Alexa ফোক ফেস্টের শেষ দিনে দর্শকে পরিপূর্ণ আর্মি স্টেডিয়াম

ফোক ফেস্টের শেষ দিনে দর্শকে পরিপূর্ণ আর্মি স্টেডিয়াম

বিনোদন প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২৩:১৬ ১৬ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৩:২৩ ১৭ নভেম্বর ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

হেমন্তের বাতাসে সুরের কাঁপন তুলে বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে জমে উঠেছে ‘ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ফোক ফেস্ট ২০১৯’। গত দু’দিন সেখানে লোকসংগীতের মধুর মায়ায় মেতেছিল হাজারো দর্শক।

পঞ্চমবারের মতো সান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় এ লোকসংগীতের উৎসবের তৃতীয় দিন শনিবার। আজও সুরের অমীয় সুধায় বুঁদ হবেন আগত শ্রোতারা।

তবে উৎবের শেষ দিনে জমে উঠেছে এবারের আসর। স্টেডিয়ামে কানায় কানায় পরিপূর্ণ ছিল দর্শক। শুরুতেই কাওয়ালি গানে দর্শক মাতালেন মালেক কাওয়াল। বাংলাদেশের কাওয়ালি গানের খ্যাতিমান এ শিল্পী মঞ্চে উঠেন সন্ধ্যা সাতটা ১৫ মিনিটে। এরপর মঞ্চে আসেন রাশিয়ান কারেলিয়া অঞ্চলের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘সাত্তমা’। মঞ্চে নানা ধরনের ইন্সট্রুমেন্ট বাজিয়ে এক অদ্ভুত মূর্ছনায় দর্শককে আবিষ্ট করে রাখেন সাত্তুমার সদস্যরা।

এরপর নিজের সুরের জাদু নিয়ে মঞ্চে হাজির হন চন্দনা মজুমদার। তিনি মঞ্চে এসে গান শুনান পাঁচটি। তবে ‘তুমি জানো নারে প্রিয়ও’ গানটি নিজের কণ্ঠে তোলার পরেই চারিদিকে দর্শকদের কণ্ঠেও গানটি গাওয়ার হিড়িক পড়ে যায়। তবে আগত দর্শকদের সবার মাঝেই পাকিস্তানি গায়ক জুনুনের গান শোনার আগ্রহ লুকিয়ে রয়েছে। আর তাদের মনের সেই কথা উৎসবে আগত কয়েকজন দর্শকের সঙ্গে কথা বলেই বোঝা যায়।

উৎসবে আসা ফয়সাল হাসান সজল নামের এক দর্শক বলেন, এবারের লাইন আপটা শুরু থেকেই আমার ভাল লেগেছে। গানগুলোও আমাকে বেশ আকৃষ্ট করেছে। এছাড়া চন্দনা মজুমদরের ‘সোনারো পালঙ্গে’ গানটি আমার ভেতর সারা ফেলেছে।

এদিকে আরেক দর্শক শাহরিয়ার বলেন, জুনুনের ‘মাস্কালান্দার’ গানটি আমার অনেক পছন্দের। আর আমি তার সেই গান আজকে সামনা সামনি শুনবো বলে এখানে এসেছি। 

এছাড়া ফারহাতুল হাসান ফাহিম নামের আরো এক দর্শক বলেন, এবারের উৎসবে আমি প্রথম থেকেই প্রতিটা শিল্পীর গান শুনেছি। সবার গানই ভাল লেগেছে।

সান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত লোকগানের এ উৎসব সরাসরি সম্প্রচার করে রেডিও দিনরাত ও মাছরাঙা টেলিভিশন।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএ/টিএএস