Alexa প্রকাশিত হলো তিমির নন্দীর ‘মেঘলা দু’চোখ’

প্রকাশিত হলো তিমির নন্দীর ‘মেঘলা দু’চোখ’

বিনোদন প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ০০:০৬ ১২ অক্টোবর ২০১৯   আপডেট: ০০:০৭ ১২ অক্টোবর ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

অস্ত্র দিয়ে নয়, কণ্ঠ দিয়ে যুদ্ধ করেছিলেন তিনি। স্বাধীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তার ভূমিকাও তাই অসামান্য। স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র থেকে গলা ছেড়ে গেয়েছেন। মুক্তিকামী যোদ্ধাদের দিয়েছেন অনুপ্রেরণা। বলছি বরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী তিমির নন্দীর কথা।

খ্যাতিমান এই সঙ্গীতশিল্পীর সঙ্গীত কেরিয়ারের ৫০ বছর পূর্তি হয়েছে এ বছর। ১৯৬৯ সাল থেকে তিনি নিয়মিত গান করে যাচ্ছেন। বর্ণাঢ্য এই সঙ্গীত জীবনের সুবর্ণ জয়ন্তীতে নতুন একটি অ্যালবাম নিয়ে এসেছেন তিমির নন্দী। যার নাম দিয়েছেন ‘মেঘলা দু’চোখ’। দেশের অন্যতম অডিও-ভিডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জি সিরিজের ব্যানারে শুক্রবার প্রকাশ হয়েছে অ্যালবামটি। 

এই আলবামের প্রকাশনা উপলক্ষে রাজধানীর শাহবাগস্থ জাতীয় জাদুঘরের বেগম সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় একটি সঙ্গীত সন্ধ্যা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল হারুনুর রশীদ বীর প্রতীক, শিল্পী তিমির নন্দী, জি সিরিজের কর্ণধার নাজমুল হক ভুঁইয়া খালেদ-সহ আরো অনেকে।

শিল্পী তিমির নন্দী বলেন, এই আয়োজনে যারা এসেছেন, সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা। আয়োজক প্রতিষ্ঠানের সবার প্রতিও আমার কৃতজ্ঞতা রইল। তারা আমার সঙ্গীত জীবনের ৪০ বছর পূর্তিতেও এরকম একটি আয়োজন করেছিল। দীর্ঘ এই পথচলায় আপনারা আমাকে অনেক ভালোবাসা দিয়েছেন। একজন সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে এটাই আমার পরম পাওয়া।

নতুন এই অ্যালবাম নিয়ে তিমির নন্দী বলেন, এই অ্যালবামে মোট ১৪টি গান থাকছে। সবগুলো গানই মৌলিক আধুনিক গান। গানগুলোতে আশির-নব্বই দশকের সেই আবহ আছে। আমার বিশ্বাস, যারা গান বোঝেন, গানের বোদ্ধা, তারা বুঝতে পারবেন যে আসলে আমি কী গান করেছি।

‘মেঘলা দু’চোখ’ অ্যালবামে থাকা গানগুলোর শিরোনাম- ‘দুটি পাখী মিলে বাঁধে’, ‘ভালোবেসে সবাই যদি’, ‘আমার মেঘলা দু’চোখ’, ‘সিঁদুরে মানায় ভালো’, ‘যখন ডেকেছি কাছে’, ‘জীবনের বাঁকে যদি’, ‘ঐ দু’টি চোখ’, ‘শুধু মন ছুঁয়ে যায়’, ‘ও নদী তোরই বুকে চলেছি’, ‘কতবার মনকে বলেছি’, ‘তুমি ছিলে এই জীবনে’, ‘কেঁদো না সেদিন তুমি’, ‘এই হৃদয় ছুঁয়ে’ ও ‘তুমি চলে গেছো’।

গানগুলো লিখেছেন আয়েত হোসেন উজ্জ্বল, খোকন সিরাজুল ইসলাম, মো. রফিকুল হাসান, জাহিদ খান, হারুন মো. আফজাল, সৈকত বিশ্বাস, এস এম আব্দুর রহিম, ইমতিয়াজ ইকরাম, হামিদুল্লাহ দুলাল ও আলী আসকার নুটু। একটি ছাড়া বাকি ১৩টি গানের সুর করেছেন তিমির নন্দী নিজেই। বাকি গানটির সুর করেন বদরুল আলম বকুল।

এই অ্যালবামের সবগুলো গানের রেকর্ডিং হয়েছে কলকাতার ধ্বনি স্টুডিওতে। গানগুলোর সঙ্গীতায়োজন করেছেন বুদ্ধদেব গাঙ্গুলি। যিনি সলিল চৌধুরীর সহকারী ছিলেন। তিমির নন্দী বলেন, রেকর্ডিংয়ের সময় বুদ্ধদেব গাঙ্গুলীসহ আরো যারা ছিলেন, তারা প্রত্যেকেই গানগুলোর প্রশংসা করেছেন। তারা বলেছিলেন, ‘বহু বছর পর ভালো কিছু বাংলা গানের সঙ্গে বাজালাম’। আমি কেমন গেয়েছি সেটা মুখ্য বিষয় নয়। গানগুলোর কথা এবং যেই মেজাজ, সেটাতে তারা মুগ্ধ হয়েছেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএ