Alexa ফেনীতে মাইক্রো মনিটরিং স্টেশন স্থাপন

ফেনীতে মাইক্রো মনিটরিং স্টেশন স্থাপন

ফেনী প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২১:১৭ ১৭ নভেম্বর ২০১৯  

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

ফেনী জেলার বায়ুমান পরিবীক্ষণ করতে মাইক্রো মনিটরিং স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে। এটি পরিবেশ দূষণের কারণ উদঘাটন করে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দেশের বড় শহরগুলোতে উদ্বেগজনক পর্যায়ে বায়ু দূষণ বেড়ে গেছে। যা মানবদেহের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ঢাকাসহ অন্যান্য শহরগুলোতে অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাড়ছে। একইসঙ্গে ক্রমবর্ধমান হারে বাড়ছে বায়ুদূষনের মাত্রাও। এ থেকে রক্ষা পেতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের অধীন পরিবেশ অধিদফতর দেশের গুরুত্বপূর্ণ ১১টি স্থানে সার্বক্ষণিক বায়ুমান পরিবীক্ষণ কেন্দ্র (ক্যামস) স্থাপন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে মহিপাল সার্কিট হাউজ সড়কের কার্যালয়ের ছাদে এটি স্থাপন করা হয়। 

ক্লিন এয়ার অ্যান্ড সাসটেইনেবল এনভায়রনমেন্ট (কেস) শীর্ষক প্রকল্প গ্রহণের আওতায় প্রকল্পটিতে অর্থায়ন করে বিশ্বব্যাংক। যন্ত্রটি দেখভাল করার জন্য ফেনী পরিবেশ অধিদফতরের পরিদর্শক ফাইজুল কবিরকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

ফেনী পরিবেশ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. মেজ-বাবুল আলম জানান, এ যন্ত্রের মাধ্যমে ফেনী শহরের আলো-বাতাসের বায়ুতে বিদ্যমান বস্তুকনা ও ওজন সালফার ডাই অক্সাইড, নাইট্রোজেনের অক্সাইডস ও কার্বন মনোক্সাইড এই ৬টি বায়ু দূষক নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ করা এবং আবহাওয়া সর্ম্পকিত বায়ুর আদ্রতা, বায়ু প্রবাহের গতি ও দিকসহ বিভিন্ন উপাত্ত সংগ্রহ করা সম্ভব হবে।

তিনি আরো জানান, প্রাপ্ত উপাত্ত বৈজ্ঞানিক উপায়ে বিশ্লেষণ করে দৈনিক ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হবে। যা পরিবশে অধিদফতরের ওয়েবসাইটে নিয়মিত প্রকাশ করা হবে। ফলে বায়ু দূষণ সর্ম্পকে জনসচেতনতা বৃদ্বিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে। এর ফলে ফেনীর আকাশের বাতাসে আলোতে কোনো প্রকার দূষিত পদার্থ থাকলে তা নির্ণয় করা সহজ হবে। যদি মাত্রার চেয়ে বেশি দূষণ পাওয়া যায় তা কেন হলো অথবা কোন কারণে পরিবেশ দূষিত হয়েছে তাও নির্ণয় করা সম্ভব হবে। পরিবেশ অধিদফতরের নিদের্শনা মোতাবেক দূষণের কারণ বের করে কমাতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মো. মেজ-বাবুল আলমের মতে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং জাতিসংঘের অন্যান্য সংস্থাগুলো বায়ু দূষণ সম্পকিত স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিরসনের লক্ষ্যে সম্ভাব্য কার্যকরী কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের সময় ক্যামস হতে প্রাপ্ত উপাত্ত ব্যবহার করতে পারবে। 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ