Alexa ভার্চুয়াল জগতে দেখানো ভালোবাসা বিশ্বাসযোগ্য কতটুকু?

ভার্চুয়াল জগতে দেখানো ভালোবাসা বিশ্বাসযোগ্য কতটুকু?

ডেস্ক নিউজ ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৫:৫০ ২২ জুলাই ২০১৯   আপডেট: ১৬:২৩ ২২ জুলাই ২০১৯

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় বর্তমান বিশ্বে আত্মীয়-স্বজন কিংবা বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে সরাসরি দেখা করার চেয়ে সবাই ফেসবুকেই বেশি যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। ফেসবুক ব্যবহারকারীদের বেশিরভাগই রোমান্টিক সম্পর্কের ছবি কিংবা অনুভূতির কথা  ভার্চুয়াল জগতে প্রকাশ করে আনন্দ অনুভব করেন। 

সম্প্রতি এসব বিষয় নিয়েই একটি গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে ‘পারসোনাল রিলেশনশিপ জার্নালে’।

গবেষকরা প্রথমে কয়েকটি ভুয়া প্রোফাইল তৈরি করেন ফেসবুকে। এসব প্রোফাইলে নানা ধরনের বিষয় পোস্ট করা হয়। এর মধ্যে কিছু প্রোফাইল থেকে অন্যান্যদের সঙ্গে ছবি প্রকাশ করা হয় , কিছু প্রোফাইলে নিজেদের রোমান্টিক সম্পর্ক নিয়ে পোস্ট দেয়া হয় আর কিছু প্রোফাইলে তাদের রোমান্টিক জীবন নিয়ে কোনো পোস্ট দেয়া হয়নি। 

যেসব প্রোফাইলে রোমান্টিক ছবির পোস্ট দেয়া হয়েছে গবেষকরা সেগুলি সম্পর্কে ২০০ অংশগ্রহণকারীর কাছে পোস্টকারীদের কতটা সুখী মনে হয় জানতে চান। 

বেশিরভাগ অংশগ্রহণকারীই জানান, ছবি কিংবা স্ট্যাটাস দেখে পোস্টকারীদের তারা সুখীই মনে করেন।  গবেষণায় দেখা যায়, ফেসবুক প্রোফাইলে যেমন ছবি বা স্ট্যাটাস দেখা যায় মানুষ সেটাই বিশ্বাস করতে চায়।  

গবেষকরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছান, ফেসবুকে যারা রোমান্টিক ছবি প্রকাশ করেন এবং নিজেদের ব্যাপারে ‘ইন এ রিলেশনশিপ’ স্ট্যাটাস দেন তারা নিজেদের সঙ্গীদের ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং অন্যান্যদের চেয়ে নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে বেশি সন্তুষ্ট থাকেন। ফেসবুক ব্যবহারকারী সবাই নিজেদের নকল সুখ প্রদর্শন করেন না ভার্চুয়াল জগতে। 

গবেষকরা আরো বলছেন, অতিরিক্ত কোনো কিছুই ভাল নয়। ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মধ্যে যারা ঘন ঘন নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে ছবি পোস্ট করেন কিংবা স্ট্যাটাস দিতেই থাকেন তাদের পোস্ট ভার্চুয়াল জগতের বন্ধুরা একদম পছন্দ করে না।  

‘আমেরিকান জার্নাল অব এপিডিউমিয়োলজি’ প্রকাশিত এক গবেষণা থেকে জানা যায়, যারা অতিরিক্ত সময় ফেসবুকে কাটান তাদের শরীর ও মন দুটিই অসুস্থ হয়ে পড়ে। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আপনার কাছের ও দূরের বন্ধুদের সঙ্গে ফেসবুকে যোগায়োগ রাখা কিংবা নিজেদের সুন্দর মুহূর্তের ছবি পোস্ট করা মোটেও খারাপ নয়। তবে তা আসক্তির পর্যায়ে নিয়ে যাওয়াটা অবশ্যই ক্ষতিকর। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে
 

Best Electronics
Best Electronics