দূরবীনপ্রথম প্রহর

নোয়া সেন্টিনো সম্পর্কিত অজানা তথ্য

বখতিয়ার আলম বুলবুলডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
ছবি: মাঝে নেয়া সেন্টিনো

নোয়া সেন্টিনো, একজন তরুণ অভিনেতা যার জনপ্রিয়তা দিনকে দিন বাড়ছে। তার জনপ্রিয়তার পিছনে নেটফ্লিক্স এর “টু অল দ্যা বয়েজ আই হেভ লাভড’ বেশ প্রভাব বিস্তিার করেছে। তবে জেনে নেয়া যাক এই উঠতি তরুণ তারকা সম্পর্কে ১৫ টি অজানা তথ্য-

১. নোয়া সেন্টিনোর পুরো নাম নোয়া গ্রেগরি সেন্টিনো, তার বয়স এখন ২২ বছর। ১৯৯৬ সালের ৯ মে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

২. তার জন্ম হয় মিয়ামি শহরে, ফ্লোরিডাতে। কিন্তু বেড়ে ওঠেন বয়োন্টনে তার বড় বোন টেইলরের সঙ্গে।

৩. তার বাবা একজন ব্যবসায়ী, ২০১৩ সালে একটি অ্যানিমেশন ফিল্ম “লেজেন্ড অব অজ: ডরথি রিটার্ন” এর সম্পাদনার সঙ্গে তার বাবা যুক্ত ছিলেন।

৪. নোয়া সেন্টিনোর উচ্চতা ৬ ফুট ২ ইঞ্চি।

৫. প্রথম দিকে নোয়া’র অভিনেতা হওয়ার ইচ্ছা ছিলো না। তার ইচ্ছা ছিলো একজন ফুটবল খেলোয়াড় হওয়ার।

৬. নোয়ার বাবা-মা ৮ বছর বয়সে তাকে তার বড় ভাইয়ের সঙ্গে অভিনয়ের জন্য এক এজেন্সিতে অডিশন দিতে বলে, পরে সে টিকেও যায়।

৭. তার একটি পোষা খরগোশ ছানা ছিলো যার নাম দেয়া হয় “রাজকুমারী”। পরবর্তীতে তারা একটি কুকুর পোষার সিদ্ধান্ত নেয়। একদিন কুকুরটি খরগোশ ছানাটিকে খেয়ে ফেলে।

৮. নোয়াকে ৬ বছর বয়সে একটি কুকুর কামড় দেয়। যার ক্ষত সে এখনো বহন করছে তার মুখমণ্ডলীতে।

৯. অভিনয় জগতে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে নোয়া ২০১২ সালের পরে লস এঞ্জেলেস এ চলে আসে।

১০. “টু অল দ্যা বয়েজ আই হেভ লাভড” রিলিজ পাওয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যে নোয়ার ইন্সটাগ্রাম অনুসারী ১০ লাখে পৌঁছে যায়।

১১. নোয়া কোনো প্রকার মদ বা নেশা দ্রব্য গ্রহণ করেন না।

১২. যোগব্যায়াম করতে ভালোবাসেন তিনি।

১৩. অবসর সময়ে সে পাহাড়ে চড়তে, বই পড়তে, যজ্ঞে বসতে এবং গিটার বাজাতে ভালোবাসেন।

১৪. যদিও সে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে বেশ সময় দেয়, কিন্তু এমনো সময় যায় যে সে তার ফোন পর্যন্ত ছোঁয় না।

১৫. ১৫ বছর বয়সে বিখ্যাত অভিনেতা মার্ক রুফালো’র সঙ্গে তাকে তুলনা করা হতো। আচরণ এবং শারীরিক গঠনের দিক থেকে ভীষণ মিল রয়েছে তাদের।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএমএস

daily-bd-hrch_cat_news-16-10