পদ্মাসেতুর আরো তিন স্প্যান বসছে মাওয়ায়

পদ্মাসেতুর আরো তিন স্প্যান বসছে মাওয়ায়

নাদিম হোসাইন, মুন্সিগঞ্জ ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ০২:২৩ ১৪ আগস্ট ২০২০   আপডেট: ১৭:০৯ ১৯ আগস্ট ২০২০

সেপ্টেম্বরে পদ্মাসেতুর মাওয়া প্রান্তে বসবে আরো তিনটি স্প্যান

সেপ্টেম্বরে পদ্মাসেতুর মাওয়া প্রান্তে বসবে আরো তিনটি স্প্যান

স্বপ্নের পদ্মাসেতুর নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলেছে দ্রুতগতিতে। ৪১টি স্প্যানের মধ্যে বসানো হয়েছে ৩১টি স্প্যান। প্রস্তত রাখা হয়েছে আরো তিনটি স্প্যান। এগুলো বসানো হবে সেতুর মাওয়া প্রান্তে।

সেতু সংশ্লিষ্টদের আশা, বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে ৪ ও ৫ নম্বর পিলারের উপর ওয়ান-ডি নামে একটি স্প্যান বসানোর সম্ভবনা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার সরেজমিনে দেখা গেছে, সবগুলো স্প্যান মুন্সিগঞ্জের মাওয়া কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে এসে পৌঁছেছে। ১০ জুন জাজিরা প্রান্তে ৩১তম স্প্যানটি খুঁটির উপর বসানোয় দৃশ্যমান হয়েছে সেতুর চার হাজার ৬৫০ মিটার। এর মধ্য দিয়ে জাজিরা প্রান্তে সবগুলো স্প্যান বসানো শেষ হয়েছে।

মাওয়া কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে প্রস্তুত রয়েছে পদ্মাসেতুর তিনটি স্প্যান

পদ্মাসেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, মাওয়া প্রান্তে এখনো ১০টি স্প্যান বসানো বাকি। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে স্প্যানগুলো বসানোর কাজ শুরু হবে। এরমধ্যে তিনটি স্প্যান সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। বাকিগুলোর কাজ চলমান রয়েছে। ডিসেম্বরের মধ্যেই সেতুর সবগুলো (৪১টি) স্প্যান বসানো শেষ হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এরইমধ্যে মূল সেতুর ২৯১৭টি রোডওয়ে স্ল্যাবের মধ্যে ৮২৫টি এবং ২৯৫৯টি রেলওয়ে স্ল্যাবের মধ্যে ১৩২০টি স্থাপন করা হয়েছে। মাওয়া ও জাজিরা ভায়াডাক্টে ৪৮৪টি সুপার টি-গার্ডারের মধ্যে ১৮৫টি স্থাপন করা হয়েছে। ১৩ আগস্ট পর্যন্ত মূল সেতুর নির্মাণ কাজের অগ্রগতি হয়েছে ৮৯.২৫ শতাংশ। নদীশাসনের অগ্রগতি হয়েছে ৭৪ শতাংশ। সেতুর সার্বিক অগ্রগতি ৮১ শতাংশ।

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মাসেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। মূল সেতু নির্মাণে কাজ করছে চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি ও নদীশাসনের কাজ করছে দেশটির আরেক প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো কর্পোরেশন। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে দেশের অন্যতম এ মেগা প্রকল্পের কাঠামো।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর/এস