বিদেশে বসে রমেকের কলকাঠি নাড়ছেন ঠিকাদার মিঠু

বিদেশে বসে রমেকের কলকাঠি নাড়ছেন ঠিকাদার মিঠু

রংপুর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২২:১২ ৪ জুলাই ২০২০  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

বিদেশে বসে রংপুর মেডিকেলে কলেজ ও হাসপাতালের কলকাঠি নাড়ছেন আলোচিত ঠিকাদার মোতাজ্জেরুল ইসলাম মিঠু। মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের যে কোনো নিয়োগ হয় মিঠু ও তার সিন্ডিকেটের ইচ্ছায়। 

অভিযোগ উঠেছে, রংপুর মেডিকেলের পরিচালকের স্টেনো-কাম পিএ পদে বসে অলিখিতভাবে অ্যাকাউন্টস ও টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করেন মিঠুর আপন ভাতিজি নওশীন।

এর আগে হাসপাতালে পরিচালকের পিএস ছিলেন জেএমবির গুলিতে আহত বাহাই সম্প্রদায়ের নেতা রুহুল আমীন। তাকে বদলি করে নওশীনকে ওই পদে নিয়ে আসেন তার চাচা মিঠু।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বেডসহ রোগ নির্ণয়ের জন্য যেসব যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হয়েছে তা করেছে মিঠুর প্রতিষ্ঠান। হাসপাতালের এমআরআই মেশিন, এসি, এক্সরে মেশিন, আইসিইউ থেকে শুরু করে সিসিটিভি স্থাপন সব কাজ করেছেন আলোচিত এ ঠিকাদার। মেশিনপত্রগুলোর কোনোটাই এখন আর সচল নেই।

শুধু টেন্ডার বাগিয়ে নিম্ন মানের মালামাল সাপ্লাই নয়, রংপুর মেডিকেলের যে কোনো নিয়োগ হয় মিঠু ও তার সিন্ডিকেটের ইচ্ছায়। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা অভিযোগ কলে বলেন, মিঠুর এসব অবৈধ কাজে বাধা দেয়ায় মেডিকেলের কর্মচারী ইউনিয়নের নেতা আব্রাহাম লিংকনসহ ধাপ এলাকায় যেসব হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে তাতে মিটুর হাত রয়েছে।

হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ইউনিয়নের নেতারা জানান, মিঠুর অনুপস্থিতিতে তার আপন বড় ভাই নুরুল হকের মেয়ে হাসপাতালের কর্মচারী উম্মে সুলতানা নওশীন এখন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এ সিন্ডিকেটের দেখভাল করছেন। নওশীন হাসপাতাল পরিচালকের পিএ ও নিজে হাসপাতালের অ্যাকাউন্টস অফিসার ও টেন্ডার কমিটির প্রধান।

অভিযোগের ব্যাপারে উম্মে সুলতানা নওশীনের সঙ্গে তার ফোন নাম্বারে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন ধরেননি। 

রংপুর মেডিকেলের পরিচালক ডা. ফরিদুল ইসলাম বলেন, মিঠু নামে আসলে আমি কাউকে চিনি না। আমি এখানে নতুন তাই চিনি না। সে আপনার পিএ'র পাশাপাশি হাসপাতালের অ্যাকাউন্টস ও বিভিন্ন টেন্ডার কমিটির সদস্য এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোন উত্তর দিতে পারেননি।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ