ফেরত গেল ৬০ লাখ টাকা, প্রকৌশলীর অপসারণ চাইলেন ঠিকাদাররা 

ফেরত গেল ৬০ লাখ টাকা, প্রকৌশলীর অপসারণ চাইলেন ঠিকাদাররা 

মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৫:২৭ ২ জুলাই ২০২০  

উপজেলা প্রকৌশলীর অপসারণ দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

উপজেলা প্রকৌশলীর অপসারণ দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলা পরিষদের ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) টেন্ডারে অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে ৬০ লাখ টাকা ফেরত যাওয়ায় উপজেলা প্রকৌশলীর অপসারণ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সাধারণ ঠিকাদাররা।

বৃহস্পতিবার সকালে মঠবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে সাধারণ ঠিকাদাররা এ সংবাদ সম্মেলন করেন।

এ সময় ঠিকাদারদের পক্ষে মো. লোকমান হোসেন খান লিখিত বক্তব্যে বলেন, ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের এডিপির কাজের জন্য ২৪ জুন টেন্ডার আহ্বান করে এবং পাঁচ শতাংশ কমিশনে ঠিকাদারদেরকে টেন্ডার ড্রপিংয়ের জন্য বলা হয়। কিন্তু উপজেলা প্রকৌশলী কাজী আবু সাইদ মো. জসিম উপজেলা চেয়ারম্যানের যোগসাজশে ইচ্ছাকৃতভাবে সাধারণ ঠিকাদারদের বাদ দিয়ে ৭-৮জন পছন্দ সই ঠিকাদারকে ২২ শতাংশ থেকে ২৭ শতাংশ কমিশনে কাজ পাইয়ে দেয়। 

এছাড়া পিপিআর বিধি অনুযায়ী আরএফকিউ টেন্ডার পদ্ধতিতে সিডিউল বিক্রি বা দরপত্র বিতরণের ক্ষেত্রে ৭১ (৩) ধারায় কোনো প্রকার মূল্য গ্রহণ করা যাবে না ও ৭০ (৬) ধারায় ৫ শতাংশ জামানত গ্রহণ করা যাবে না যা সম্পূর্ণ বেআইনি। কিন্তু উপজেলা প্রকৌশলী আরএফকিউ পদ্ধিতে প্রতি সেটের ধার্য্য মূল্য চার হাজার আটশত টাকা লিখে রশিদ প্রদান করে ঠিকাদারদের কাছ থেকে পাঁচ হাজার পাঁচশত টাকা গ্রহণ করে আনুমানিক ১২০টি সিডিউল সেট বিক্রি করে প্রায় ছয় লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। যা পিপিআর বহির্ভূত ও সাধারণ ঠিকাদারদের সঙ্গে প্রতারণার সামিল। 

তিনি আরো জানান, উপজেলা চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ইউপির কিছু সংখ্যক চেয়ারম্যান রাজনৈতিক ও প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে করোনাকালীন সময়ে স্থানীয় এমপি ডা. রুস্তম আলী ফরাজীকে জড়িয়ে মিছিল ও সমাবেশ করায় নিন্দা জানান। 

সংবাদ সম্মেলনে জেলা পরিষদ সদস্য ইলিয়াস উদ্দিন হেলাল মুন্সী, সাবেক কাউন্সিলর হেমায়েত উদ্দিন, জিল্লুর রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা নুরুজ্জামান তালুকদার, কামরুল আকন, যুবলীগ নেতা তৌহিদ মাসুম, বাবু শরীফ ও কালাম মোল্লা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ