Alexa বাকি চাল যাচ্ছে কোথায়, প্রশ্ন জেলেদের

বাকি চাল যাচ্ছে কোথায়, প্রশ্ন জেলেদের

ভোলা প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:৩৪ ১৬ অক্টোবর ২০১৯  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

মা ইলিশ রক্ষায় চলছে ২২ দিনের অভিযান। ভোলার সব ইউপির জেলেরা পেয়েছে বরাদ্দকৃত পুর্নবাসনের চাল। আর ভোলা সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা ইউপিতে বরাদ্দকৃত পুর্নবাসনের চাল না পাওয়ায় বিক্ষোভ করেছে জেলেরা।

বুধবার সকালে ভোলার পূর্ব ইলিশা ইউপির মেঘনা নদীর তীরে বিক্ষোভ করে জেলেরা।

বিক্ষোভে জেলেরা জানায়, পূর্ব ইলিশা ইউপির ২৪০ জেলের জেলে কার্ড থাকলেও এবার শুধু ১০০ জেলে পেয়েছে পুর্নবাসনের চাল। ৪০ কেজি চাল পাওয়ার কথা থাকলেও কেউ পেয়েছেন ১২ কেজি, কেউ ১৩ কেজি কেউবা ১৫ কেজি। আমরা সন্তানের মুখে ভাত তুলে দেয়ার জন্য বাধ্য হয়ে নদীতে যাই। তাও আবার পুলিশ, কোস্টগার্ডের হাতে আটক হই। তখন হয় জেল নয়তো গুণতে হয় জরিমানা। 

জেলেরা অভিযোগ করে বলেন, পূর্ব ইলিশা ইউপির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ হাসান মিয়া জেলেদের কার্ড নিয়ে গেছেন চাল দেয়ার জন্য। কিন্তু সবাই চাল পায়নি, এখনো বাকি থাকা ১৪০ জেলের কার্ড ইউপিতে। ১২-১৫ কেজি করে চাল বিতরণ করছে, অথচ বাকি চাল কোথায় যাচ্ছে? এছাড়া নতুন করে ট্যাক্সের নামে প্রত্যেক জেলে ঘর থেকে ৫০০-৭০০ টাকা চাঁদা দাবি করছে।

জেলেরা জানায়, মা ইলিশ রক্ষায় আমরাও নদীতে যেতে চাই না কিন্তু কী করবো? যদি পুর্নবাসনের চাল না পাই তবে বাধ্য হয়েই নদীতে যেতে হবে। পেটে ভাত না থাকলে, ক্ষুধা অভিযান মানে না।

এ বিষয়ে জানতে পূর্ব ইলিশার চেয়ারম্যান হাসনাইন আহমেদ হাসান মিয়া সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি কোনো সাড়া দেননি।

ভোলা সদর ইউএনও মো. কামাল হোসেন বিষয়টি অস্বীকার করে জানান, এ ধরনের ঘটনা সঠিক নয়। চেয়ারম্যান হাসনাইন যা চাল পেয়েছে তাই বিতরণ করছেন। আমরা এ ইউপির চাল বিতরণসহ সব কার্যক্রম মনিটরিং করছি। কোনো ধরনের অনিয়ম পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

উল্ল্যেখ্য, এরআগেও গত বছর অভিযানের সময় পুর্নবাসনের চাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠে পূর্ব ইলিশা ইউপি চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ হাসান মিয়ার বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে জেলে এবং হাসান মিয়ার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।

জেলেরা সমস্যা সমাধানে বিক্ষোভ মিছিল থেকে ডিসি মাসুদ আলম ছিদ্দিকসহ ভোলা-১ আসনের এমপি তোফায়েল আহমেদের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম