বনানীর অফিস জাপা চেয়ারম্যানের গলার কাঁটা

বনানীর অফিস জাপা চেয়ারম্যানের গলার কাঁটা

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৪:২৬ ৩ আগস্ট ২০২০   আপডেট: ১৫:১০ ৩ আগস্ট ২০২০

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

বনানীর জাতীয় পার্টি (জাপা) চেয়ারম্যানের কার্যালয় এখন গলার কাঁটা। কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দিতেও হিমশিম খাচ্ছে দলটি। ছাঁটাইয়ের শঙ্কায় দিন কাটছে পার্টির দুই অফিসের কর্মচারীদের। দিনে দিনে অর্থ সংকট প্রকট হচ্ছে জাপার। এমনটাই দাবি নেতাকর্মীদের।

জাপা সূত্রে জানা গেছে, বনানী ও কাকরাইলের দুই অফিস পরিচালনা ব্যয় বর্তমানে প্রায় ১০ লাখ টাকা। এর মধ্যে রয়েছে শুধু অফিস ভাড়া, কর্মচারীদের বেতন ও মেইনটেনেন্স খরচ। এছাড়া পার্টি চালানোর অন্য খরচ বেশিরভাগ সময় নেতাকর্মীরা বহন করে থাকেন। কিন্তু এই ১০ লাখ টাকার খরচ বহন করাও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ জীবিত থাকতে যা ছিলো প্রায় ২৫ লাখ টাকা। তবুও কখনো অর্থ সংকট হতো না। কর্মী ছাঁটাইসহ বিভিন্নভাবে ব্যয় সংকোচনের পর এখন মেইনটেনেন্স খরচ ১০ লাখ টাকা তবুও অর্থ সংকুলান হয় না।

সূত্র জানায়, বনানীতে চেয়ারম্যানের কার্যালয় ভাড়া সংকোচনের জন্য কয়েক বার চেষ্টা হয়েছে। কাকরাইলে কেন্দ্রীয় কার্যালয় ফাঁকা রয়েছে সেখানে চেয়ারম্যানের কার্যালয় শিফট করার আলোচনাও উঠেছিলো কয়েকবার। এই অফিস ছেড়ে দিয়ে কাকরাইল অফিস থেকে পার্টি চালানোর চিন্তা করা হয়েছে‌। এতে পার্টির ক্ষতির ভয়ে ছাড়তেও পারছে না।

এদিকে দুই অফিসের ২৮ জন কর্মচারীর মধ্যে এখন পর্যন্ত ৬ জনকে ছাঁটাই করা হয়েছে। আরো অনেককেই বাদ দেয়া হতে পারে। তাই চাকরি হারানোর ভয়ে আছে অনেক কর্মচারী।

এসব বিষয়ে জাপার দফতর সম্পাদক সুলতান মাহমুদ বলেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুর পর একটু ধাক্কা এসেছে। এই সমস্যা থাকবে না। করোনা মহামারির জন্য পার্টির কার্যক্রম থমকে আছে। মহামারি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই রাজনৈতিক কর্মসূচি বাড়বে। তখন নেতাকর্মীরা আগে যেভাবে পার্টি চালাতেন সেভাবেই চলবে। অর্থ সংকট কেটে যাবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এস.আর/এমআরকে/এইচএন