Alexa পরীক্ষার্থীকে যথাসময়ে হলে পৌঁছে দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন র‌্যাব কর্মকর্তা

পরীক্ষার্থীকে যথাসময়ে হলে পৌঁছে দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন র‌্যাব কর্মকর্তা

সোশ্যাল মিডিয়া ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১২:৪৪ ২৭ অক্টোবর ২০১৯   আপডেট: ১৩:০৮ ২৭ অক্টোবর ২০১৯

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

দেশ সেবক হিসেবে নিজের দায়িত্ব ও কর্তব্যের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে মহানুভবতার এক অনন্য নজির সৃষ্টি করলেন র‌্যাবের এএসপি শামিম আনোয়ার। 

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিতে এসেছিল একটি মেয়ে। কিন্তু পরীক্ষার ১০ মিনিট বাকি রয়েছে। যে সময়ে কেন্দ্রে পৌঁছানো তো দূরের কথা হয়তো কোয়ার্টার রাস্তায় পৌঁছানোও সম্ভব নয়। কিন্তু মেয়েটি পরীক্ষা দিতে পেরেছিল। সেই অসাধ্য সাধন করেছিলেন র‍্যাব কর্মকর্তা  শামিম আনোয়ার। এমন নজিরে এএসপি শামিমের প্রশংসায় পঞ্চমুখ নেটিজেনরা।  এরই মধ্যে ফেসবুক স্ট্যাটাসটি ভাইরাল হয়ে পড়েছে।

র‌্যাবের এএসপি শামিম আনোয়ার তার ফেসবুক পেজের ভাইরাল হওয়া সেই স্ট্যাটাস-

নবীগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম তার ভর্তি পরীক্ষার্থী মেয়েকে নিয়ে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে  দাঁড়িয়ে ছিলেন। সত্তর হাজার আগন্তুকের ভারে ভারাক্রান্ত ছোট্ট বিভাগীয় শহরটির  রাস্তাভর্তি জ্যাম।  

এদিকে ঘড়ির কাটা জানান দিচ্ছে, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় কেন্দ্রে প্রবেশের সময় বাকি আর মাত্র ১০ মিনিট। যে গাড়িতেই চড়ুন, এই সময়ের মধ্যে কেন্দ্রে পৌঁছার চেষ্টা করা অসম্ভবের পেছনে ছোটারই নামান্তর।

বাবার মনে  হয়ত বিষাদমাখা  শঙ্কার কালো মেঘ, এতদূর থেকে এসেও শেষপর্যন্ত মেয়েটির আর ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া হল না!

স্যার, তাড়াতাড়ি উঠাই, না হলে আমরা টাইম কাভার করতে পারব না। আমার বডিগার্ড হাসান এই কয়দিনেই সম্ভবত আমার ভাবনার জগতের নাড়িনক্ষত্রের খোঁজ পেয়ে গেছে। 

আমি কি চিন্তা করছি-  মুখ খুলে  বলার আগেই সে কিভাবে কিভাবে যেন সব বুঝে যায়। নেমে ইশারা দিতেই বাবা- মেয়ে গাড়ির পেছনে উঠে বসল।  

ছবি: ফেসবুক থেকে সংগৃহীতড্রাইভারকে ইমার্জেন্সি সাইরেন বাজিয়ে দিতে বলে প্রায় লাফিয়ে গাড়িতে উঠে বসলাম আমিও। র‍্যাবের  সাইরেন আর ড্রাইভার ইউসুফের প্রাণান্তকর চেষ্টায় যখন কেন্দ্রে পৌঁছেছি, গেট বন্ধের ঘন্টা পড়তে তখন আর বাকি মাত্র আধা মিনিটেরও কম। গাড়ি থেকে নেমেই গেটের দিকে দৌড়াতে দৌড়াতেই  বাবা একবার পেছন ফিরে আমার দিকে তাকিয়েছিলেন। 

কে জানে, ধন্যবাদ দেয়ার জন্যই কিনা! আমি তাকে কোন কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে পালটা ইশারায় দ্রুত গেটের দিকে যাওয়ার তাগাদা দিলাম। হাতে সময় যে খুবই কম!

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে/আরএম