বশেমুরবিপ্রবিতে তিন বছরে ২শ’ কম্পিউটার চুরি

বশেমুরবিপ্রবিতে তিন বছরে ২শ’ কম্পিউটার চুরি

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:২৯ ১০ আগস্ট ২০২০  

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে(বশেমুরবিপ্রবি) আবারো কম্পিউটার চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে চারবারে দুই শতাধিক কম্পিউটার চুরির ঘটনা ঘটলো।

এর আগে আরো তিনবার কম্পিউটার চুরির ঘটনা ঘটে। ২০১৭ সালে ৫০টি, ২০১৮ সালে ৪৭টি ও ২০১৭ সালের আগেও ম্যানেজমেন্ট বিভাগের বেশকিছু কম্পিউটার চুরির ঘটনা ঘটে।

এবারে একুশে ফেব্রুয়ারি গ্রন্থাগার (কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার) থেকে ৯১টি কম্পিউটার চুরি হয়েছে বলে রেজিস্ট্রার দফতর সূত্রে জানা গেছে।

সোমবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মো. শাহজাহান ও রেজিস্ট্রার ড. মো. নূরউদ্দিন আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তারা জানান, ঈদের ছুটি শেষে গতকাল রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর বিষয়টি সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ অবগত হয়। এ সময় দেখা যায়, গ্রন্থাগারের পেছনের দিকের জানালা ভেঙে কম্পিউটারগুলো চুরি করা হয়। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

সহকারী নিরাপত্তা কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম জানান, চুরির বিষয়ে জানার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজ চেক করেছি। এতে ২৭ জুলাই থেকে গতকাল রোববার পর্যন্ত ভিডিও ফুটেজ রয়েছে। এ সময়ে কোনো চুরির ঘটনা ঘটেনি। আর এর আগে ২০ তারিখ উপাচার্য (চলতি দায়িত্ব) গ্রন্থাগার পরিদর্শন করেছিলেন। তখনো সব কম্পিউটার যথাস্থানে ছিলো। তাই আমরা ধারণা করছি, ২০ থেকে ২৭ তারিখের মধ্যবর্তী সময়ে এ চুরির ঘটনা ঘটেছে।

তিনি আরো জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০ জন গার্ডের মধ্যে ২০ জন ২৩ তারিখ থেকে কোনো নির্দিষ্ট কারণ না জানিয়েই অনুপস্থিত ছিলেন, তাই নিরাপত্তাজনিত কিছুটা সমস্যা ছিল। তবে আমরা চেষ্টা করেছি অবশিষ্ট গার্ড ও আনসারদের সমন্বয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি (চলতি দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো. শাহজাহান জানান, এ ঘটনায় রেজিস্ট্রার বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এর আগেও তিনবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিটার চুরি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০১৮ সালে চুরির ঘটনার একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি বর্তমানে সিআইডিতে তদন্তাধীন রয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম