বরিশালে মসজিদে একাধিক ঈদ জামাতের সিদ্ধান্ত

বরিশালে মসজিদে একাধিক ঈদ জামাতের সিদ্ধান্ত

বরিশাল প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৫:৫৭ ২৩ মে ২০২০  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

করোনাভাইরাসের কারণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে গিয়ে এবার বরিশালে বেশিরভাগ মসজিদেই একাধিক ঈদুল ফিতরের জামাত হওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। 

বড় বড় মসজিদগুলোতে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে এক ঘণ্টার ব্যবধানে চারটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।

এবার বরিশাল কেন্দ্রীয় হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ ময়দানসহ কোথাও উন্মুক্ত মাঠে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। দক্ষিণাঞ্চলের বৃহৎ ঈদ জামাত হবে ফরিদপুরের বিশ্ব জাকের মঞ্জিলে সকাল সাড়ে ১০টায়। নগরীর চকবাজার এবাদুল্লাহ মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টায় প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এরপর প্রতি ঘণ্টায় একটি করে জামাত অনুষ্ঠিত হবে। সকাল সাড়ে ১০টায় শেষ হবে। 

নগরীর মুসলিম গোরস্তান ও পলাশপুর কাজির গোরস্তান মসজিদ, পাওয়ার হাউজ জামে মসজিদ, কেন্দ্রীয় কসাই মসজিদ ও শহরের প্রাণকেন্দ্র সদররোডস্থ বায়তুল মোকাররম মসজিদ, পুলিশ লাইন্স মসজিদ, কেন্দ্রীয় কারাগার মসজিদ, বটতলা হাজী উমর শাহ মসজিদ, করিম কুটির মসজিদ, বায়তুল মামুর মসজিদ, নবগ্রাম রোড-চৌমহনী মারকাজ মসজিদ, বাংলাবাজার মসজিদ, নথুল্লাবাদ মসজিদ, ফরেস্টার বাড়ি মসজিদ ও রূপাতলী হাউজিং মসজিদসহ নগরীর প্রধান মসজিদগুলোতেই একাধিক জামাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রায় সব মসজিদেই প্রথম জামাত সকাল সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে। 

অপরদিকে বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই দরবার শরীফ মসজিদ, ছারছিনা দরবার শরীফ মসজিদ ও জেলার উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া মসজিদে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। 

এদিকে, ডিসি সভা কক্ষে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় নিয়ে ইসলামী ফাউন্ডেশনের, ইমাম সমিতির ও পুলিশসহ অন্যান্য দফতরের প্রতিনিধিদের নিয়ে ডিসি সভা করেছেন। সভায় সিদ্বান্ত অনুযায়ী বড় পরিসরে ঈদের জামাত পরিহারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। 

মসজিদের ভেতরে ঈদুল ফিতরের জামাত আদায়ের জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। মুসলি­দের সুবিধার্থে মসজিদে সর্বাধিক জামাতের আয়োজন করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রথম জামাত সকাল ৭ টায় শুরু করে সর্বশেষ জামাত সকাল ১১ টার মধ্যে শেষ করতে হবে। জামাত শেষে করোনাভাইরাস থেকে মুক্তির জন্য মহান আল্লাহর রাব্বুল আলামিনের দরবারে দোয়া কামনা করতে বলা হয়েছে। মসজিদে জামায়াতে কার্পেট বিছানো যাবে না। 

নামাজের পূর্বে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবাণুনাশক দ্বারা পরিষ্কার করতে হবে। মুসল্লিদেরকে নিজ নিজ জায়নামাজে নামাজ আদায় করতে হবে। আবশ্যিকভাবে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। অজু নিজ বাসা থেকে করে আসতে হবে।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত সামাজিক শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ সব নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। মসজিদের প্রবেশ মুখে হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে। কাতারবদ্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। এক কাতার বাদ দিয়ে পরবর্তী কাতার করতে হবে। শিশু বয়োবৃদ্ধ এবং অসুস্থ ব্যক্তি ঈদুল ফিতরের জামাত অংশগ্রহণ করতে পারবে না বলে এসব নিয়ম মেনে চলার জন্য সব ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের প্রতি আহবান জানান।

 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে