প্রধানমন্ত্রীই এখন শেষ ভরসা হোসনেয়ারার

প্রধানমন্ত্রীই এখন শেষ ভরসা হোসনেয়ারার

ইদ্রিস আলম ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২১:২৮ ২১ মে ২০১৯   আপডেট: ১৪:২৮ ২২ মে ২০১৯

হোসনেয়ারা বেগম ও ছেলে মেহেদী হাসান। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

হোসনেয়ারা বেগম ও ছেলে মেহেদী হাসান। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বাংলাদেশ রেলওয়েতে কর্মরত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ইছাক আলী মণ্ডল। ১৯৯৮ সালে তার মৃত্যু হয়। এরপর দুই সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তার স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগম। খেয়ে না খেয়ে কোনো মতে  দিন কাটাচ্ছে বীর মুক্তিযোদ্ধার এ পরিবারটি। অসহায় পরিবারটির পাশে কেউ না থাকলেও প্রধানমন্ত্রীই এখন শেষ ভরসা। তাই প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাহায্যের আকুতি জানিয়েছেন সহায়-সম্বলহীন হোসনেয়ারা বেগম।

পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার মানিকহাট গ্রামের বাসিন্দা হোসনেয়ারা জানান, তার স্বামী রেলওয়েতে কর্মরত অবস্থায় মারা যান। এরপরই সুখের পরিবারে নেমে আসে অভাব-অনটন। বিভিন্ন মহলে ঘুরেও কোনো সাহায্য পায়নি পরিবারটি। মুক্তিযোদ্ধা ভাতা ও রেলওয়ে চাকরির ভাতা থেকেও হয়েছেন বঞ্চিত। 

হোসনেয়ারা ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, আমার স্বামী দুই বিয়ে করেছিল। আমি ছিলাম দ্বিতীয় পরিবারে। এজন্য মুক্তিযোদ্ধা ভাতা ও রেলওয়ে চাকরির ভাতা থেকে আমি বঞ্চিত হয়েছি। মাত্র পাঁচ বছর থেকে একজন নারী পুলিশের সহযোগিতায় ভাতার কিছু টাকা পাচ্ছেন বলেও জানান তিনি। 
 
হোসনেয়ারা বলেন, এত কষ্টের পরেও কোথাও কোনো সহযোগিতা পাইনি। সরকারি কর্মকর্তাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও চাকরি পায়নি আমার ছেলে মেহেদী হাসান। অথচ তার বাবা এদেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবেও একটা চাকরি জোটেনি আমার ছেলের। 

তিনি বলেন, আমাদের পাশে দাঁড়াতে এখন একজন মানুষই আছেন। তিনি হলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা মমতাময়ী মা জননেত্রী শেখ হাসিনা। মা চাইলে আমার এতিম সন্তানকে যোগ্যতা অনুযায়ী একটা ছোট চাকরির ব্যবস্থা করে দিতে পারেন।

কান্না জড়িত কণ্ঠে তিনি আরো বলেন, শুনেছি মা কত মানুষকে তিন বেলা দু’মুঠো ভাত খাওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের প্রতি মায়ের সুনজর শুরু থেকেই। যদি মায়ের কাছে যাওয়ার সুযোগ পেতাম তাহলে মায়ের পা ধরে সন্তানের জন্য একটা চাকরি ভিক্ষা চাইতাম।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএইচ