বিদেশ ভ্রমণে পাইলট-কেবিন ক্রুদের কি ভিসা লাগে?

বিদেশ ভ্রমণে পাইলট-কেবিন ক্রুদের কি ভিসা লাগে?

ফিচার ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ০৯:৪২ ৯ জুন ২০১৯   আপডেট: ০৯:৫২ ৯ জুন ২০১৯

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

অনেকেরই প্রশ্ন, পাইলট-কেবিন ক্রুরা কি ভিসা ছাড়াই উড়োজাহাজে দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ান? দেশের কয়েকজন পাইলট জানালেন এ প্রশ্নের উত্তর।

দেশের কয়েকটি বাণিজ্যিক এয়ারলাইনসের পাইলটরা জানিয়েছেন, পাইলট ও কেবিন ক্রুদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের ক্ষেত্রে পাসপোর্ট খুব গুরুত্বপূর্ণ। পাসপোর্ট ছাড়া বিমানে ওঠার নিয়ম নেই। তবে ভিসার প্রয়োজন নেই। একইসঙ্গে ফ্লাইটে দায়িত্বরত প্রকৌশলীকেও ভিসা নিতে হয় না। তবে সবাইকে অবশ্যই পাসপোর্ট সঙ্গে রাখতে হবে।

তবে বেশকিছু দেশে ব্যতিক্রমও হয়। ক্যাপ্টেন জাকারিয়া বলেন, পাইলট ও ক্রুদের কয়েকটি দেশে যেতে হলে ভিসা নিতে হয়। তবে সেটা যাত্রীদের মতো নয়। তাদের জন্য আলাদা ধরনের ভিসা দেয়া হয়। যেমন চীনে যেতে হলে পাইলটদের ভিসা লাগে। এক্ষেত্রে চীন একবছর মেয়াদি ভিসা দিয়ে থাকে। তিনি বলেন, সবসময় পাইলট ও কেবিন ক্রুদের অন্যদেশে প্রবেশের প্রয়োজন হয় না। তবে চাইলে তারা প্রবেশ করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে তারা ইমিগ্রেশনে জিডির কপি ও পাসপোর্ট দেখান। ইমিগ্রেশনে জিডির কপি জমা দিতে হয়। এর ভিত্তিতে পাইলটকে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়ে থাকে।

অনেকেরই প্রশ্ন, কতদিন পর্যন্ত থাকতে পারেন পাইলট ও কেবিন ক্রুরা? একেক দেশে একেক নিয়ম। কোনো দেশে তিন দিন থাকা যায়, কোনো দেশে সাত দিন। আবার অনেক দেশে ২১ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন পাইলটরা।

ক্যাপ্টেন মাহবুবুর রহমান জানান, ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশন ও ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের বেশ কিছু নীতিমালা আছে পাইলটদের জন্য। পাইলট ও কেবিন ক্ররা অন্যদেশে প্রবেশ করতে চাইলে তারা যে এয়ারলাইনসে কাজ করেন, সেই বিমান সংস্থা থেকে তাদের জন্য জেনারেল ডিক্লারেশন (জিডি) ইস্যু করা হয়। অর্থাৎ পাইলট ও ক্রুদের দায়িত্ব নেয় এয়ারলাইনস। সেজন্য জেনারেল ডিক্লারেশনে কতজন পাইলট ও কেবিন ক্রু ফ্লাইটে যাবেন তাদের নাম, জন্ম তারিখ, পাসপোর্ট নম্বর, ফ্লাইট নম্বর, গন্তব্যসহ প্রয়োজনীয় তথ্য উল্লেখ থাকে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এনকে