বগুড়ায় এমপি হতে নারীদের তোড়জোড়

বগুড়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২০:৫৯ ১১ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ২০:৫৯ ১১ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

 

একাদশ সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পর শপথ নিয়েছেন নবনির্বাচিত এমপিরা। নির্বাচন শেষ হওয়ার পর থেকেই সংসদের ৫০টি সংরক্ষিত মহিলা আসনে প্রার্থী হতে কেন্দ্রে লবিং শুরু করেছেন বগুড়ার মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলালীগ, যুব মহিলা শ্রমিক লীগের নেতারা।

এরমধ্যেই তারা বিভিন্নভাবে নিজেদের অবস্থান থেকে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে আওয়ামী লীগের হাইকমান্ডে লবিং শুরু করেছেন। বিরোধী অবস্থানে থাকার সময় রাজপথে লড়াই সংগ্রামে নিজেদের অবস্থানসহ দলীয় কর্মকাণ্ডে নিজেদের সমপৃক্ততার বিভিন্ন দিক তুলে ধরছেন তারা। সবাই বিশ্বাস করেন, দলের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের মূল্যায়ন করবেন। 

সংরক্ষিত মহিলা আসনে প্রার্থী হতে ইচ্ছুক এখন পর্যন্ত যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন- জেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক এমপি কামরুন্নাহার পুতুল, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক এমপি খাদিজা খাতুন শেফালী, সাধারণ সম্পাদক সুরাইয়া নিগার সুলতানা ডরোথী, যুগ্ম সম্পাদক হেফাজত আরা মিরা, পৌরসভার সাবেক মহিলা কাউন্সিলর স্বপ্না চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম মোহনের স্ত্রী কোহিনুর মোহন, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুর রহমান দুলুর স্ত্রী শামীমা জেছমিন, জেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক সাগর কুমার রায়ের স্ত্রী সুমনা রায়, জেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট লাইজিন আরা লিনা, সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার সাবেক মহিলা কাউন্সিলর ডালিয়া নাসরিন রিক্তা, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মাহফুজা খানম লিপি।

জেলা মহিলা লীগের সভাপতি খাদিজা খাতুন শেফালী বলেন, স্বামী হাসান আলী তালুকদার ১৯৭৩ সালে দুপচাঁচিয়া-আদমদীঘি আসনের এমপি ছিলেন।  ১৯৭২ সাল থেকে আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে আছেন। নবম সংসদে তিনি সংরক্ষিত আসনের এমপি ছিলেন। আগামীতে প্রার্থী হতে চাই।

জেলা মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক সুরাইয়া নিগার সুলতানা ডরথী বলেন, আমার বাবা ডা. গোলাম সারওয়ার শেরপুর-ধুনট আসনে এমপি ছিলেন। তিনি দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করছেন।
 
জেলা মহিলা লীগের যুগ্ম সম্পাদক হেফাজত আরা মিরা বলেন, ১৯৮৫ সাল থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করছি। সংগঠনের জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছি।

জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক ডালিয়া নাসরিন রিক্তা বলেন, ছোটবেলা থেকেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভক্ত। ২০০৮ সাল থেকে জেলা যুব মহিলা লীগের হাল ধরেছি। এরপর ওয়ার্ড, ইউপি, উপজেলা ও জেলার সংগঠনকে শক্তিশালী করেছি। 

সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মাহফুজা খানম লিপি বলেন, উত্তরজনপদের নারী শিক্ষার অন্যতম বিদ্যাপিঠ সরকারি মুজিবুর রহমান মহিলা কলেজ ছাত্রসংদের সাবেক ভিপি আমি। বগুড়া জেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি সদস্য নির্বাচিত হয়েছি। 


জেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক এমপি কামরুন্নাহার পুতুল বলেন, তিনি ৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। এবারও মনোনয়ন চাইব।  

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম