বজ্রপাতে ছয় জেলায় ৯ জনের মৃত্যু

বজ্রপাতে ছয় জেলায় ৯ জনের মৃত্যু

মফস্বল ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৯:১৭ ৪ জুন ২০২০   আপডেট: ২১:৩৫ ৪ জুন ২০২০

টাঙ্গাইলের স্কুলছাত্র অনিক ও পাবনার কলেজছাত্র নুরুজ্জামান

টাঙ্গাইলের স্কুলছাত্র অনিক ও পাবনার কলেজছাত্র নুরুজ্জামান

বগুড়া, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, কুষ্টিয়া, নওগাঁ ও পাবনায় বজ্রপাতে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো দুইজন। বৃহস্পতিবার বিকেলে এসব ঘটনা ঘটে।

মৃতরা হলেন- বগুড়ার কাহালু উপজেলার মালঞ্চা ইউপির মোখলেছার রহমান, শাজাহানপুর উপজেলার খরনা ইউপির হরিণগাড়ী মধ্যপাড়ার নুরুল ইসলাম, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাঘিল ইউপির ধরেরবাড়ী পশ্চিমপাড়ার মো. অনিক, মানিকগঞ্জের সিংগাইরের ধল্লা ইউপির এনামুল, কুষ্টিয়ার কুমারখালীর সাদিপুর ইউপির ঘোষপুরের ফারুক মণ্ডল, নন্দলালপুর ইউপির সদরপুর সরদারপাড়ার শফি মণ্ডল, নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার লোহাচুড়া দক্ষিনপাড়ার মিজানুর রহমান মিঠু আকন্দ, পাবনা সদর উপজেলার তেলিগ্রামের নুরুজ্জামান মোল্লা, সুজানগর উপজেলার শান্তিপুরের আব্দুল জলিল।

আহতরা হলেন- কাহালু উপজেলার মালঞ্চা ইউপির হাসান আলী ও রায়হান।

কাহালু থানার ওসি জিয়া লতিফুল জানান, মালঞ্চা ইউপির এরুল স্কুলমাঠে মোখলেছার রহমানসহ কয়েকজন কৃষক ধান শুকানোর কাজ করছিলেন। ওই সময় বজ্রপাতে মোখলেছার, হাসান আলী ও রায়হান আহত হন। স্থানীয়রা তাদের বগুড়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মোখলেছারকে মৃত ঘোষণা করেন।

বগুড়া মেডিকেল কলেজ পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আজিজ জানান, শাজাহানপুরের হরিণগাড়ী মধ্যপাড়ার কৃষক নুরুল ইসলাম মাঠে কাজ করছিলেন। ওই সময় বজ্রপাতে তিনি আহত হন। স্থানীয়রা তাকে হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাঘিল ইউপি মেম্বার আব্দুল হক জানান, বাড়ি পাশের ধানক্ষেতে মা-বাবার সঙ্গে খড় শুকানোর কাজ করছিল অনিক। আকস্মিক বজ্রপাতে সে অচেতন হয়ে পড়ে। এরপর পরিবারের সদস্যরা তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার ধন্না ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, ঝড়বৃষ্টির মধ্যে বাড়ির সামনের বাগানে আম কুড়াচ্ছিল এনামুল। ওই সময় বজ্রপাতে সে আহত হয়। পরে তাকে স্থানীয় বাস্তা বাসষ্ট্যান্ড সংলগ্ন একটি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কুষ্টিয়ার সাদিপুর ইউপি চেয়ারম্যান তোফাজ্জেল হোসেন জানান, বিকেলে বাড়ির পাশের মাঠে গরু চড়াচ্ছিলেন ফারুক মণ্ডল। ওই সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

কুমারখালী থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান জানান, বিকেলে বৈরী আবহাওয়ার কারণে মাঠ থেকে গরু আনতে যান শফি মণ্ডল। ওই সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

রাণীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জনি হোসেন জানান, সন্ধ্যায় ঝড়বৃষ্টির মধ্যে মাছ ধরতে বের হন মিজানুর রহমান মিঠু আকন্দ। ওই সময় বজ্রপাতে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। হাসপাতালে নেয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়।

পাবনার আতাইকুলা প্রেস ক্লাবের সেক্রেটারি কামরুল ইসলাম জানান, বিকেলে বাড়ির পাশের মাঠে গরুর জন্য ঘাস কাটতে যান কলেজছাত্র নুরুজ্জামান। ওই সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

শান্তিপুরের স্কুলশিক্ষক নজরুল ইসলাম জানান, ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে বাড়ির পাশের মাঠে কাজ করছিলেন আব্দুল জলিল। ওই সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর