Alexa ফরিদপুরে পিকআপ চালক হত্যায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

ফরিদপুরে পিকআপ চালক হত্যায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

ফরিদপুর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১২:৩২ ১০ অক্টোবর ২০১৯   আপডেট: ১৪:০৬ ১০ অক্টোবর ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পিকআপ ভ্যান চালক কেরামত হাওলাদারকে হত্যার দায়ে সাতজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

বৃহস্পতিবার সকালে ফরিদপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সেলিম মিয়া এ রায় দেন। এ সময় দণ্ডিত সাতজনের মধ্যে পাঁচজন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।  

দণ্ডিতরা হলেন- জেলার ভাঙার চান্দ্রা গ্রামের আব্দুল মোল্যার ছেলে তোফা মোল্যা, আব্দুল মান্নান ফকিরের ছেলে পলাশ ফকির, সামছুল হক খালাসির ছেলে সিদ্দিক খালাসি, আব্দুল মালেক মাতুব্বরের ছেলে এরশাদ মাতুব্বর, মোসলেমের ছেলে সুরুজ ওরফে সিরাজুল খাঁ, আব্দুল মালেক মাতুব্বরের ছেলে নাইম মাতুব্বর, গিয়াস উদ্দিন মোল্যার ছেলে আনু মোল্যা ওরফে আনোয়ার মোল্যা। এর মধ্যে নাইম মাতুব্বর ও সুরুজ ওরফে সিরাজুল পলাতক রয়েছে। 

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে আদালতের ভারপ্রাপ্ত পিপি দুলাল চন্দ্র সরকার জানান, ২০১৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর রাতে ফরিদপুরের ভাঙ্গার উত্তর লোহারদিয়া গ্রামের পিকআপ ভ্যান চালক কেরামত হাওলাদার নিখোঁজ হন। পরদিন ভোরে ছলিলদিয়া দিঘলকান্দা বিলের ভেতর থেকে তার গলা ও পেট কাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ১৫ ডিসেম্বর নিহতের ভাই ইকরাম হাওলাদার বাদী হয়ে ভাঙ্গা থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ মোবাইলের কললিস্টের সূত্র ধরে তোফা মোল্যাকে আটক করে। আটকের পর সে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।এরপর তার দেয়া তথ্যানুযায়ী বাকি আসামিদের পুলিশ আটক করে আদালতে সোপর্দ করে। মামলাটির দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আদালত সাতজনের মৃত্যুদণ্ড ও একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে/এমকেএ