Alexa পৌরসভাগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

পৌরসভাগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৮:৪৯ ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

পৌরসভাগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

বুধবার রাজধানীর গাবতলী এলাকায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) কাঁচাবাজারে পরিচ্ছন্নতার জন্য আনা নতুন যন্ত্রপাতি পরিদর্শন করতে এসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাড়ানোর দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা শক্তিশালী করার কথা বলবেন আর নির্ভর করবেন সরকারের ওপর; তা তো হয় না। পৌরসভাগুলোকে শক্তিশালী হতে হলে নিজস্ব আয় বাড়াতে হবে। এখন মানুষের মাথাপিছু আয় দুই হাজার ডলারের ওপরে। সে দেশে পৌরসভা পরনির্ভরশীল হওয়ার দরকার নেই।

মন্ত্রী বলেন, সারাদেশে এডিসের কমেছে। ঢাকায়ও কমেছে। এডিসের লার্ভা ধ্বংস করা হয়েছে। গ্রামগঞ্জের জনবসতিপূর্ণ এলাকায় এডিসের প্রাদুর্ভাব হতে পারে। এর জন্য বছরব্যাপী পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এখন কোনো সুনির্দিষ্ট সময় নয়, বরং সারা বছরই কাজ করা হবে।

তিনি বলেন, এডিসের উৎপত্তি বাংলাদেশে না হলেও সময়ের ব্যবধানে ঢাকা শহরে এবং অন্যান্য শহরেও এর প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এডিস নিয়ন্ত্রণে সারাবিশ্বে জনসচেতনতা এবং প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়। যারা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পেরেছে, সেসব জায়গায় এডিস মশার প্রাদুর্ভাব বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।

রাজধানীর গাবতলী এলাকায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) কাঁচাবাজারে পরিচ্ছন্নতার জন্য আনা নতুন যন্ত্রপাতি

ডেঙ্গু আক্রান্ত অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে কম সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘আমেরিকায় ডেঙ্গুতে এক হাজার লোক মারা গেছেন। তার মানে সেখানে এডিস আছে। জাপানে আছে, ইউরোপে আছে। ফিলিপাইনে ৪৯০ জন মারা গেছেন। আমাদের এখানে ৬১ হাজার আক্রান্তের মধ্যে মারা গেছেন ৪৭ জন। তার মানে ফিলিপাইনের তুলনায় কম হারে মারা গেছেন।

মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, এডিস নিয়ন্ত্রণে চিরুনি অভিযানের প্রথম পর্ব শেষ করেছি। তাতে অনেক ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছি। আবার মানুষ স্বাগতও জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে দ্বিতীয় ধাপে চিরুনি অভিযান চালানো হবে। এটি নিয়মিত করা হবে। কয়েক দিনের মধ্যে সমন্বিত ভেক্টর ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রামের বিষয়ে জানানো হবে। এতে আগামী পাঁচ বছর কী কী প্রোগ্রাম করব, তার একটি গাইড লাইন থাকবে। তার মধ্যে থাকছে চতুর্থ প্রজন্মের ওষুধ। আর কীভাবে কিছু দিন পর পর ওষুধ পরিবর্তন করতে পারি সে ব্যবস্থা করব। ভেহিকেল মাউন্টেইন ফগার মেশিন আনা হবে। যা সাড়ে তিন ঘণ্টা ফগিং ক্ষমতাসম্পন্ন।

এ সময় ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাইসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/ডিএম/এসআই