Alexa পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের দখলদারিত্বকে সমর্থন জানাল যুক্তরাষ্ট্র

পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের দখলদারিত্বকে সমর্থন জানাল যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৩:০৫ ১৯ নভেম্বর ২০১৯  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের দখলদারিত্বে কোনো আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন হয়নি বলে ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।

সোমবার বিকেলে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও একই ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে ফিলিস্তিনদের সঙ্গে যে কোনো শান্তি প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া যেতে পারে। 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী পম্পেও ১৯৭৮ সালের পররাষ্ট্র দফতরের একটি আইনানুগ মতামত প্রত্যাখ্যান করেছিলেন যে অধিষ্ঠিত অঞ্চলগুলোতে বেসামরিক বসতিগুলো "আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না"।

বর্তমানে ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি বসতি স্থাপন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র তার অবস্থান পরিবর্তন করেছে। অতীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই দখলদারিত্বকে অবৈধ বলে বর্ণনা করেছিল এবং ফিলিস্তিনরা ভবিষ্যতে সেখানে রাষ্ট্র তৈরির জন্য জমি দাবি করেছিল, যেটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়গুলো সমর্থন জানিয়েছিল। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিন অঞ্চল সম্পর্কে তার নীতি পরিবর্তন করতে অবিচল থেকেছেন। সেই সঙ্গে ট্রাম্প ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পক্ষে রাজনৈতিক সমর্থন জোরদারের লক্ষে পদক্ষেপ নিয়েছেন।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও জানান, এতদিন ইসরায়েলি এবং ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে পশ্চিম তীরের মর্যাদা নির্ধারণের চেষ্টা ছিল।

তিনি বলেন, ‘সবপক্ষের আইনি বিতর্কগুলো সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করে যুক্তরাষ্ট্র এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপন আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ নয়। সেখানে বেসামরিক নাগরিকের বসতি স্থাপনকে আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বলে আখ্যা দিয়ে কোনো কাজ হয়নি। এতে শান্তি প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করেছে।

প্রসঙ্গত, ১৯৬৭ সালে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের সময় ফিলিস্তিন থেকে জোরপূর্বক অনেক জায়গা দখল করে নিয়েছে ইসরায়েল। এখন পশ্চিম তীর থেকে আরো ভূমি কেড়ে নেয়ার হুমকি দিয়েছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। রোববার এ হুমকির খবর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে। আর এর একদিন পরই ট্রাম্প প্রশাসন ইসরায়েলের এই সিদ্ধান্তের প্রতি সমর্থন জানায়।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএএইচ