Alexa ‘প্রেসরিলিজ দেয়া ছাড়া বিএনপির কোনো কাজ নেই’

‘প্রেসরিলিজ দেয়া ছাড়া বিএনপির কোনো কাজ নেই’

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২১:২৬ ২৩ জুলাই ২০১৯   আপডেট: ২২:১৬ ২৩ জুলাই ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বিএনপি নেতাদের বন্যা নিয়ে কোন মাথা ব্যথ্যা নেই। বিএনপি নেতা রিজভী শুধু মাত্র দলীয় অফিসে বসে প্রেসরিলিজ দেন আর সাংবাদিকরা তা মিডিয়াতে তুলে ধরেন। এছাড়া বিএনপি নেতাদের কোনো কাজ নেই। 

তিনি আরো বলেন, ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে ছিল। ওই সময় উত্তরাঞ্চলে মঙ্গা ও বন্যার সময় শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সারা দেশে দুর্গতদের পাশে ত্রাণ সহায়তা নিয়ে দাঁড়িয়েছেন। কিন্তু গত ১১ বছরে বিএনপির কোনো নেতাকর্মী দুর্গতদের পাশে দাঁড়ায়নি। এরকম কোন উদাহরণ তারা দিতে পারবে না। 

মঙ্গলবার দুপুরে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার চরাঞ্চল বাঁচামারা, শিবালয় উপজেলার অন্বয়পুর ও হরিরামপুর উপজেলার বাহাদুরপুর এলাকায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ত্রাণ কমিটির পক্ষ থেকে বন্যা কবলিতদের ত্রাণ সহায়তা দেয়ার সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

ত্রান বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন- এমপি মীর্জ আজম,আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এমপি অসীম কুমার উকিল, স্থানীয় এমপি নাঈমুর রহমান দুর্জয়, আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা  বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, শিক্ষা ও  মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা,জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম মহীউদ্দীন, মানিকগঞ্জ পৌর সভার মেয়র গাজী কামরুল হুদা সেলিম,শিবালয় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউর রহমান জানু, দৌলতপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম রাজা, হরিরামপুর  উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দেওয়ান সাইদুর রহমান।

আওয়ামী লীগের ত্রাণ কমিটির পক্ষ থেকে মানিকগঞ্জের তিন উপজেলায় নদী ভাঙন ও বন্যা কবলিত ৩ হাজার পরিবারের মধ্য ৩০ কেজি করে চাল, ডাল,তেল, চিড়া ,আলু ও লবণ বিতরণ করা হয়।

কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক আরো বলেন, আওয়ামী লীগের সরকারের সময় দেশে একটি মানুষও না খেয়ে মারা যায়নি। দেশে খাদ্য উদ্বৃত্ত রয়েছে,শেখ হাসিনার নির্দেশ একটি মানুষও যেন না খেয়ে থাকে। প্রতিটি বন্যা দুর্গতদের বাড়িতে পর্যাপ্ত পরিমান ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হবে। বন্যার সময় যেমন খাদ্য সামগ্রী দেয়া হবে, তেমনি ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারেকে ঘর নির্মাণে সহযোগিতা করা হবে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশ নদীমাতৃক দেশ, ভাঙন ও বন্যা স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে বর্তমান সরকার বন্যা ও ভাঙন মোকাবিলায় স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। চাঁদপুর থেকে পদ্মা ও যুমনা নদী ড্রেজিং করা হবে। ড্রেজিংয়ের মাটি নদীর পাড়ে ফেলে বাঁধ নির্মাণ করা হবে। এতে নদীর গভীরতা বৃদ্ধি পাবে এবং নদীর পাড় বাঁধ নির্মাণ হলে ভাঙন রোধ হবে।

কৃষিমন্ত্রী আরো বলেন, বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতি হয় কৃষিতে। বন্যা পরবর্তী কৃষি পুনর্বাসন করার জন্য কৃষকদের বিনামূল্যে সার, বীজ দেয়া হবে। এর জন্য ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আশা করা যায় কৃষি পুনর্বাসনে কোন সমস্যা হবে না। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে