Alexa বই পিপাসুদের জন্য সামান্তা সৌমির  ‘জল রঙের মেয়ে’

বই পিপাসুদের জন্য সামান্তা সৌমির  ‘জল রঙের মেয়ে’

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ০০:০৭ ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

বাঙালির প্রাণের মেলা অমর একুশে বই মেলাতে বই পিপাসুদের পিপাসা মেটাতে এসেছে সামান্তা সৌমির ‘জল রঙের মেয়ে’ গল্পগ্রন্থ । এটি তার প্রথম গ্রন্থ। যেখানে মিলেছে জীবনের বাস্তব চিত্র।

বিভিন্ন বয়সের ভিন্ন ভিন্ন সমাজ ও শ্রেণির মানুষের জীবনের নানান রূপ নানান বৈচিত্র্যময়তায়, গল্পকারের নিবিড় অভিনিবেশ যুক্ত হয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে গল্পগুলোতে।

এখানে জীবন কথা বলেছে জীবনের মতোই। স্বপ্নে-দ্রোহে জীবন খুঁজে নিয়েছে জীবনের গন্তব্য। গল্পকার তাকে অবিবেচকের মতো টানেনি পূর্ব নির্দিষ্ট ঠিকানায়।

অন্যদিকে, বাঙালির প্রাণের মেলা অমর একুশে বই মেলার জন্য সারা বছর অনেকেই এ মেলার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকেন। একুশে ফেব্রুয়ারি ভাষা দিবস হওয়ায় এমনই এটি আবেগের জায়গা। তার ওপর আবার এ উপলক্ষে মাতৃভাষার বইয়ের মেলা। তাই আবেগ-চেতনা অন্য মাত্রায় গিয়ে পৌঁছে। বাংলা একাডেমির উদ্যোগে একাডেমির চত্বরসহ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বসেছে এ মেলা। দেশের প্রায় পাঁচ শতাধিক প্রকাশনী সংস্থা ব্যস্ত রয়েছে নতুন বই প্রকাশের নানা কর্মকাণ্ড নিয়ে।

এক নজরে লেখক সামান্তা সৌমির জীবনী:

সামান্তা সৌমির জন্ম ১৯৮৬ সালের ৭ জুন। তাঁর পৈতৃক নিবাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার মেহারী গ্রাম। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করে ২০১২ সালে বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে যোগদান করেন। বর্তমানে তিনি সরকারি আনন্দ মোহন কলেজ, ময়মনসিংহের দর্শন বিভাগে সহকারী অধ্যাপক পদে কর্মরত আছেন। স্কুল জীবন থেকেই তিনি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। ‘জল রঙের মেয়ে’ গল্পগ্রন্থটি তার প্রথম গ্রন্থ। গ্রন্থটি পাওয়া যাবে বিশ্বসাহিত্য ভবন প্রকাশনীর (প্যাভিলিয়ন ২৪) স্টলে।

সামান্তা সৌমি ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, ছোটবেলায় বাবার উপহার দেয়া ডায়েরির পাতায় লিখতে লিখতেই লেখার অভ্যাসটি তৈরি হয়েছিল। বাসায় একটি ছোট পরিসরে গ্রন্থাগার ছিল, বেশ কিছু বইয়ের আলমারি জুড়ে ছিল দেশ বিদেশের ভালো মানের বই। অবসরে পরিবারের সবাই মিলে সাহিত্য আড্ডায় বসা হতো। ফলে পারিবারিক ভাবেই একটি সাংস্কৃতিক আবহ পেয়েছিলাম, যা আমার জীবনবোধ তৈরিতে সাহায্য করেছে।

তিনি আরো বলেন, সেই জীবনবোধকে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি আমার গল্পগ্রন্থে। উঠিয়ে আনার চেষ্টা করেছি মানুষের চিন্তা, চেতনার নানান আঙ্গিক। যদি আমার গ্রন্থটি পাঠকের ভাবনার জগতে নাড়া দেয়, তবে গ্রন্থটি রচনা সার্থক হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/ইএ/আরএ