Alexa নিজেকে বদলে ফেলতে চাইলে...

নিজেকে বদলে ফেলতে চাইলে...

প্রকাশিত: ১২:৫৮ ২২ নভেম্বর ২০১৭   আপডেট: ১৮:২৮ ২২ নভেম্বর ২০১৭

ছবি সংগৃহীত

ছবি সংগৃহীত

ডেইলি বাংলাদেশ: মানুষের সহজাত প্রবৃত্তির কারণেই অভ্যাস গড়ে ওঠে। ইচ্ছে করলেই অভ্যাস পরিহার করা যায় না, কিন্তু চেষ্টা করলে নিজেকে ইতিবাচক উপায়ে বদলে ফেলা সম্ভব।

ভালো অভ্যাস যেমন আমাদের ব্যক্তিত্ব কতটা শক্তিশালী প্রমাণ করে, তেমনি খারাপ অভ্যাস আমাদের মধ্যে কতটা দুর্বলতা আছে তা প্রকাশ করে।

আপনার অভ্যাস বলে দেয় আপনি সফল না ব্যর্থ। নিজেকে বদলে ফেলতে চাইলে এখন থেকেই ভাবনা শুরু করুন।

 

ঘুমানোর আগে ফোন, কম্পিউটার বা ট্যাব ব্যবহার: ঘুমের সঙ্গে সৃজনশীলতা ও কর্মশক্তির সম্পর্ক আছে। ঘুমের আগে প্রায় সবাই ফোনে বেশ সময় কাটান, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে ঘুমের ওপর। প্রযুক্তিপণ্যের পর্দার আলো মনোযোগ হ্রাস করে। মেলাটনিন হরমোনের ওপর সরাসরি প্রভাব তৈরির কারণে ঘুমের আগে কিংবা সকালে ঘুম থেকে উঠেই মুঠোফোন ব্যবহার করা উচিত নয়।

একটানা ইন্টারনেট ব্যবহার: আমরা নানা কারণে ইন্টারনেটে ঢুকে যাই এবং দীর্ঘক্ষণ সময় কাটাই। একটানা ইন্টারনেট কখনোই ব্যবহার করা ঠিক নয়। একটানা ইন্টারনেট ব্যবহারে আমাদের মনোযোগ কমে আসে।

কথা বলার সময় মুঠোফোনে চোখ রাখা: সারাক্ষণ মুঠোফোন হাতে রাখা খুব বাজে একটি অভ্যাস। বন্ধুদের আড্ডা কিংবা অফিসের মিটিংয়ে একটু পরপর আমাদের চোখ চলে যায় মুঠোফোনের পর্দায়। এমন বদভ্যাস আসলে যার সঙ্গে কথা বলছেন তাকে বিব্রত করে। চেষ্টা করুন সামাজিকতা বজায় রাখার সময় ফোন থেকে দূরে থাকতে।

যখন না বলার কথা তখন হ্যাঁ বলা: না বলতে পারাটা কিন্তু আসলে ইতিবাচক মানসিক দক্ষতা। যখন আপনি কোনো কাজ করার সময় অন্য কারও অনুরোধ বা আবদার রক্ষার্থে অনিচ্ছায় হ্যাঁ বলেন তখন আসলে আপনি নিজের ক্ষতি করেন। যখন না বলা প্রয়োজন তখন না বলতে শিখুন। সবকিছুতে হ্যাঁ বলা আসলে নিজের জন্যই ক্ষতি।

নেতিবাচক মানুষদের নিয়ে ভাবনা: চারপাশে আসলে দু’ধরনের মানুষ বাস করে। একদল আপনাকে অনুপ্রেরণা জোগাবে, আরেক দল আপনার মধ্যকার ইতিবাচক শক্তিকে শুষে নেবে! যারা নেতিবাচক মানুষ তাদের সঙ্গ পরিহার করুন, তাদের নিয়ে কখনোই ভাবতে যাবেন না।

নিজেকে অন্যদের সঙ্গে তুলনা করা: আমরা নিজের সঙ্গে অনেকেরই তুলনা করে সান্ত্বনা পেতে চাই, কিংবা নিজের মনকে বোঝানোর চেষ্টা করি। নিজের সঙ্গে কখনোই অন্যদের তুলনা করবেন না, এ অভ্যাস আসলে আপনার মনকে ছোট করে ফেলে।

পরচর্চা করা: আমরা অন্যদের নিয়ে কথা বলতে ভীষণ পছন্দ করি, যা ব্যক্তিত্বের দুর্বল একটি দিক। চেষ্টা করুন অন্যের সম্পর্কে আড়ালে কখনোই কথা না বলতে। গালগল্পে সাময়িক আনন্দ পাওয়া যায়, কিন্তু হিতে বিপরীতে কখন নিজের ক্ষতি করে ফেলছেন তা আপনি কখনোই জানবেন না।

অতীত বা ভবিষ্যতে বাস করা: আমরা সব সময় নিজেদের অতীতের কর্মকাণ্ড বা সাফল্য-ব্যর্থতা নিয়ে কথা বলতে পছন্দ করি। আবার কথায় কথায় ভবিষ্যতে দারুণ কিছু হবে এমনটা মনে করি। অতীত আর ভবিষ্যতের মাঝখানে যে বর্তমান তা নিয়ে আমরা ভাবি না। এটা ভুলে যাবেন না, আপনার যদি বর্তমান সময়টা দারুণ হয় তাহলে আপনার অতীতটাও রঙিন হবে আর ভবিষ্যৎ হবে আশাবাদী।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএজে