পানির তোড়ে ব্রিজ বিধ্বস্ত, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

পানির তোড়ে ব্রিজ বিধ্বস্ত, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

সুজন সেন, শেরপুর ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:৫১ ১৩ আগস্ট ২০২০  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

শেরপুরে বন্যার পানি নেমে যাওয়ার ১৬ দিনেও চালু হয়নি শেরপুর-জামালপুর সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা। ফলে এই পথে চলাচলকারী হাজারো মানুষকে প্রতিনিয়ত চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

এছাড়া বন্ধ রয়েছে দুই জেলার মধ্যে ভারি যানবাহন চলাচল। এতে ব্যবসা-বাণিজ্যে মন্দাভাব বিরাজ করছে। ক্ষতির শিকার হচ্ছেন অসংখ্য ব্যবসায়ী। অন্যদিকে যোগাযোগ সচল করতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। 

সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বন্যায় প্লাবিত হওয়ার আগে থেকে শেরপুর-জামালপুর সড়কের নন্দীরবাজার, পোড়ার দোকান ও শিমুলতলী এলাকার কজওয়েতে দুটি সেতু নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এ সময় শেরপুর-জামালপুর সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখতে সেতু নির্মাণস্থলের পাশ দিয়ে বিকল্প দুটি বেইলি ব্রিজ নির্মাণ করা হয়।

সম্প্রতি বন্যার পানির তোড়ে বেইলি ব্রিজ দুটি বিধ্বস্ত হয়। ফলে দুই জেলার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ১৬ দিন আগে ওই সড়ক থেকে বন্যার পানি নেমে গেলেও বিধ্বস্ত দুটি ব্রিজ সংস্কার করা হয়নি। যার কারণে এ পথে যাতায়াতকারীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

পোড়ার দোকান এলাকার মোবারক আলী বলেন, বেইলি ব্রিজ দুটি বিধ্বস্ত হওয়ায় এ পথে ভারি যানবাহনগুলো চলাচল করতে পারছেনা। অন্যদিকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের মতো হালকা যানবাহন পাঁচ কিলোমিটার দূর দিয়ে ঘুরে যাতায়াত করছে। 

একই এলাকার সবজির পাইকারি ব্যবসায়ী ফজলু মিয়া বলেন, শেরপুর-জামালপুর সড়ক এখনো চালু না হওয়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ব্যাপক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। এছাড়া এ পথ দিয়ে উত্তরবঙ্গে যাতায়াতকারী হাজারো মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। 

শেরপুর সদর ইউএনও ফিরোজ আল মামুন বলেন, দুই উপজেলার মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সড়ক ও জনপথ বিভাগকে উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে।
 
অন্যদিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করতে সব প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন,  শেরপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার মোহাম্মদ শরিফুল আলম। 

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম