Alexa পেস আতঙ্কের অপেক্ষায় ইন্দোর 

পেস আতঙ্কের অপেক্ষায় ইন্দোর 

স্পোর্টস ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৫:৫০ ১২ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৬:৩৭ ১২ নভেম্বর ২০১৯

ছবিঃ সংগৃহীত

ছবিঃ সংগৃহীত

এক সময় টেস্টে ভারতের বোলিং মানেই ছিল স্পিনসর্বস্ব আক্রমণ। অথচ সেই ভারত এখন পেস আক্রমণে বিশ্বের অন্যতম সেরা দল। স্পিনারদের স্বর্গভূমিতে হরভজন, কুম্বলে, অশ্বিনের জয়জয়কারের জায়গায় এখন প্রভাব দেখান ভারতীয় পেসাররাও। বুমরাহ-সামিরা এখন প্রতিপক্ষের কাছে আতংকের নাম। বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচে ভারত এবার তৈরি করছে পেস বোলিং সহায়ক পিচ। ইন্দোর স্টেডিয়ামের উইকেট সাজছে সবুজ ঘাসে!

ইন্দোরের হলকার স্টেডিয়ামে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ১৪ নভেম্বর সিরিজের প্রথম টেস্টে খেলতে নামবে বাংলাদেশ। ফাস্ট বোলিংয়ে টাইগার ব্যাটসম্যানদের দুর্বলতা প্রায় সবাই জানে। এছাড়া বাংলাদেশের পেস বোলিং আক্রমণও যথেষ্ট দুর্বল। ফলে ভারত এদিক মাথায় রেখে দল ও উইকেট তৈরি করছে।

মূলত রবি শাস্ত্রী কোচ হয়ে আসার পর থেকে ভারতীয় দলে পেসারদের প্রাধান্য দেখা যাচ্ছে। এর আগে ২০১৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের কথা মাথায় রেখে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে উইকেটকে সবুজ ঘাসে সাজিয়েছিল ভারত।

রঞ্জি ট্রফির সবশেষ টানা দুই ফাইনাল হয়েছে হলকার স্টেডিয়ামে। প্রতিবারই উইকেটে ঘাস ছিল। এবার বাংলাদেশ সিরিজে বাউন্স আর স্ট্রোক খেলতে পারলে ব্যাটসম্যানরাও সুবিধা পাবেন বলে জানিয়েছেন মধ্যপ্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান কিউরেটর সমান্দার সিং চৌহান। চার বছর ধরে এ মাঠে লাল মাটি ব্যবহার করছেন তিনি।

চৌহান বলেন, লাল মাটির উইকেটে বাউন্স হয় বেশি। পেসারদের জন্য ভালো, খেলতে পারলে ব্যাটসম্যানদের জন্যও। স্ট্রোক খেলা ব্যাটসম্যানরা ভালো শট পায়। মাঝে মাঝে উইকেটে টার্নও থাকে। সবার জন্যই আসলে এটা স্পোর্টিং উইকেট, সবাই কম-বেশি সুবিধা পায়।

রঞ্জি ট্রফির এবারের মৌসুমের ফাইনালে দেখা গেছে দুই সেঞ্চুরি ও সাত হাফ-সেঞ্চুরি। পেসাররাও পেয়েছেন বেশ সুবিধা। ক্ষেত্র বিশেষে স্পিনাররাও। ফাইনালের উইকেট বেশ প্রশংসাই পেয়েছে সবার। ফলে একবারে আশাহত হওয়ারও কিছু নেই বাংলাদেশের জন্য।

তবে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হতে যাওয়া টেস্টের জন্য বোর্ড থেকে আলাদা কোনো চাহিদা পত্র আসেনি বলে জানিয়েছে মধ্যপ্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন। নিজ উদ্যোগেই ‘শক্ত উইকেট’ তৈরি করেছেন বলে জানান প্রধান কিউরেটর।

প্রথম টেস্ট ম্যাচে ভালো একটা চ্যালেঞ্জই অপেক্ষা করছে বাংলাদেশের জন্য। ভারতের পেস এটাক কতটা সামলাতে পারেন লিটন-মুশফিকরা তার উপর নির্ভর করবে ম্যাচের ফলাফল। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এএল