Alexa পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই বগুড়ায় বন্ধ বাস চলাচল

পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই বগুড়ায় বন্ধ বাস চলাচল

বগুড়া প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৪:৩৫ ১৬ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৯:০৬ ১৬ নভেম্বর ২০১৯

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

বগুড়া থেকে অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার সব সড়ক পথে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে বগুড়া মোটরশ্রমিক ইউনিয়নের সদস্যরা নতুন সড়ক পরিবহন আইন কার্যকরের প্রতিবাদ এই বাস চলাচল বন্ধ রেখেছেন। এ ব্যাপারে আগে কোনো ঘোষণা দেয়া হয়নি।

হঠাৎ ঘোষিত এ কর্মসূচির ফলে বগুড়া থেকে রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ছাড়াও বগুড়া-জয়পুরহাট, বগুড়া-রংপুর, বগুড়া-নওগাঁ, বগুড়া-গাইবান্ধা, বগুড়া-দিনাজপুর, বগুড়া-নাটোর, বগুড়া-রাজশাহী, বগুড়া-সিরাজগঞ্জ-নগরবাড়ি, বগুড়া-ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল এবং উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গের সড়কপথে সব ধরনের বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই আকস্মিক বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করায় দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো যাত্রী।

ভুক্তভোগী কয়েকজন জানান, সকালে বিভিন্ন জেলা থেকে বাস ছেড়ে এলেও বগুড়া জেলা মোটরশ্রমিক ইউনিয়নের সদস্যরা বাস চলাচলে বাধা দেন। বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা কিছু বাস আটক করে যাত্রী নামিয়ে দিয়ে টার্মিনালে আটকে রাখেন। এতে যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইন ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও এই কদিন সচেতনতামূলক কার্যক্রম নিয়ে ব্যস্ত ছিল প্রশাসন। ফলে দুই সপ্তাহ শিথিল ছিল নতুন আইনের কার্যকারিতা। শনিবার থেকে আইন কার্যকর হতে পারে, এমন আশঙ্কায় শ্রমিকরা অঘোষিত ধর্মঘট পালন করছেন।

ট্রাফিক পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, বগুড়ার মালিকদের বেশির ভাগ বাসই ফিটনেসবিহীন। প্রশাসনের অভিযান ঠেকাতে গাড়ি বন্ধ রাখার কৌশল নিয়েছেন শ্রমিকরা।

বগুড়া মোটর মালিক গ্রুপের সভাপতি শাহ আখতারুজ্জান জানান, শ্রমিকদের ধর্মঘট সম্পর্কে কিছুই জানা নেই। মালিকদের সঙ্গে এ নিয়ে আগে কোনো আলোচনা হয়নি।

বগুড়া মোটরশ্রমিক ইউনিয়নের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি কামরুল মোর্শেদ জানান, জোর করে কোনো গাড়ি বন্ধ ঘোষণা করা হয়নি। প্রশাসনের অভিযানের শঙ্কায় মালিকরা নিজে থেকেই ফিটনেসবিহীন গাড়ি বন্ধ রেখেছেন।

বগুড়া ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (টিআই-১) রেজাউল করিম জানান, পূর্ব আলোচনা ছাড়াই শ্রমিকরা শনিবার সকাল থেকে আকস্মিক অধিকাংশ রুটে বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এতে যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েছেন। শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম/টিআরএইচ/এসআই