Alexa নেট বোলার থেকে একাদশে, অতঃপর বিশ্বরেকর্ড!

নেট বোলার থেকে একাদশে, অতঃপর বিশ্বরেকর্ড!

ক্রীড়া প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০:২৯ ১১ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ২০:২৯ ১১ জানুয়ারি ২০১৯

উইকেট শিকারের পর সতীর্থদের সঙ্গে আলিসের উল্লাস

উইকেট শিকারের পর সতীর্থদের সঙ্গে আলিসের উল্লাস

এলেন, খেললেন, জয় করলেন! এমন কথাই সাজে আলিস ইসলামের ক্ষেত্রে। ঢাকা ডায়নামাইটসের তরুণ এই ক্রিকেটার শুক্রবার (১১ জানুয়ারি) বলতে গেলে একক প্রচেষ্টায়ই হারিয়েছেন রংপুর রাইডার্সকে। হাত থেকে ফসকে যাওয়া ম্যাচটিকে ২ রানে জয়ে পরিণত করে তিনি দলকে রেখেছেন পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে।

ম্যাচ শেষে ম্যাচসেরা ক্রিকেটার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে যেন লজ্জায় কুঁজো হয়ে যাচ্ছিলেন। তাকে চেনেনই কম লোক। অথচ তখন তিনি রীতিমত একজন তারকা! ঢাকা ডায়নামাইটসে নেট বোলার হিসেবে কাজ করতে গিয়েও মূল দলে খেলোয়াড় হিসেবে অন্তর্ভুক্তি। নিজের পরিচয় জানিয়ে আলিস বলেন, আমার নাম আলিস আল ইসলাম। আমি ঢাকা ডায়নামাইটসের নেট বোলার ছিলাম। আগে ঢাকা প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লিগ খেলেছি।

ডায়নামাইটসদের নেটে বল করার সময় আলিস নজর কাড়েন দলের কোচ ও বিসিবি পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজনের। তিনিই পরে আলিসকে নিয়ে আসেন বড় পর্যায়।

২২ বছর বয়সী এই তরুণ ক্রিকেটার বলেন, নেট বোলিং করার সময় সুজন স্যার আমাকে দেখেন। দেখে ওনার বিশ্বাস হয় যে আমি ভালো করতে পারব, তারপর আমাকে টিমে নেয়। তারপর টিম ম্যানেজমেন্ট, খেলোয়াড়রা আমাকে সাপোর্ট করে। তারপর সেরা একাদশে ঢুকি।

বিপিএলে তো বটেই, ‘হোম অব ক্রিকেটেও’ আলিসের এই প্রথমবার খেলতে নামা। নার্ভাস ছিলেন তাই স্বভাবতই। দুটি ক্যাচ হাতছাড়া করেছেন, তবে তখনও সতীর্থদের সমর্থন হারাননি।

আলিস বলেন, আসলে এটা আমার বিপিএলে প্রথম ম্যাচ। খোলাসা করে বলতে গেলে স্টেডিয়ামেই এটা আমার প্রথম ম্যাচ। আমি নার্ভাস ছিলাম। তবে ক্যাচ দুটি ড্রপ করার পর সতীর্থরা অনেক সাপোর্ট করেছে, কোচ সাপোর্ট করেছেন। সবাই সাহস দিয়েছেন। তাতে মনে হয়েছে ভালো জায়গায় বলটা করতে পারি যদি, তাহলে ভালো কিছু হতে পারে। আমি শুধু ভালো জায়াগায় বল করতে চেয়েছি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে