ব্রহ্মপুত্রের পানি ১১৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত

ব্রহ্মপুত্রের পানি ১১৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত

গাইবান্ধা প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৭:২৩ ১৬ জুলাই ২০২০  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ১১৮ সেন্টিমিটার এবং ঘাঘট নদীর পানি ৯৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। 

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সদর উপজেলার ২৬টি ইউপির ১ লাখ ৩০ হাজার মানুষ এখন বন্যা কবলিত। 

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, চারটি উপজেলায় এ পর্যন্ত ৩ হাজার ৮৬ হেক্টর জমির পাট, আমন বীজতলা, আউশ ধান ও শাকসবজিসহ অন্যান্য ফসল বন্যার পানিতে ডুবে গেছে। বন্যা কবলিত এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। 
   
এদিকে পানিবন্দী পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছে। ফলে ওইসব মানুষের মধ্যে শুকনো খাবার ও জ্বালানির অভাবে খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকার অনেকে এরইমধ্যে বাড়িঘর ছেড়ে গরু-ছাগল নিয়ে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও উঁচু এলাকায় আশ্রয় নিয়েছে। এদিকে বাঁধে ও উঁচু স্থানে আশ্রিত গবাদি পশুরও খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। বন্যার পানি বৃদ্ধির ফলে রাস্তাঘাট ডুবে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। 

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ১১৮ সেন্টিমিটার এবং ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমার ৯৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

এদিকে বন্যা দুর্গত এলাকার মানুষদের জন্য ২১০ মেট্রিক টন চাল, ৩ হাজার ৬০০ প্যাকেট শুকনো খাবার, ১৪ লাখ টাকা ও শিশু খাদ্যের জন্য ২ লাখ টাকা সরকারি ত্রাণ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে