বাঘায় পাঁচদিনেও উদ্ধার হয়নি অপহৃত স্কুলছাত্রী

বাঘায় পাঁচদিনেও উদ্ধার হয়নি অপহৃত স্কুলছাত্রী

বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২০:৩৬ ২ জুন ২০২০  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

রাজশাহীর বাঘায় এক স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় অপহরণের মামলা করেছেন ছাত্রীর বাবা আল মোমিন ওরফে লেলিন।

ঘটনার পর গত ২৮ মে রাতে বাঘা থানায় তিনি এ মামলা করেন।

ওইদিন সন্ধ্যার পর উপজেলার পীরগাছা গ্রামের মুঞ্জুরুল হক ওরফে মজনুর বাড়ির আঙ্গিনা থেকে করে স্কুলছাত্রীকে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়।

গত সোমবার মামলা রেকর্ড করা হলেও ওই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার ও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

গত ২৩ মে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সোনাতলা গ্রামের বাসিন্দা আল মোমিন, তার স্কুল পড়ুয়া (নবম শ্রেণীর ছাত্রী) মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে বাঘা উপজেলার উপজেলার পীরগাছা গ্রামের বাসিন্দা চাচাতো ভাই মুঞ্জুরুল হক ওরফে মজনুর বাড়িতে বেড়াতে আসে। পরদিন মেয়েকে রেখে তার নিজ বাড়িতে  চলে যান। 

২৮ মে বিকেলে দৌলতপুরের সোনাতলা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে পুনরায় চাচাতো ভাই মুঞ্জুরুল হক ওরফে মজনুর বাড়িতে আসেন। সেখান থেকে সন্ধ্যায় স্থানীয় পীরগাছা বাজারে যান। বাজারে অবস্থান করা অবস্থায় রাত ৯টার দিকে তার চাচাতো ভাই মজনু মুঠোফোনে জানান, কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার টিংকুসহ ৪-৫ জন লোক এসে তার বাড়ির সামনের পাকা রাস্তা থেকে ২টি মোটরসাইকেল যোগে তার মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে। 

লেলিন বলেন, বিস্তারিত জানার পর হোসেন আলীর ছেলে টিংকু, মহিবুল ইসলামের ছেলে সেলিম, শুকচানের ছেলে সোহাগ ও আবেদ আলীর ছেলে পাপ্পুসহ সাতজনকে আসামি করে বাঘা থানায় অভিযোগ করি। ৩০ মে আমার মেয়ে মুঠোফোনে জানায়, তাকে তারা আটকে রেখেছে। এ কথা বলতেই ফোন কেড়ে নেয়। পরে কথা বলার চেষ্টা করেও  মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। 

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আনোয়ার হোসেন জানান, অভিযুক্তরা আত্মগোপনে থাকায় তাদের গ্রেফতার ও ছাত্রীকে উদ্ধার করা যাচ্ছে না। তবে ছাত্রীকে উদ্ধারসহ আসামিদের গ্রেফতারে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ