Alexa প্রিয়া সাহার বক্তব্য রাষ্ট্রদ্রোহ বলে মনে করেন না আইনমন্ত্রী

প্রিয়া সাহার বক্তব্য রাষ্ট্রদ্রোহ বলে মনে করেন না আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৩:৩৬ ২১ জুলাই ২০১৯   আপডেট: ১৫:৩৭ ২১ জুলাই ২০১৯

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রিয়া সাহার দেয়া মিথ্যা অভিযোগকে রাষ্ট্রদ্রোহ বলে মনে করেন না আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

রোববার বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে বিচারকদের প্রশিক্ষণের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিষয়ে ট্রাম্পকে যে তথ্যগুলো প্রিয়া সাহা দিয়েছেন তা সর্বৈব মিথ্যা, বিএনপি-জামায়াতের সময় ছাড়া বাংলাদেশে এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি। এটা তার ব্যক্তিগত ঈর্ষা চরিতার্থের জন্য করেছে। এত ছোট্ট ঘটনায় রাষ্ট্রদ্রোহ হয়ে গেছে, তা মনে করি না।

মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার ২৭ ব্যক্তির সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখানে ১৬টি দেশের প্রতিনিধি অংশ নেন। বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহাও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পান। ট্রাম্পের সঙ্গে তার সাক্ষাতের ভিডিও ভাইরাল হলে পুরো দেশে সৃষ্টি হয় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির।

ভিডিওটিতে দেখা যায়, প্রিয়া সাহা মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে বাংলাদেশ বিষয়ে মিথ্যাচার করছেন। তিনি ট্রাম্পের কাছে অভিযাগ করে বলছেন; বাংলাদেশে ৩৭ মিলিয়ন অর্থাৎ ৩ কোটি ৭০ লাখ হিন্দু, বৌদ্ধকে গুম (ডিজএপিয়ার), খুন ও হত্যা করা হয়েছে। তাদের বাড়ি-ঘর জ্বালিয়ে দিয়েছে ও জমি-জমা-সম্পদ দখল করা হয়েছে। এ ছাড়া তিনি ট্রাম্পের কাছে নিজেসহ বাংলাদেশের ১ কোটি ৮০ লাখ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা চেয়ে আকুতি জানাচ্ছেন। প্রেসিডেন্টের এক প্রশ্নের উত্তরে প্রিয়া সাহা আরো অভিযোগ করেন, বাংলাদেশে এসব নির্যাতন করছে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় মুসলিম মৌলবাদীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রিয়া সাহার গ্রামের বাড়ি পিরোজপুর জেলার চরবানিরীর মাটিভাঙ্গা নাজিরপুরে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময় ছাত্র ইউনিয়ন করতেন, থাকতেন রোকেয়া হলে। মহিলা ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদকও ছিলেন তিনি। বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য গতবছর তাকে মহিলা ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। তিনি রানা দাসগুপ্ত ও পীযুস বন্দোপধ্যায়ের সহযোগী।

এছাড়া ‘শাড়ি’ নামক একটি এনিজিওর (বেসরকারি সংস্থা) পরিচালকও প্রিয়া সাহা। তার এলাকার দলিত সম্প্রদায়কে নিয়ে কাজ করেন তিনি। সেই সঙ্গে দেশের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য দিয়ে এই এনজিওর নামে বিদেশ থেকে টাকা আনেন। তার বাড়ি পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ করেছেন সেটাও বিদেশ থেকে টাকা আনার ফন্দি।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ