84294 বিদায় কবি আল মাহমুদ
Best Electronics

বিদায় কবি আল মাহমুদ

অমিত গোস্বামী ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৩:৪৫ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

বাংলা কবিতাচর্চা যারা করেন তারা যতই উন্নাসিক হোন না কেন কবি আল মাহমুদকে প্রকৃত কবি হিসেবে স্বীকার করেন, কেউ প্রকাশ্যে কেউ জনান্তিকে। 

আমি আমার সাহিত্য পত্রিকায় বরণীয় কবির স্মরণীয় কবিতা নামে একটি সিরিজ করেছিলাম তাতে বাংলাদেশের কবিদের মধ্যে দ্বিতীয় যে কবির কবিতা প্রকাশিত হয়েছিল তিনি কবি আল মাহমুদ। কিন্তু তাতে ফেসবুক জুড়ে সে কী নিন্দা মন্দ! প্রথমে হকচকিয়ে গেলেও পরে বুঝলাম যে কবি আল মাহমুদের রাজনৈতিক ও বৈবাহিক চঞ্চলতার জন্যে এই সমালোচনা। আমি উত্তরে লিখেছিলাম যে কবিরা কবেই বা রাজনৈতিক ও যৌনতার ক্ষেত্রে স্থিতধী হয়? রবীন্দ্রনাথ বা নজরুলের ক্ষেত্রেও এমন অভিযোগ উঠেছে। কবি আল মাহমুদ তো সে তুলনায় সমকালীন। কাজেই এই অভিযোগ তো স্বাভাবিক। কিন্তু তার কবিতা? সব ছেড়ে দেয়া যাক। দেখা যাক শুধু ‘সোনালী কাবিন’।

‘সোনালি কাবিন’ একটি বহুমাত্রিক কবিতা। আল মাহমুদের কাব্যখ্যাতির মূল স্তম্ভ এই কবিতাটিতে বিবিধ বৈপরীত্যের সহাবস্থান ঘটেছে। কিন্তু তার বাম মনন একে এটি ঈর্ষণীয় সংহতি দিয়েছে। প্রেম ও বিপ্লবের সপক্ষে তার অনুরাগ একই উষ্ণতায় ব্যক্ত। যদিও এই দুটি প্রবনতার প্রতি তাঁর মনোভাব অতি সরল ও একরৈখিক। কাবিনবিহীন হাত দুটি অর্পণ করেও কবি বয়ন করেন প্রতিশ্রুতির তালিকা, গ্রাম্য কিশোরীর লজ্জাবিধূর এবং অসংস্কৃতমনের কাছে হাজির করেন ইতিহাস-লোকবিশ্বাস-নৃতত্ত্ব-রাজনীতির তথ্যভারাক্রান্ত এক জটিল বাকবিভূতি। কৌমের যৌথসংগ্রামের স্মৃতি স্মরণ করিয়ে দিয়ে শেষপর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকেন প্রেমাকুল এক ব্যক্তিসত্তা। তৎসম তদভব শব্দের জটিল বুননের মধ্যে অবলীলায় গেঁথে দেন মুসলমানি ‘জবান’-এর নানাবিধ শব্দের ফুল। সরল প্রেমনিবেদন রূপ নেয় ভাষণের; দুটি ব্যক্তিসত্তার মিলনের মধ্যে সম্ভাবী ভবিষ্যতের উজ্জ্বল আশা না দেখে আমরা দেখি কামুক এক পুরুষের দৈহিক চরিতার্থতার লালসাময় উচ্ছ্বাস। কিন্তু এতসব বৈপরীত্য সত্ত্বেও ‘সোনালি কাবিন’ একটি আশ্চর্য কবিতা। বাংলা কবিতায় শ্রেণী-সংগ্রাম, বিপ্লব তথা মার্কসবাদের অনুভব এর আগেও প্রকাশ পেয়েছে, কিন্তু একটি দেশের, একটি প্রাচীন জনগোষ্ঠীর মানসিক গঠন, তার মেজাজ, তার আবেগ ও উচ্ছ্বলতায় এতটা সিক্ত হয়ে ওঠেনি আর কোনো কবিতা, আর সেই সঙ্গে মেটাতে পারেনি শিল্পের কঠোর দাবি। কবি আল মাহমুদ স্মৃতিতে থেকে যাবেন মূলত এই একটি কবিতার জন্য 
নিপাট সরল এক আত্মিক-দৈহিক বিবাহের পয়গাম নিয়ে দুয়ারে দাঁড়ান এসে প্রেমিক কবি; ‘শ্রমিক সাম্যের মন্ত্রে’ যেমন উচ্চকিত তিনি, তেমনি সরাসরি ভাষণ, উচ্চকণ্ঠ ও নির্দ্বিধ, কামিনীর প্রতি, ‘সোনার দিনার নেই, দেন মোহর চেয়ো না হরিণী/যদি চাও দিতে পারি কাবিন- বিহীন হাত দুটি…

সোনালি কাবিন’ সাম্প্রতিক কবিতা-ইতিহাসের সর্বাপেক্ষা দ্রোহী কবিতা, সর্বাপেক্ষা যৌন কবিতাও সম্ভবত, কেননা আল মাহমুদ এমন একজন শক্তিশালী অর্জুন, যিনি কামনা-যৌনতার ধনুতেও অনায়াসে বিপ্লবের ছিলা পরাতে পারেন। অথবা বিপ্লবের বল্লমের ফলায় খচিত করতে পারেন রতির কারুকাজ। 

তার ইসলামী কবিতাও স্বচ্ছ বহির্বাসের নিচেই যেন তাপিত স্তনবৃন্তের মতো মৃদু কাঁপতে থাকে। পাঠকগণ স্মরণ করুন তাঁর ‘বখতয়ারের ঘোড়ার নীল মসজিদের ইমাম’ কবিতাটি, যেখানে মাহমুদের অলৌকিক ধর্মতত্ত্বের ভাণ স্ফারিত হয়ে যায় যখন তিনি বয়ন করেন এমন পংক্তি… 
কোথায় হারিয়ে এসেছো তোমার বুকের সেফটিপিন ইবলিসকে তোমার ইজ্জত শুকতে দিওনা ইত্যাদি।

তার কাছে প্রেম ও বিপ্লব সমার্থক, পরিপূরক ও পারস্পরিক নির্ভরশীল। তার কবিতা পাঠ শেষে যে চিত্রটি আমাদের সামনে দুলতে থাকে, তা যতটা না বিপ্লবের তারও চেয়ে বেশি প্রেমের, তবে একদিন বিপ্লবের সমাপনই হবে শ্রেষ্ঠ বাসরযাত্রা এমন একটি আশাবাদ আমাদের চোখের সামনে দোলায়িত হয়। 

আল মাহমুদের কবিতাটি একট প্রসারিত ড্রামাটিক মনোলোগ। চতুর্দশ সংখ্যাঙ্কিত পরম্পরায় চতুর্দশটি সনেট একটি নীরব নবীনা বধূকে উদ্দিষ্ট যার প্রতি কবি-কামুকের অলজ্জ আহ্বান, ‘হাত বেয়ে উঠে এসো হে পানোখী পাটিতে আমার/এবার গুটাও ফণা কালো লেখা লিখো না হৃদয়ে; …বাঙালী কৌমের কেলি কল্লোলিত কর কলাবতী/জানতো না যা বাৎসায়ন আর যত আর্যের যুবতী।’ সমকালীনতা থেকে বিযুক্ত করার জন্য কবি এই নারীকে স্থাপন করেছেন কালহীনতার প্রেক্ষাপটে। নারী চির পুরুষের ব্যগ্র ফলার ঘায়ে ‘উন্মুক্ত করে তার ধন-ধান্যের দুয়ার’, যার শরীরে ‘শস্যের সুবাস’। এই নারী চর্যার শবরী, গলায় মালা পরে মহুয়ার মাটির বোতল নিয়ে চন্দ্রালোকে আচমন করে। বেহুলার মতো যে নারীর ভাসানে ভেসেছে ‘দেবদ্রোহী মাটির কুমার’।

১৩-সংখ্যক সনেটে লৌকিক জীবনের ব্রত-পার্বণের যে চিত্র তা তুলনারহিত। বাঙালির নৃতাত্ত্বিক সংস্কৃতির মূল সার বধূবরণের দৃশ্য তিনি এঁকেছেন অসাধারন মুন্সীয়ানায়। ‘মঙ্গল কুলোয় ধান্য ধরে আছে সারা গ্রামবাসী/উঠোনে বিন্নীর খই, বিছানায় আতর, অগুরু।/ শুভ এই ধানদূর্বা শিরোধার্য করো মহীয়সী/আবরু আলগা করে বাঁধো ফের চুলের স্তবক,/চৌকাঠ ধরেছে এসে ননদীয়া তোমার বয়সী/ সমানত হয়ে শোনো সংসারের প্রথম সবক।

‘কবিতার আসন্ন বিজয়’ ঘোষণা করে যিনি বাঙলা সাহিত্যে আবির্ভূত হয়েছেন, তিনি আল মাহমুদ। প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘লোক-লোকান্তর’(১৯৬৪)-এ তিনি বললেন, ‘আমার চেতনা যেন শাদা এক সত্যিকারের পাখি/ বসে আছে সবুজ অরণ্যে এক চন্দনের ডালে... লোক থেকে লোকান্তরে আমি যেন স্তব্ধ হয়ে শুনি/ আহত কবির গান।’

তিনি এ গ্রন্থে নিচু কণ্ঠস্বরে তিনি তার অনুভবের কথা, তার পারিপাআরশ্বিক কম্পমান অগ্রসরমান জীবনের কথা বলে গেছেন। পরবর্তী গ্রন্থ ‘কালের কলসে’(১৯৬৭) এ চেতনা অনেক পরিণত; লোকজ উপাদানের ব্যবহারে আরো সিদ্ধহস্ত। ‘....এই দলকলসের ভীড়ে ঝোপে আমার কাফন পরে আমি কতকাল/ কাত হয়ে শুয়ে থেকে দেখে যাবো সোনার কলস আর বৃষের বিবাদ?’ জসীমউদ্দীন যেখানে লোকসাহিত্যের উপাদানের উপর তার কুটির তৈরি করেছেন, আল মাহমুদ সেখানে এই গ্রন্থে আধুনিক এক প্রাসাদের কারুকার্যে লৌকিক উপাদান ব্যবহার করলেন। বছর তিনেক পরের ‘সোনালী কাবিনে’ আল মাহমুদ অলখের দেখা পেলেন; অধরাকে ধরে ফেললেন। চৌদ্দটি সনেটের সমন্বয়ে এ কবিতাগুচ্ছ বাঙলা সাহিত্যের এক মাইলফলক। এখানে আছে প্রতীকী ভাষন; নিখুঁত বর্ণনা; আবেগ স্পন্দিত স্তবক; বিচ্ছিন্ন সুন্দর লাইন।…এরইমধ্যে মুক্তিযুদ্ধের ডাক আসে। কবি সীমান্ত পাড়ি দিয়ে চলে যান কলকাতায়। ১৯৭৩ সালে তিনি কারাবরণ করেন৷ ১৯৭৫ এ তিনি মুক্তি পান৷

এই ‘৭৩ থেকে ’৭৫ সালটাই কবির জীবনের এক সুবিশাল টার্নিং পয়েন্ট। আজীবনের সমাজতন্ত্রী, বাম রাজনীতির প্রতি সহনুভূতিশীল আল মাহমুদ ঝুঁকে পড়েন ধর্মের দিকে। এ সময় তিনি সিদ্ধান্থীনতায় ভুগছিলেন। ‘মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো’(১৯৭৬) তে সেই সিদ্ধান্তহীনতা, দ্বিধা প্রকাশিত হয়েছে বারেবারে। 

এরইমধ্যে তার কবিখ্যাতি পৌঁছে গিয়েছে রাষ্ট্রপতির বাসভবন পর্যন্ত৷ কারামুক্তির পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাকে ডেকে শিল্পকলা একাডেমীর প্রকাশনা বিভাগের সহ-পরিচালক পদে নিয়োগ দেন৷ ১৯৯৩ সালে তিনি ওই বিভাগের পরিচালকরূপে অবসর নেন। 
‘অদৃষ্টবাদীর রান্নাবান্না’ (১৯৮০) কাব্যগ্রন্থে কবি মানসিক দ্বিধাদ্বন্দ্ব অনেকটাই কাটিয়ে উঠে নিজের বিশ্বাসকে ডানপন্থার দিকে টেনে নিয়ে এলেন। মহানবী হযরত মোহাম্মাদকে(স) নিয়ে লিখলেন, “গভীর আঁধার কেটে ভেসে ওঠে আলোর গোলক /সমস্ত পৃথিবী যেন গায়ে মাখে জ্যোতির পরাগ; /তাঁর পদপ্রান্তে লেগে নড়ে ওঠে কালের গোলক /বিশ্বাসে নরম হয় আমাদের বিশাল ভূভাগ।” (হযরত মোহাম্মদ স.)  আর ‘বখতিয়ারের ঘোড়া’(১৯৮৫), ‘আরব্যরজনীর রাজহাঁস’(১৯৮৭) এবং ‘প্রহরান্তরের পাশফেরা’(১৯৮৮)- এই তিনটি গ্রন্থে কবি নিজের নতুন বিশ্বাসগত পরিচয়কে নির্দ্বিধায় মেলে ধরলেন। চিৎকার করে বলে উঠলেন, ‘মাঝে মাঝে হৃদয় যুদ্ধের জন্য হাহাকার করে ওঠে /মনে হয় রক্তই সমাধান, বারুদেই অন্তিম তৃপ্তি; /আমি তখন স্বপ্নের ভেতর জেহাদ, জেহাদ বলে জেগে উঠি।” (বখতিয়ারের ঘোড়া) 
এ সময়ের আফগানিস্তানকে নিয়ে লেখা ক’টা পংক্তি আজো কত নিদারুন সত্য! 

‘আফগানিস্তান আজ কার দেশ নয়? / আফগানিস্তান সব স্বাধীন মানুষের অপহৃত মাতৃভূমি। / শুধু হত্যাকারীদের কোন মানচিত্র থাকে না, নেই।”(হত্যাকারীদের মানচিত্র)

এরপরের কাব্যগ্রন্থগুলোতেও এ ধারা অব্যাহত থাকে, যা তাকে শেষ পর্যন্ত কোনো কোনো মহলের কাছে মৌলবাদী কবি অভিধায় অভিযুক্ত করে তোলে। শহুরে কথকতায় গ্রামীণ উপাদান আজো তার কাব্যের অবিচ্ছেদ্য অনুসঙ্গ। আজো নারীর প্রতি তার অনতিক্রম্য প্রেম। ফ্রয়েডীয় যৌন চেতনাকে বেঁধেছেন শৈল্পিক রূপে। কবি নিজেই বলেন, “দেহগত মিলনের আগে যে সম্পর্ক তৈরি হয় সেটা আসলে আকর্ষণ। যৌন আকর্ষণ থেকে সেটা হয়। কোনো নারী যখন কোনো পুরুষকে দেহ দিয়ে খুশি করে তখন এরই কৃতজ্ঞতা প্রকাশের নাম হলো প্রেম। সামগ্রিক অর্থে ভালোবাসা হলো মানুষের প্রতি মানুষের একটা আকর্ষণ। একজন মানুষকে পছন্দ করি সেটা তো এমনিতেই করি না। আর দশজনের চেয়ে আলাদা বলেই তো পছন্দ করি। তার কিছু গুণ থাকে, কিছু প্রতিভা থাকে।” অর্ধশতাব্দী আগে তিনি লিখেছিলেন,“আয়নায় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখো বুকের গঠন /লুকানো যায়না তবু অনিবার্য যৌবনের ফুল /প্রতীকের মত যেন জেগে থাকে তোমার জঘন ।” (অহোরাত্রঃ লোক লোকান্তর) 

আর এখনো তিনি লিখেন,” একলা জাগি চরের ঘোরে রাত /তোমার জন্য ঢাকা গরম ভাত /কৌটা ভরা রাখা গাওয়া ঘি /কতকাল তো ফিরতে পার নি। /তোমার শাড়ি ভিজবে না ঐ জলে /রাত্রে এসে রাতেই যেও চলে।” (চিরকূটঃ বারুদগন্ধী মানুষের দেশ) 

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় যখন বলেন, “চে, তোমার মৃত্যু আমাকে অপরাধী করে দেয়-/আমি এখনও প্রস্তুত হতে পারিনি, আমার অনবরত /দেরি হয়ে যাচ্ছে / আমি এখনও সুড়ঙ্গের মধ্যে আধো-আলো ছায়ার দিকে রয়ে গেছি, /আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে / চে, তোমার মৃত্যু আমাকে অপরাধী করে দেয়!”

তখন আমরা হাততালি দিই। আর আল মাহমুদের কণ্ঠে যখন উচ্চারিত হয়, “এই পার্বত্য উপত্যকার /প্রতিটি পাহাড়চুড়ো এবং পবিত্র স্তম্ভগুলোর শপথ, শপথ / পবিত্র কাবা তাওয়াফকারী এখানে উপস্থিত প্রতিটি /নর-নারীর। যদি দলবদ্ধভাবে একবার, শুধু একবার। এমনকি /নিরস্ত্রভাবেও একবার। যদি / আমার দেশ প্যালেস্টাইন। শত্রু অধিকৃত একটা শহর। আপনাদের / প্রথম কেবলা। একবার যদি ভাইগণ। /আল কুদ্সের দিকে মুখ ফেরান, একবার।...”(মীনার প্রান্তরে ইয়াসির আরাফাত)। তখনি আমাদের অর্থাৎ তথাকথিত প্রগতিশীল কবিদের মাথা খারাপ হয়ে যায়; ফলশ্রুতিতে, তাঁকে মৌলবাদী গালাগালে জর্জরিত হতে হয়! 

ব্যক্তি আল মাহমুদ কেমন তা নিয়ে আমার খুব বেশি মাথাব্যাথা নেই।আল মাহমুদের কাব্যসমগ্র আমার কাছে এক অবিশ্বাস্য বিবর্তনের সাক্ষী বলে মনে হয়। যে পরিবেশে তিনি বেড়ে উঠেছিলেন তাঁর ঠিক বিপরীত জীবনবোধ নিয়ে কাব্যসাধনা শুরু করে স্বল্পসময়ে দুই বাংলায় তুঙ্গস্পর্শী জনপ্রিয়তা অর্জন; অতঃপর হঠাৎ বাঁক নিয়ে জীবনবোধের পরিবর্তন এবং বিতর্কিত হয়ে ওঠা - তার জীবন যেভাবে রঙদার করেছে তেমন কি ঘটেছে আর কোন কবির জীবনে? আমার জানা নেই।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরআর

Best Electronics
শিরোনামজঙ্গিবাদ থেকে মুক্ত রেখে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী শিরোনামপরিবেশ আইন-লঙ্ঘন: উত্তরাঞ্চলের ১৯ ইটভাটার মালিকের বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশ হাইকোর্টের শিরোনামকেমিক্যাল ব্যবহার বন্ধে সারা দেশের ফলের বাজারে যৌথ কমিটির তদারকির নির্দেশ হাইকোর্টের শিরোনামরূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের আবাসিক প্রকল্পে দুর্নীতির ঘটনা তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে করা রিটের শুনানি আজ শিরোনামবিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের হজ ফ্লাইটের টিকিট বিক্রি শুরু শিরোনামসংরক্ষিত আসনে বিএনপির মনোনয়ন জমা দিলেন রুমিন ফারহানা শিরোনামরাঙামাটিতে যুবলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা শিরোনামচট্টগ্রামে বন্দুকযুদ্ধে ছিনতাইকারী নিহত শিরোনামরাজধানীতে বন্দুকযুদ্ধে দুই ছিনতাইকারী নিহত শিরোনামআজ ইফতার: সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে