নরসিংদীতে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ, ধর্ষক আটক রাতেই 

নরসিংদীতে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ, ধর্ষক আটক রাতেই 

নরসিংদী প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:১৪ ১৩ জানুয়ারি ২০২০   আপডেট: ১৬:১৭ ১৩ জানুয়ারি ২০২০

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

নরসিংদীতে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় আলামিন মিয়া নামে এক বখাটে যুবককে আটক করেছে পুলিশ। 

রোববার দিবাগত রাত ২টার দিকে জেলার পলাশ উপজেলার মাঝেরচর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।

ধর্ষণের ঘটনায় সোমবার সকালে আলামিনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সদর মডেল থানায় মামলা করেছেন নির্যাতিতার বাবা। 

অন্যদিকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ধর্ষিতাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ধর্ষণের শিকার শিশুটি স্থানীয় একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী।

পুলিশ ও নির্যাতিতার পরিবার জানায়, রোববার নির্যাতিতা শিশুটি বিকেলে স্কুল শেষে বাড়ি ফেরার পথে সদর উপজেলা চিনিশপুর ইউপির রাজাদী গ্রামের কালীর বাজার এলাকায় পৌঁছালে শিশুটির গতিরোধ করে পলাশ উপজেলার মাঝেরচর গ্রামের কলা বেপারী আলামিন নামে এক বখাটে। পরে শিশুটির মুখ চেপে ধরে পার্শ্ববর্তী একটি কলা ক্ষেতে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে গামছা দিয়ে শিশুটির মুখ বেঁধে ধর্ষণ করে ফেলে পালিয়ে যায়। এরই মধ্যে শিশুটির সহপাঠীরা তার বাড়িতে খবর দেয়। এর পর পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বাড়ির অদূরে পার্শ্ববর্তী একটি কলা ক্ষেতে নিযার্তিতা শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখে। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় চিকিৎসক ও পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। খবর পেয়ে সদর মডেল থানা পুলিশ হাসপাতালে ছুটে আসে। 

এদিকে নির্যাতিতা শিশুটির অবস্থার অবনতি হলে রাত ১১টার দিকে শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।  

হাসপাতালের বেডে কাতরাতে কাতরাতে নির্যাতিত শিশুটি বলেন, স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিলাম। এর মধ্যে আমার এক সহপাঠীকে স্কুল ব্যাগটি বাড়িতে রেখে আসতে বলে দোকানে যাচ্ছিলাম। এরই মধ্যে লোকটা আমার বাবার না জানতে চায়। একপর্যায়ে আমার মুখে চাপ দিয়ে অন্ধকার একটি কলা ক্ষেতে নিয়ে যায়।

নির্যাতনের শিকার শিশুটির রিকশা চালক বাবা বলেন, অনেক খোঁজাখুঁজির পর বাড়ির অদূরে একটি কলা ক্ষেতে গোঙানির শব্দ শুনতে পাই। সেখানে গিয়ে দেখি আমার মেয়ে পড়ে আছে। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসি। আমি ধর্ষকের বিচার চাই।

সদর মডেল থানার ওসি সৈয়দুজ্জামান বলেন,নরসিংদীতে অপরাধ করে পার পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ঘটনার পরপরই নির্যাতিতাকে সহায়তার জন্য পুলিশের একটি টিম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাৎক্ষণিক আমরা পলাশ উপজেলায় অভিযান শুরু করি। পরে রাতেই ধর্ষক আলামিনকে আটক করা হয়। 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ