বাড়তি চাপে দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট

বাড়তি চাপে দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট

করিম ইসহাক, রাজবাড়ী ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৭:৩৪ ১২ জুন ২০১৯  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নৌ-পথ রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ-রুট। প্রতিদিন এ অঞ্চলের ২১টি জেলার ছোট বড় দিয়ে কয়েক হাজার যানবাহন পারাপার করা হয়।

ঈদের ছুটিতে ও ঈদের ছুটি শেষে বাড়তি চাপে তা বেড়ে দাঁড়ায় দ্বিগুন। আর এসময় ঈদে ঘরমুখো ও ঈদ শেষে কর্মস্থলগামী মানুষ ও যানবাহন চালকদের পড়তে হয় দৌলতদিয়া ঘাটে এসে চরম দুর্ভোগে।  

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ-রুটে যাত্রী ও যানবাহন পারাপারের দায়িত্বে নিযুক্ত থাকেন দুটি সংস্থা। তারা হলো বিআইডব্লিউটিএ ও বিআইডব্লিউটিসি। ঘাট এলাকার পল্টুন ও ঘাট সচল রাখার কাজটি করে থাকেন বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ আর ফেরি সার্ভিসের কাজে দায়িত্বে থাকেন বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ।

বিআইডব্লিউটিএ দৌলতদিয়া কার্যালয়ের তথ্যমতে, দৌলতদিয়া অংশে মোট ছয়টি ঘাট রয়েছে।

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশসরেজমিন থেকে প্রাপ্ত সূত্রানুযায়ী, হঠাৎ নদীতে পানি কমে যাওয়ার কারণে ৩, ৪ এবং ৫নং ফেরি ঘাট কোনো রকম খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে। সব চেয়ে খারাপ অবস্থা ৫নং ঘাটের। এ ঘাটে পানি কমে যাওয়ার কারণে পন্টুন থেকে মহাসড়কের সংযোগ সড়কটি এতই উঁচু হয়েছে যে, কোনো পণ্যবাহী ট্রাক সহজে উঠতে পরে না। যে কারণে একটি ফেরি লোড ও আনলোড হতে সময় লাগে প্রায় এক ঘন্টা। বর্তমানে ১৯টি ফেরি দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ-রুটে চলাচল করছে।

বুধবার বেলা ১২টার দিকে দেখা যায়, দৌলতদিয়া জিরো পয়েন্ট থেকে প্রায় ইউপি পর্যন্ত যাত্রীবাহী বাস, ট্রাকসহ সব মিলে চার শতাধিক যানবাহন নদী পারের অপেক্ষায় রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে আটকে আছে।

ট্রাক চালক ইদ্রিস ও শফিক জানান, সকাল ৭টায় এসেছি এখন বেলা ১২টারও বেশি, কখন যে ফেরিতে উঠবো তা বলতে পারছি না।

দৌলতদিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম জানান, আবহাওয়া ভালো থাকলে আটকে থাকা সব প্রকার যানবাহন পর্যায়ক্রমে পার করা হবে। পণ্যবাহী যানবাহনের সামান্য কিছুটা চাপ থাকলেও যাত্রীবাহী বাসের কোনো চাপ নেই।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম