Alexa বিরাট আমের বাজার!

বিরাট আমের বাজার!

গোলাপ খন্দকার, সাপাহার (নওগাঁ) ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৮:২১ ১২ জুন ২০১৯   আপডেট: ১১:০০ ১৩ জুন ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বিভিন্ন জাতের আমের কেনাবেচায় সবোর্চ্চ রেকর্ডের আড়ত হিসেবে পরিচিত নওগাঁর সাপাহারের আম বাজার। বাংলাদেশের মধ্যে নাম করা সাপাহারের আমের বাজারে সুস্বাদু জাতের আম্রপলী বাজারে না আসতেই কয়েক হাজার মণ আম কেনাবেচা হচ্ছে।

এরমধ্যে গোপালভোগ, ক্ষিরষাপাতি, হিমসাগর, ল্যাংরা ও গুটি জাতের আম উল্লেখযোগ্য। 

রাজধানী ঢাকাসহ বরিশাল, নোয়াখালি, ফেনী, কুমিল্লাসহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে শতাধিক আম ব্যবসায়ী সাপাহারে এসে আমের আড়ত খুলে বসেছে। সাপাহারের মেইন রাস্তার দুই পাশে জয়পুর হতে গোডাউনপাড়া পর্যন্ত দেড়-দুই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে আমের আড়ত ঘরে ভরে গেছে। 

নওগাঁ জেলার মধ্যে সর্ববৃহৎ আমের বাজার এখন সাপাহারে তাই আমে যাতে কোনো প্রকার কেমিকেল না মেশানো হয় এজন্য আম বাজার সমিতির মিটিংয়ে সব আড়তদারদের বলা হয়েছে। 

আম ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শ্রী কার্তিক শাহা, সাধারণ সম্পাদক জুয়েল, মাহফুজুর রহমান বাবু চৌধুরী, সাংগঠনিক রিফাত হোসেন জানিয়েছেন, আম বাজার যাতে কোনো ধরণের বিশৃঙ্খলা না হয় সে জন্য প্রতিদিন পুলিশ প্রশাসন আমাদের সহযোগিতা করে চলেছে।

উপজেলার কৃষকরা এবারে ধানের আবাদে মূল্য বিভ্রাটে কিছুটা হিমশিম খেলেও আমের বাজার ভাল থাকায় ধানের ক্ষতি কিছুটা হলেও আমের মাধ্যমে খরচ তুলে নিতে পারবে। 

এ বিষয়ে বাগান মালিক সাইদুর রহমান বলেন, এবারে ধান চাষ করে অনেকেই নিঃস্ব। তবে আমাদের আমবাগান থাকায় ধানের ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া যাবে হয়তো। 

উপজেলা কৃষি অফিসার মজিবর রহমান বলেন, সাপাহারে প্রায় পাঁচ হাজার হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের আমের চাষ হয়েছে। বাজারে প্রতিদিন গড়ে কয়েক হাজার মেট্রিক টন আম কেনা বেচা হচ্ছে।

আম বাজার সর্ম্পকে ইউএনও কল্যাণ চৌধুরীর বলেন, কৃষক যাতে তাদের আম বাজারে বিক্রি করতে কোনো বিড়ম্বনায় না পড়ে তাই আমি বাজার পরিদর্শন করেছি এবং কোনো প্রকার অভিযোগ পাইনি। আমের বাজার ঠিক আছে তবে কেউ যদি কোনো বিষয়ে অভিযোগ করে তাহলে আমি আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএস