পাসপোর্ট নিয়ে কমছে না ভোগান্তি

পাসপোর্ট নিয়ে কমছে না ভোগান্তি

শরীয়তপুর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২০:৪১ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

শরীয়তপুর পাসপোর্ট অফিসে গ্রাহকদের ভোগান্তি (ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ)

শরীয়তপুর পাসপোর্ট অফিসে গ্রাহকদের ভোগান্তি (ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ)

শরীয়তপুরে আবেদন করেও সময়মতো পাওয়া যাচ্ছে না পাসপোর্ট। এতে প্রতিনিয়ত ভোগান্তিতে পড়ছেন গ্রাহকরা। পাসপোর্ট অফিস থেকে দেয়া বিতরণের তারিখে এসেও মিলছে না ফলে ঘুরতে হচ্ছে মাসের পর মাস। এ কারণে অনেক প্রবাসীকে পরিবর্তন করতে হচ্ছে ফ্লাইটের তারিখ। 

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, শরীয়তপুর ডিসি কার্যালয়ের নিচতলায় আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে নির্ধারিত সময়ে পাসপোর্ট প্রাপ্তির অপেক্ষায় রয়েছে অসংখ্য মানুষ।  

পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে কার্যালয়ের বিতরণ কক্ষের সামনে অপেক্ষা করছেন তারা। কেউ কেউ এসেছেন কয়েক দফায়। সমস্যার কথা জানতে কেউ কেউ ছোটেন কার্যালয়ের এক কক্ষ থেকে আরেক কক্ষে। সাধারণত দুই ধরনের পাসপোর্টের জন্য মানুষ বেশি আবেদন করেন। তা হলো হলো, সাধারণ ও জরুরি। এর মধ্যে সাধারণ পাসপোর্টের জন্য আবেদন ফি তিন হাজার ৪৫০ টাকা, সরবরাহ করার কথা ২১ দিনে। আর জরুরি পাসপোর্টের ফি ছয় হাজার ৯০০ টাকা, সরবরাহ করার কথা সাতদিনে। কিন্তু বাস্তবে কোনো পাসপোর্টই সময়মতো দেয়া হয় না গ্রাহকদের।

কার্যালয়ের সামনে অপেক্ষমাণ একাধিক গ্রাহক জানান, দালালদের দৌরাত্ম্য কিংবা পুলিশ ভেরিফিকেশনসহ নানা কারণে পাসপোর্ট পেতে দেরি হয় তাদের। জরুরি পাসপোর্ট দেয়া হচ্ছে সীমিত সংখ্যক। এতে ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়ছেন তারা। 

নড়িয়া উপজেলার নবগ্রামের ইতালি প্রবাসী মো. কামাল বলেন, গত ১২ জানুয়ারি আমার পাসপোর্ট নতুনভাবে করতে আবেদন করেছি। ২ ফেব্রুয়ারি দেয়ার কথা ছিলো। কয়েক দফা এসেও কোনো সমাধান হচ্ছে না। কবে দিতে পারবে, তাও বলছে না। এদিকে সময়মতো চাকরিতে ফিরে যেতে না পারলে বেকায়দায় পড়তে হবে।

পাসপোর্টের বই না থাকার বিষয়টি স্বীকার করে শরীয়তপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপ-সহকারী পরিচালক শেখ মাহবুর রহমান বলেন, বই সংকট থাকার কারণে কিছুদিন ধরে পাসপোর্ট বিতরণে সমস্যা হচ্ছে। ঢাকার মূল কার্যালয়ে পাসপোর্ট বই প্রিন্ট দেয়া হয়। আশাকরছি খুব দ্রুতই সমস্যাটির সমাধান হবে।

তিনি আরো বলেন, কারো খুব বেশি জরুরি হলে ছয় হাজার ৯০০ টাকা ব্যাংকে জমা দিয়ে আবেদন করলে একমাসের মধ্যে পাসপোর্ট দেয়া যায়।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম