Alexa পদ্মায় হেলে পড়া মসজিদে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নামাজ আদায়

পদ্মায় হেলে পড়া মসজিদে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নামাজ আদায়

টঙ্গীবাড়ী (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১২:০১ ৫ ডিসেম্বর ২০১৯  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার দিনদিঘীরপাড় ইউপির হাইয়ারপাড় আল-মদিনা জামে মসজিদে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নামাজ আদায় করছেন মুসল্লিরা।

মসজিদটির পেছনের বেশ কিছু অংশের মাটি পদ্মায় বিলীন হয়ে গেলে মসজিদটি নদীর দিকে কিছুটা হেলে পরে। বর্তমানে পদ্মার পানি দ্রুত কমতে শুরু করায় ওই মসজিদটি পদ্মা নদীর দিকে অনেকটা হেলে পরেছে। ওই এলাকায় আর কোনো মসজিদ না থাকায় হেলে পড়া মসজিদে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নামাজ আদায় করছেন মুসল্লিরা।

নামাজে দাঁড়ানোর সময় নিজে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারলেও সেজদায় যেয়ে দেহের ভারসাম্য রাখা অনেক কষ্টের হয়ে পরে। রুকুতে গেলে কিছুটা হেলে পড়তে হলেও সেজদায় গেলে মনে হয় পুরো দেহ একেবারে গড়িয়ে পরবে। পদ্মার গ্রাসে মসজিদের মেজের অংশসহ বিভিন্ন অংশে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে।

মসজিদের ঈমাম আব্দুল হাই জানান, নামাজের জন্য জামাত বাধা হলে সেই সময় মুসল্লিদের মনে বিপদের শঙ্কা না থাকলেও স্বজনরা উৎকণ্ঠায় থাকেন। সবকিছু ছাপিয়ে পাঁচ ওয়াক্তেই জামাতের ব্যবস্থা হয় প্রতিদিন। তবে সেই জামাতে মুসল্লির সংখ্যা আগের চেয়ে কিছুটা কমেছে।

মুসল্লি খালেক শেখ বলেন, দিনের পর দিন যেভাবে মসজিদটি হেলে পরছে তাতে যেকোনো সময় পুরোটা ধসে পরতে পারে পদ্মার বুকে।

মসজিদ কমিটির সভাপতি লতিফ হাওলাদার বলেন, নতুন করে অন্য জায়গায় কোনো রকমে একটি মসজিদ নির্মাণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু অর্থাভাবে তা করা সম্ভব হচ্ছে না। মাত্র চার বছর আগে আধুনিক আদলে তৈরি করা মসজিদ ভবনটি এতো অল্প সময়ে পদ্মার থাবায় ভেঙে পরবে তা ভাবতে পারেনি।

টঙ্গীবাড়ীর ইউএনও হাসিনা আক্তার জানান, মসজিদ এলাকায় ভাঙ্গন শুরু হলে আমরা বেশ কিছু বালু ভর্তি ব্যাগে মসজিদ রক্ষায় ওই স্থানে ফেলেছি। সরেজমিনে পরিদর্শন করে ওই এলাকার মুসল্লিদের জন্য একটি ব্যবস্থা নেবো।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে