Alexa ভারতে করোনাভাইরাস সন্দেহে ১১ জন পর্যবেক্ষণে, বাংলাদেশে সতর্কতা

ভারতে করোনাভাইরাস সন্দেহে ১১ জন পর্যবেক্ষণে, বাংলাদেশে সতর্কতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১২:৪৪ ২৫ জানুয়ারি ২০২০   আপডেট: ১৫:১২ ২৫ জানুয়ারি ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

চীনের করোনাভাইরাস যেন মৃত্যুভয় ধরিয়ে দিয়েছে পুরো বিশ্বের মনে। এ প্রাণঘাতী ভাইরাস থেকে বাঁচতে ভারতসহ প্রতিটি দেশই আগাম সতর্কতা অবলম্বন করেছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও চীনের এ ভাইরাস সন্দেহে ভারতের চারটি রাজ্যে ১১ জনকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ‘কিছু উপসর্গ’ তাদের মধ্যে দেখা দেয়ায় এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষের বরাতে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো।

এনডিটিভির তথ্যানুযায়ী, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে কেরালায় চারজন, মুম্বাইয়ে দুইজন এবং ব্যাঙ্গালুরু ও হায়দ্রাবাদে একজন করে মোট দুইজনকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তারা সবাই সম্প্রতি চীন ভ্রমণে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফেরার পর তাদের শরীরে নতুন এ ভাইরাসের ‘কিছু উপসর্গ’ লক্ষ্য করা যায়।

করোনাভাইরাস সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্তের বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কেরালার চিকিৎসক ড. অমর ফেটেল জানান, যেহেতু তারা সম্প্রতি চীন থেকে ফিরেছেন এবং তাদের শরীরে কিছু উপসর্গ দেখা যাচ্ছে, তাই সতর্কতামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে তাদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, অন্যদেরও তাদের রাজ্যে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস (এআইআইএমএস) এ ধরনের রোগীদের চিকিৎসায় প্রস্তুতি নিয়েছে। হাসপাতালটি পৃথক নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র ও শয্যা প্রস্তুত রেখেছে। কেরালায় খোলা হয়েছে জরুরি হেল্পলাইন নম্বর।

তবে ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দেশটিতে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তির করোনাভাইরাস পজেটিভ পাওয়ার তথ্য জানায়নি বলে জানা গেছে।

এদিকে চীনে এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় বাংলাদেশে বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। নতুন এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বিদেশ থেকে আসা ব্যক্তিদের বিমানবন্দরে স্ক্রিনিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এতে কারো শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি থাকলে তা সনাক্ত করা সম্ভব হবে।

উল্লেখ্য, শনিবার সকাল পর্যন্ত ভাইরাসটিতে চীনে অন্তত ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন আরো ১২০০ জনের বেশি।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএএইচ/টিআরএইচ