পর্যটনের নতুন সম্ভাবনা নওগাঁর হাঁসাইগাড়ী বিল 

পর্যটনের নতুন সম্ভাবনা নওগাঁর হাঁসাইগাড়ী বিল 

নওগাঁ প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:৫০ ৪ আগস্ট ২০২০   আপডেট: ১৬:৩৮ ১৯ আগস্ট ২০২০

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

সূর্যাস্তের সময় লাল আভা যখন পানিতে পড়ে তখন এক অন্যরকম দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। কিছু সময়ের মধ্যে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা সোলার ল্যাম্পপোস্টগুলো জ্বলে উঠে। নির্দিষ্ট দূরত্বে দাঁড়িয়ে থাকা ল্যাম্পপোস্টগুলো অন্ধকারে দেখলে মনে হবে যেন জোনাকিরা খেলা করছে। 

এমন মনোরম সব দৃশ্যের দেখা মিলবে নওগাঁ সদর উপজেলার হাঁসাইগাড়ী বিলে। তাই ঈদুল আজহার পর অবসরের সময়টুকু কাজে লাগাতে এ বিলে ঘুরতে আসছেন অনেকেই। ঘুরতে এসে প্রকৃতির পরশ বুলিয়ে নিচ্ছেন কেউ কেউ। কেউবা আবার প্রাকৃতিক পরিবেশে নিজেদের সেলফি তুলছেন।  

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বছরের অধিকাংশ সময় এ বিলে পানি থাকে। বর্ষা মৌসুমে বিলে পানি জমে যখন টইটুম্বুর হয় তখন এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পানির ছলাৎ ছলাৎ ঢেউ এসে পাকা রাস্তার ব্লকে আছড়ে পড়ে। এছাড়া পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন সচেতনতরা।

তবে এ বিলের মাঝে রাস্তাটি সদর উপজেলার হাঁসাইগাড়ী ও দুবলহাটি ইউপিকে যুক্ত করেছে। দ্রুত সংস্কার করা না হলে পর্যটন এলাকা হওয়ার সম্ভাবনা বিলিন হয়ে যাবে। 

একটু  প্রশান্তি লাভের জন্য মানুষ নওগাঁর হাঁসাইগাড়ী বিলে ছুটে আসে

শহরের উকিলপাড়ার বাসিন্দা শিক্ষার্থী তাসনিম জামান বলেন, এই বিলের কথা অনেক শুনেছি। জেলার বাইরে থেকে পড়াশোনার কারণে এখানে আসা হয়ে উঠেনি। বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে এসেছি। নৌকাতে চড়ে অনেক মজা করেছি। এক অসাধারন মনোমুগ্ধকর পরিবেশ।

সদর উপজেলার আরজি-নওগাঁ মহল্লার ফারজানা ইয়াসমিন। ছোট বোন ও ভাইকে নিয়ে হাঁসাইগাড়ি বিলে সোমবার বিকেলে বেড়াতে এসেছেন। 

তিনি বলেন, চাকরির সুবাদে কর্মজীবন ঢাকাতেই বেশির ভাগ সময় কাটাতে হয়। ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে আসছি। দীর্ঘদিন পর উন্মুক্ত স্থানে নির্মল বাতাসে যেন প্রাণ জুড়িয়ে যাচ্ছে। এখানে এসে অনেক মজা পেয়েছি।

স্থানীয় একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ফরিদুল ইসলাম বলেন, হাঁসাইগাড়ী বিলটি একটি ঐতিহ্যবাহী। মানুষ একটু  প্রশান্তি লাভের জন্য এখানে ছুটে আসে। এখানে যদি রাস্তাঘাটসহ অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হয় তাহলে পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটবে বলে আমি আশাবাদী। এর ফলে এলাকার বেকারসহ যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমএইচ