পর্যটকদের অপেক্ষায় শালবন বৌদ্ধ বিহার-ময়নামতি জাদুঘর

পর্যটকদের অপেক্ষায় শালবন বৌদ্ধ বিহার-ময়নামতি জাদুঘর

কুমিল্লা প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১১:৫৭ ৪ জুন ২০১৯  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

কুমিল্লা মহানগরী থেকে আট কিলোমিটার পশ্চিমে অষ্টম শতকের পুরাকীর্তি শালবন বৌদ্ধ বিহার। সেখানে রয়েছে ময়নামতি জাদুঘরসহ কোটবাড়ির কয়েকটি বাণিজ্যিক পার্ক। সারা বছর পর্যটকদের ভীড় থাকলেও ঈদ উপলক্ষে ভ্রমণ পিপাসুদের বিনোদিত করতে নতুন সাজে সেজেছে এসব পর্যটন কেন্দ্র।

শালবন বৌদ্ধ বিহার পরিষ্কার ও ময়নামতি জাদুঘরে নতুন রঙ করা হয়েছে। লাগানো হয়েছে সাইনবোর্ড। এছাড়া কোটবাড়ির কয়েকটি পার্ককে নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। এসব পার্কের পাশে রয়েছে কয়েকটি পিকনিক স্পট। তাছাড়া সেখানে রয়েছে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি।

মঙ্গলবার সকালে শালবিহারে মানুষের উপচে পড়া ভীড় দেখা গেছে। বিহার ও জাদুঘর সড়কের ছোট-বড় গর্তে যানবাহন চলাচল করছে। এতে অস্বস্তিতে পর্যটক কেন্দ্রগুলো যাচ্ছেন পর্যটকরা।

চাঁদপুর থেকে আসা ইয়াছিন ইকরাম বলেন, শালবন বৌদ্ধ বিহার এলাকাটি অনেক সুন্দর। পুরার্কীতি দেখার সঙ্গে এখানে সবুজের সতেজতায় প্রাণ ভরে নিঃশ্বাস নেয়া যায়। এখানে গণশৌচাগার সংকট এবং সড়কের দুরাবস্থা মানুষকে ভোগান্তিতে দিচ্ছে। প্রয়োজনীয় হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাঁ ও বিশ্রামাগার নির্মাণ করা হলে পর্যটন শিল্পে কুমিল্লা আরো বেশি সফলতা অর্জন করবে।

কুমিল্লার শিক্ষাবিদ এহতেশাম হায়দার চৌধুরী বলেন, শালবন বিহারসহ অন্যান্য প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলো বেড়ানোর মতো জায়গা। এগুলো সুরক্ষিত করা গেলে সরকারের রাজস্ব আয় আরো বাড়বে।

প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদফতর  চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালক ড. মো. আতাউর রহমান বলেন, ঈদের ছুটিতে এখানে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভীড় থাকে। তবে সড়কের দুরাবস্থা আমাদের হতাশ করেছে। আমতলী বিশ্বরোড এবং বার্ডের পাশের দুইটি সড়কের অবস্থা খুবই খারাপ। এনিয়ে সিটি কর্পোরেশনসহ বিভিন্ন দফতরে যোগাযোগ করেছি। সড়ক খারাপ হওয়ায় আমাদের রাজস্ব কমে যাচ্ছে।

কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. মনিরুল হক সাক্কু বলেন, ঈদের সময় পর্যটকদের চলাচলের উপযোগী করে সড়কের ব্যবস্থা করেছি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ