Alexa বাংলাদেশের গর্ব ২০১ গম্বুজ মসজিদ 

৪৫১ ফুট উচ্চতার মিনার

বাংলাদেশের গর্ব ২০১ গম্বুজ মসজিদ 

ধর্ম ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১২:৫৬ ১৬ জুন ২০১৯   আপডেট: ১৩:০২ ১৭ জুন ২০১৯

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

টাঙ্গাইলের গোপালপুরের দক্ষিণ পাথালিয়া গ্রামে ঝিনাই নদীর তীরে নির্মাণ করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন ২০১ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ। যা বাংলাদেশের গর্ব।

৪৫১ ফুট উচ্চতার কংক্রিট নির্মিত মিনারগুলোকে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু মিনারের খেতাব দিয়েছে গিনেস ওয়ার্ল্ড। ৪৫১ ফুট উচ্চতা সাধারণত ৫৫ তলা বিল্ডিং সমান উচ্চতা। বাংলাদেশে এত উচ্চতার কোনো বিল্ডিং এখনও নির্মিত হয়নি।

এক সঙ্গে ১৫ হাজার লোকের নামাজ পড়তে পারবেন।

আরো পড়ুন : চারদিনে মসজিদের দানবক্সে ১০ লাখ

২০১৩ সালের জানুয়ারিতে এ মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। পাঁচ বছরে মসজিদের নির্মাণ কাজ শেষ হয়। এ মসজিদ নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১৩০ কোটি টাকা।

জেলার গোপালপুরের দক্ষিণ পাথালিয়া গ্রামের রফিকুল ইসলাম মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মাণে গঠন করেন রফিকুল ইসলাম ট্রাস্ট। তার স্বপ্নপূরণে তার কিছু পৈতৃক সম্পত্তি এ ট্রাস্টে দান করেন। তার স্বপ্ন বাস্তবায়নে গ্রামবাসীরাও সহযোগিতা করেন।

২০১ গম্বুজ মসজিদ কমপ্লেক্স পরিদর্শনে বিদেশি মেহমানরা হেলিকপ্টার ব্যবহার করতে পারেন। এ মসজিদের নির্মাণ সামগ্রী ও ফিটিংস বিদেশি। মসজিদের টাইলস এবং পার্বেল পাথর ইতালি, জার্মানি, তুরস্ক, সুইজারল্যান্ড এবং চায়না থেকে আমদানি করা হয়েছে।

আরো পড়ুন : টাঙ্গাইলের বিশ্বরেকর্ড গড়া ‘২০১ গম্বুজ মসজিদ’

এ মসজিদের প্রধান আকর্ষণ ২০১টি গম্বুজ এবং ৪৫১ ফুট উচ্চতার মিনার। উপমহাদেশের ঐতিহ্য অনুসারে মিনারের সাজ-সজ্জা ও অলংকরণ করা হয়েছে বলে জানান মসজিদে প্রধান স্থপতি মৃন্ময় অধিকারী। 

মসজিদের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হওয়ায় আয়োজকরা মহান আল্লাহর প্রশংসা করেন।  

ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা রফিকুল ইসলাম বলেন, আগামী জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মসজিদে নববির গ্র্যান্ড ইমাম এ মসজিদ কমপ্লেক্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হবেন।

মসজিদের উদ্বোধনী দিনের আনুষ্ঠানিক নামাজের নেতৃত্ব দেবেন মদিনা শরিফ থেকে আগত মসজিদে নববির প্রধান ইমাম।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে