Alexa পদ্মা সেতু নিয়ে গুজব, র‌্যাবের জালে ধরা ৫

পদ্মা সেতু নিয়ে গুজব, র‌্যাবের জালে ধরা ৫

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২১:১৯ ২৬ জুলাই ২০১৯   আপডেট: ০৯:৫৪ ২৭ জুলাই ২০১৯

উপরের বাঁ থেকে গ্রেফতার ফারুক, মো. আরমান হোসেন, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. আকরাম হোসেন ও মো. হায়াতুন নবী

উপরের বাঁ থেকে গ্রেফতার ফারুক, মো. আরমান হোসেন, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. আকরাম হোসেন ও মো. হায়াতুন নবী

পদ্মা সেতু নির্মাণে ‘মানুষের মাথা লাগবে’ সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন গুজব ছড়ানোর দায়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে পাঁচ জনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

গত ১২ জুলাই র‌্যাবের সদর দফতর থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে জানানো হয়, পদ্মা সেতু নির্মাণে ‘মানুষের মাথা লাগবে’ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন গুজব ছড়ানো কয়েকটি ফেসবুক আইডি সনাক্ত করে র‌্যাব। পরে গোয়েন্দা নজরদারীতে রেখে দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতাররা হলো- মো. আকরাম হোসেন (৩৩),  মো. শহিদুল ইসলাম (২৫), মো. আরমান হোসাইন (২০), মো. ফারুখ (৫৫) ও  মো. হায়াতুন নবী (৩১)।

গ্রেফতার মো. আকরাম হোসেন তার নিউজ পোর্টাল থেকে পদ্মা সেতুর নামে ভিত্তিহীন গুজব পোস্ট করে। পরে র‌্যাব-১ এর সত্যতা যাচাই করে গত ১১ জুলাই রাত সাড়ে আটটার দিকে আশুলিয়ার টংগা বাড়ি এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় গুজব ছড়ানোর কাজে ব্যবহৃত ১টি মোবাইল ও ১টি কম্পিউটারসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। আকরাম হোসেনের গ্রামের বাড়ি পাবনা জেলার সাথিয়া থানার হাট বাড়িয়া গ্রামে।

গুজব ছড়ানোয় র‌্যাব-৬ গত ১২ জুলাই রাতে নড়াইলের লোহাগড়া থানার মাকড়াইল দক্ষিণ পাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে শহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করে। আরমান হোসাইনকে চট্টগ্রামের আনোয়ারা থানার তৈলারদ্বীপ এলাকা থেকে গ্রেফতার করে র‌্যাব-৭। এ সময় তার কাছ থেকে গুজব ছড়ানোর কাজে ব্যবহৃত একটি মোবাইল ও দুইটি সিম উদ্ধার করা হয়।

এছাড়া, একইদিন রাতে র‌্যাব-৯ মো. ফারুখকে মৌলভীবাজার জেলা সদরের নতুন বাজার এলাকা থেকে এবং র‌্যাব-১১ কুমিল্লার লাকসাম থানার আশাগী গ্রামে অভিযান চালিয়ে হায়াতুন নবীকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতাররা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, ফেসবুকসহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে একাধিক গ্রুপের সঙ্গে তারা যুক্ত। এ সব গ্রুপের সঙ্গে সখ্যতার মাধ্যমে সরকারের বদনাম রটানোর উদ্দেশে পদ্মা সেতু নিয়ে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে গুজব ছড়িয়ে দেয়ার কাজে জড়িয়ে পড়ে তারা। তাদের দেয়া তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের ভিত্তিতে এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসআই

Best Electronics
Best Electronics