পহেলা বৈশাখে ঘুরে যা বললেন বিদেশী সাংবাদিকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১১:২৩ ১৫ এপ্রিল ২০১৯  

বিদেশী সাংবাদিক ও ট্যুর অপারেটররা

বিদেশী সাংবাদিক ও ট্যুর অপারেটররা

পৃথিবীর সব জাতি তার নিজস্ব ফুটিয়ে তুলতে চায়। সেটা দেখাতে চায় পুরো বিশ্বকেও। উৎসব, সংস্কৃতি ও আচার-আচরণের মাধ্যমে সেটা পায় ভিন্নমাত্রা। পহেলা বৈশাখ বাঙালির তেমনি এক উৎসব, তেমনি এক উদযাপন। ইউনেস্কোর বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় মঙ্গল শোভাযাত্রা স্থান করে নেয়ার পর বাংলাদেশের বাংলা নববর্ষ উদযাপন নিয়ে বিদেশি ভ্রমণপিপাসুদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এবারও বাঙালিয়ানা পোশাকে নববর্ষ উৎযাপন করেছেন ১০ দেশের ২৬ জন সাংবাদিক ও ট্যুর অপারেটর।

বিদেশি তরুণেরা পাঞ্জাবি ও নারীরা সালোয়ার কামিজ পরেন। তাদের পোশাকের নকশায় বৈশাখী দেখা গেছে ছোঁয়া। মঙ্গল শোভাযাত্রায় সব বয়সের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারো মানুষের মধ্যে যেন তাদের আলাদা করার উপায় নেই। ঢাকের বাদ্যের তালে তালে তারাও নেচেছেন। বড় আকারের বাহারি মুখোশ, শোলার পাখি আর ট্যাপা পুতুল দেখে অনেক ছবি তুলেছেন বিদেশিরা।

বাঙালির সবচেয়ে বড় অসাম্প্রদায়িক উৎসবটিকে বিশ্বব্যাপী ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে তাদেরকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ড। অতিথিরা জাপান, থাইল্যান্ড, চীন, যুক্তরাজ্য, বেলজিয়াম, দক্ষিণ কোরিয়া, লেবানন, নেদারল্যান্ড, ইতালি ও স্পেনের নাগরিক। এই দলে ছিলেন নেবানন ডেইলি স্টারের সংবাদকর্মী সিম বানার এন্ডারসন। তার কথায়, এত রঙিন উৎসব আগে কখনো দেখিনি। যেদিকেই তাকাই রঙিন আবহ চোখে পড়ে। তার সঙ্গে একই দেশ থেকে এসেছেন টেলিভিশনের প্রযোজক ও উপস্থাপক ম্যাগী। তিনি বলেন, এটি অসাধারণ অভিজ্ঞতা। সকাল থেকে এই উৎসব দেখে নতুনভাবে বাংলাদেশকে জানলাম।

বেলজিয়ামের শার্লোত নায়েলের অনুভূতি এমন, এদেশের মানুষের আতিথেয়তা আমাকে মুগ্ধ করেছে। মানুষজন আমাদের আন্তরিকভাবে আপন করে নিয়েছে। নেদারল্যান্ডের আলেকজান্ডার বলেন, আইনশৃঙখলা বাহিনীর উপস্থিতি ছিল ব্যাপক। ফলে নিরাপত্তা নিয়ে মনে কোনো শঙ্কা ছিল না। এত বড় আয়োজন, এত মানুষ, এত রঙ; সব মিলিয়ে অসাধারণ অভিজ্ঞতা।

জানা গেছে, আজ থেকে সুন্দরবন, কক্সবাজার, ষাট গম্বুজ মসজিদ, লালনের মাজার, বান্দরবান ও পানাম নগর ঘুরবেন তারা। তাদের ব্যয় বহন করবে পর্যটন বোর্ড।

ডেইলি বাংলাদেশ/এনকে