Alexa নির্বাচনের আগে শিল্পী সমিতিতে প্রবেশে নিষেধ

নির্বাচনের আগে শিল্পী সমিতিতে প্রবেশে নিষেধ

বিনোদন প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৫:৫৩ ১৬ অক্টোবর ২০১৯  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন উপলক্ষে প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। সমিতিতে শিল্পীদের পদচারণা বেড়েছে। কিন্তু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে নির্বাচন পর্যন্ত সমিতির কার্যালয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইলিয়াস কাঞ্চন। পাশাপাশি বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া সেখানে কোনো শিল্পীর প্রবেশ বা আড্ডা দিতে পারবেন না এবং নির্বাচনী প্রচারের জন্য সমিতি ব্যবহার করা যাবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচনের দিন পর্যন্ত সমিতির ভেতর আড্ডাবাজি, চা খাওয়া বা নির্বাচনী প্রচার করা যাবে না। মৌসুমীর সঙ্গে ড্যানিরাজের বাকবিতণ্ডা হওয়ার পর আমার মনে হয়েছে, বিষয়টি নজরে আনা দরকার। তাই আমরা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে নির্বাচন পর্যন্ত সমিতির কার্যালয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছি।

গতকাল থেকে মিশা-জায়েদ প্যানেল পরিচালক সমিতির বাঁ পাশে ও মৌসুমী ডান পাশে অবস্থান নিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে জায়েদ খান বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রচুর শিল্পী এফডিসিতে আসছেন। যে কারণে সমিতির পরিবেশ রক্ষায় আমরা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, নির্বাচনী প্রচারের জন্য সমিতি ব্যবহার করা যাবে না। যে কারণে আমরা সমিতির বাইরে বসে নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছি।

এদিকে মঙ্গলবার বিকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইলিয়াস কাঞ্চন বরাবর লিগ্যাল নোটিশ পাঠান চলচ্চিত্র অভিনেতা ও সাবেক শিল্পী সমিতির সদস্য মোহাম্মদ সোহেল খান ও মোহাম্মদ হোসেন লিটন। এবারের নির্বাচনের বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ এনে এই নোটিশ পাঠান তারা। তবে বুধবার দুপুর পর্যন্ত কোনো নোটিশ পাননি বলে জানান ইলিয়াস কাঞ্চন।

এর আগে সোমবার বিকেলে খল অভিনেতা ড্যানিরাজের হাতে লাঞ্ছিত হন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মৌসুমী। তারই প্রতিক্রিয়া হিসেবে কঠোর হয়েছেন নির্বাচন কমিশনার। ড্যানিরাজ-মৌসুমীর ঘটনার পর তাৎক্ষণিকভাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইলিয়াস কাঞ্চন প্রযোজক সমিতির সভাপতি খোরশেদ আলম খসরু, শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানকে নিয়ে আলোচনায় বসেন। সেখানে ড্যানিরাজ কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চান।

ডেইলি বাংলাদেশ/এনএ