকগঞ্জে মাতৃভাষা আন্দোলন সংগ্রাম পরিষদ এর ব্যানারে ধীরে ধীরে যুক্ত হতে থাকে প্রগতিশীল ছাত্র ও ব্যক্তিরা। সে সময়ে জেলাকেন্দ্রীক ভাষা আন্দোলনের ব্যানারে যারা অংশগ্রহণ করেন তারা হলেন তেরশ্রী কে এন ইনস্টিটিউশনের সহকারী প্রধান শিক্ষক প্রমথ নাথ নন্দী, ক্রীড়া শিক্ষক আফছার উদ্দিন আহম্মেদ, কলেজ শিক্ষার্থী প্রমথ নাথ সরকার, ডা. মোবারক আলী, ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্র ডা. আব্দুল সালাম। 

মানিকগঞ্জের তিন ভাষা সৈনিক

তেরশ্রী কে এন ইনস্টিটিউশনের ম্যাট্রিক পরীক্ষার্থী আব্দুল হাকিম, আব্দুর রহমান ঠাকুর, মনিন্দ্র নাথ সরকার, সিরাজ উদ্দিন মৃধা, নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মিরান উদ্দিন, মো. ওয়াজ উদ্দিন, মো.রেহাজ উদ্দিন প্রমুখ।

জেলা সদরের যারা ছিলেন তারা হলেন ডা. সামসুর রহমান, আনোয়ার আলী চৌধুরী, ওয়ারেশ উদ্দিন পাশা, জাফর আলম চৌধুরী, খন্দকার দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।

এসব ভাষা আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে তৎকালীন সরকার হুলিয়া জারি করেন।

আন্দোলনকারীরা গ্রেফতার এড়িয়ে গোপনে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তারপরেও পাকিস্তান প্রশাসক কড়া নজরদারিতে রাখে আন্দোলনকারীদের। আর এরই বহিঃপ্রকাশ ঘটে হঠাৎ করে তেরশ্রী কে এন ইনস্টিটিউশনের চার শিক্ষার্থীকে গ্রেফতারের মধ্যে দিয়ে। 

১৯৪৮ সাল থেকে সূচিত ভাষা আন্দোলন ১৯৫২ সালে তীব্রতা পায়। ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার ছাত্র জনতার মিছিলে পুলিশ কোনো সতর্কাবস্থা ঘোষণা ছাড়াই গুলিবর্ষণ করলে মানিকগঞ্জের রফিকসহ সালাম, বরকত, জব্বার আরো নাম না জানা আন্দোলনকারী শহিদ হন। শহিদ রফিক উদ্দিনের মাথার পেছনে গুলি লাগে। মাথার পেছনের প্রায় সম্পূর্ণ অংশ উড়ে যায়। 

শহিদ রফিক সিংগাইর উপজেলার বায়রা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক পরীক্ষা পাস করেন। মানিকগঞ্জ দেবেন্দ্র কলেজ থেকে আই কম পাস করে ঢাকার জগন্নাথ কলেজে স্নাতক শ্রেণিতে ভর্তি হন। 

২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মিছিলে মানিকগঞ্জের খন্দকার দেলোয়ার হোসেন, আ. সালাম, মীর আবুর খায়ের (ঘটু) উপস্থিত ছিলেন। দেলোয়ার তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। আর আ. সালাম ছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্র।

ঢাকার মিছিলে গুলি ও হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তীব্র গণজাগরণ গড়ে উঠে। এরই ধারাবাহিকতায় ঘিওরের তেরশ্রী স্কুল, মানিকগঞ্জের দেবেন্দ্র কলেজ, হাইস্কুল, সিংগাইরের চারিগ্রামে গণপ্রতিবাদ সমাবেশ হয়। 

জেলায় রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে যারা বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন তাদের মধ্যে প্রমথ নন্দী, মুনীন্দ্র নাথ ভট্টাচার্য, অরুন রায় উকিল, প্রিয়নাথ সরকার, নিখিল রঞ্জন ভট্টাচার্য (দক্ষিণাবাবু), সমবায় পরিদর্শক সৈয়দ আনোয়ার আলী চৌধুরী, ডা.সামসুর রহমান প্রমুখ উল্লেখযোগ্য।

কমরেড প্রমথ নন্দী বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানালে ১৯৪৮ সালে তেরশ্রীতে এক ছাত্র জনতার সমাবেশ হয়। সমাবেশ শেষে ছাত্র জনতার এক বিরাট মিছিল ঘিওরসহ বিভিন্ন স্থান প্রদক্ষিণ করে। 

১৯৪৯ সালের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ভাষা আন্দোলনের দায়ে পাকিস্তানি পুলিশ প্রশাসন তেরশ্রী কে এন ইনস্টিটিউশন থেকে মো. ওয়াজ উদ্দিন, মো. রেহাজ উদ্দিন, ভূপেন্দ্র নাথ দাশ (হাসী), মনিন্দ্র নাথ সরকারকে গ্রেফতার করে। ওই আন্দোলনে ডা. শামসুর রহমানের ভগ্নিপতিসহ নাম না জানা আরো একজন অংশগ্রহণকারী ছিলেন।


 
শহিদদের স্মরণে জেলার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঢাকার অনুরূপ শহিদ মিনার তৈরি করা হয়। সবগুলো শহিদ মিনার ভেঙে ফেলে পাকিস্তান সরকার। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ নির্মাণে কর্তৃপক্ষের বাধার কারণে ছাত্র ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব অ্যাডভোকেট আ. লতিফ বিশ্বাসের বাসার সামনে শহিদ মিনার তৈরি করে। 

১৯৫৪ সাল থেকে অদ্যাবধি ওই শহিদ মিনারটি মানিকগঞ্জের প্রথম শহিদ মিনার হিসেবে টিকে আছে।

যুক্তফ্রন্ট সরকারের তৎকালীন মন্ত্রী আবদুল লতিফ বিশ্বাসের সহধর্মিণী উম্মে সাহেরা খাতুন। মানিকগঞ্জ শহরের এস কে গার্লস স্কুলের সামনেই সাহেরা খাতুনের বাড়ি। ছাত্র নেতারা তার বাড়ির সামনের খোলা জায়গায় রাস্তা ঘেঁষে শহিদ মিনার নির্মাণের প্রস্তাবনা উত্থাপন করেন। সরকারের সেই মুহূর্তের অগ্নিদৃষ্টির কথা সাহেরা খাতুন ভালোই জানতেন। তারপরও কোনো রকম ইতস্তত না করে অনুমতি দিলেন শহিদ মিনার নির্মাণ করার। 

দিনটি ছিল ২০ ফেব্রুয়ারি। পরদিন শহিদ দিবস। যে করেই হোক যত ছোটই হোক শহিদ মিনার হবে। ছাত্র নেতারা বুলেট গতিতে ইট, বালু, সিমেন্ট জোগাড় করে ছোট্ট একটি ইটের স্তম্ভের আকারে শহিদ মিনার তৈরি করলেন সে দিনেই। 

মানিকগঞ্জ শহরে শহিদ মিনার নির্মাণ করা হয়েছে এ খবর পৌঁছাতে দেরি হয়নি প্রশাসনের কাছে। সে সময়ের এসডিও ছিলেন এ কে দত্ত চৌধুরী। তিনি পুলিশ নিয়ে হাজির হলেন শহিদ মিনার গুঁড়িয়ে দেয়ার জন্য। তবে এসবের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলেন সাহেরা খাতুন। 

তেজদীপ্ত কণ্ঠে হুঙ্কার দিয়ে শহিদ মিনারের মাঝখানে দাঁড়িয়ে সাহেরা খাতুন বললেন, আমার জায়গায় শহিদ মিনার বানিয়েছি। কার সাহস তা ভাঙে?

তার এ হুঙ্কার ও যৌক্তিক কথায় থেমে গেলেন তখনকার এসডিওসহ পুলিশ বাহিনী। তারা আর সাহেরা খাতুনকে অতিক্রম করে শহিদ মিনার ভাঙার সাহস পেলেন না।

১৯৫২ থেকে ২০২০ পেরিয়ে গেছে ৬৮ বছর। আজো শহিদ রফিকের স্মৃতি রক্ষা ও সংরক্ষণের তেমন কোনো উদ্যোগ নেই। বসতবাড়ির ঐতিহ্য রক্ষা করতে শহিদ রফিকের ছোট ভাই আব্দুল খালেকের স্ত্রী গোলে নূর বেগম (৭১) বসবাস করছেন। 

তিনি বলেন, এই বাড়ির স্মৃতি রক্ষায় আমাকে এখানে থাকতে হচ্ছে। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যেসব মানুষ এসে শহিদ রফিক সম্পর্কে তথ্য চাচ্ছেন তা দিতে দিতেই আমি ক্লান্ত। আমিও অসুস্থ। সবাই আসেন সাহায্যের আশ্বাস নিয়ে। সব কিছু আশ্বাসেই শেষ। কেউ আমাদের খবর রাখে না। শুধু ফেব্রুয়ারি মাস এলেই আমাদের কথা মনে পড়ে।

শহিদ রফিকের প্রতিবেশী অবসরপ্রাপ্ত লে. কর্নেল মুজিবর ইসলাম খান তার নিজ বাড়িতে প্রতিষ্ঠা করেছেন শহীদ শহিদ দাতব্য চিকিৎসা কেন্দ্র। ২০০৬ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে বিনামূল্যে এলাকার দরিদ্র মানুষকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। 

প্রতি মাসে দু’দিন এখানে ওষুধপত্র বিতরণ করা হলেও সেগুলো বিভিন্ন বেসরকারি ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি থেকে অনুদান প্রাপ্ত। 

শহিদ রফিকের ছোট ভাইয়ের ছেলে শাহজালাল ওরফে বাবু জানান, চাচা ভাষার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। এ কারণে দেশবাসীসহ বিশ্ব তাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে। তাই তার পরিবারের সদস্য হিসেবে নিজেকে ধন্য মনে করি।

ঘিওর উপজেলার তেরশ্রী গ্রামের ভাষা সৈনিক কমরেড আ. হাকিম মাস্টার। বর্তমানে তিনি জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক। তারপরও ভাগ্যে জোটেনি কোনো রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি। দারিদ্রের সঙ্গে মিতালী পেতে করছেন মানবেতর জীবনযাপন। 

ঘিওর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল আজিজ বলেন, কমরেড আব্দুল হাকিম মাস্টারকে অবিলম্বে ভাষা সৈনিক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের সময়কার নবম শ্রেণির সেই টগবগে কিশোর মিরান আজ ৮৬ বছরের এক বৃদ্ধ। বয়সের ভারে নুয়ে পড়া শরীরটা এখন আর আগের মতো সচল নেই। তবুও স্মৃতি হাতড়ে খুঁজে ফেরেন জীবনের সমৃদ্ধ অতীত। ফ্রেব্রুয়ারি এলেই মনে পড়ে সেই উত্তাল দিনগুলো। 

মাতৃভাষার জন্য জীবন উৎসর্গ করতে সেদিন এতটুকু দ্বিধা বা ভয় ছিল না তার। বাঙালির মাথা উচুঁ করে দাঁড়ানোর সেই আন্দোলনের একজন অংশীদার হিসেবে এখনও গর্ববোধ করেন তিনি। বয়সের ভারে শরীরের বেঁধেছে নানা অসুখ-বিসুখ। 

স্মৃতিশক্তিও কমে গেছে। কথায় এসেছে জড়তা। সহ-আন্দোলনকারীদের দু একজন ছাড়া কেউই আর বেঁচে নেই। উদাসী দৃষ্টিতে যেন কিছুটা অপ্রাপ্তির ছায়া। যাদের আন্দোলনের ফসলে আজ মাতৃভাষা বাংলায় কথা বলি। সেই ভাষা যোদ্ধার জীবনের শেষ চাওয়া, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিটুকু পেলে যেন মরেও শান্তি পাবো। 

রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাকে প্রতিষ্ঠিত করার আন্দোলনের সঙ্গে যারা সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন তাদের মধ্যে মানিকগঞ্জের ওয়াজ উদ্দিন মাস্টার অন্যতম। ১৯৩৪ সালের ১ মার্চ ঘিওর উপজেলার তেরশ্রীর পয়লা গ্রামে বাহার উদ্দিন ও দুলি বেগম দম্পতির ঘরে জন্ম নেন তিনি। 

তার স্মৃতিচারণ করে তার মেয়ে জামাই শিক্ষক সিরাজুল ইলাম জানান, ভাষা আন্দোলনের জন্য মানিকগঞ্জে কয়েকদিন জেল খাঁটার পর পাঠানো হয় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে। রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হওয়ায় তাদের পক্ষে প্রথমে কোনো আইনজীবী পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে এম সি এ আইনজীবী ভবেশ নন্দী তাদের জামিনে মুক্ত করে আনেন।  

ভাষা আন্দোলনে অংশ নেয়া এই ২১ জন ভাষা সৈনিক ও আন্দোলনের স্থান ঘিওরের তেরশ্রীতে স্মৃতির উদ্দেশ্যে একটি স্মৃতি স্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে। যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ভাষা আন্দোলনে মানিকগঞ্জের অবদানের ইতিহাস জানতে পারে।

ভাষা সৈনিক কমরেড আব্দুল হাকিম মাস্টারের সঙ্গে আলাপকালে তিনি দুঃখ করে বলেন, ভাষার জন্য সংগ্রাম করেছি, জেল খেটেছি, জুলুম-অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করে দিনের পর দিন পালিয়ে থেকেছি। এতো কিছুর পরেও ভাষার প্রতি চলছে চরম অবজ্ঞা। 

তিনি আরো বলেন, ২১শে ফেব্রুয়ারি আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস হওয়ায় বুকটা গর্বে ভরে গেছে। সব বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠে সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার বাস্তববায়ন করা হোক। এই ভাষা যোদ্ধারও জীবনের শেষ চাওয়া, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিটুকু পেলে যেন মরেও শান্তি পাবো।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে/টিআরএইচ/এআর