নবীনগরে এক নারীর মৃত্যু নিয়ে রহস্য!

নবীনগরে এক নারীর মৃত্যু নিয়ে রহস্য!

নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৭:৩০ ৬ জুন ২০২০   আপডেট: ১৯:১৭ ৬ জুন ২০২০

নবীনগর উপজেলা

নবীনগর উপজেলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার কুড়িঘর গ্রামে এক নারীর মৃত্যু নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। ওই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে পরস্পর বিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে।

একপক্ষ ওই নারীর ওপর হামলা চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করলেও, অপরপক্ষ স্ট্রোকে ওই নারীর মৃত্যু হয়েছে বলে এলাকায় প্রচার করছে। তবে পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে শনিবার সকালে জেলা মর্গে পাঠিয়েছে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত নাটঘর ইউপির কুড়িঘর গ্রামের পশ্চিম পাড়ার বাসিন্দা আলমাছ মিয়ার ছেলে শাহেদ মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের কাতার প্রবাসী বাবুল মিয়ার ছেলে রিফাত মিয়ার (কাতার ফেরত) একটি মোবাইল ফোন কেনাবেচা নিয়ে ঝগড়া হয়। এর জের ধরে গতকাল শুক্রবার বিকেলে রিফাত তার দলবল নিয়ে শাহেদ মিয়ার বাড়িতে এসে শাহেদকে প্রচণ্ড মারধর করে। 

এ সময় শাহেদের মা সালেহা বেগম ছেলেকে বাঁচাতে এলে রিফাতের আঘাতে (ঘুষিতে) ঘটনাস্থলেই তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

তবে অপর একটি সূত্র জানায়, রিফাতের নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক সালেহা বেগমের ছেলে শাহেদকে প্রচণ্ড মারধর শেষে চলে যাওয়ার পরই তিনি স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে বাড়িতে মারা যান।

এ বিষয়ে নাটঘর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম বলেন, মোবাইল কেনাবেচার জের ধরে রিফাত যখন তার দলবল নিয়ে শাহেদের বাড়িতে গিয়ে শাহেদকে মারধর করে। তখন রিফাতের কিলঘুষিতেই সালেহা বেগমের মৃত্যু হয় বলে শুনেছি। পরে  ঘটনাটি পুলিশ কর্মকর্তাদের জানিয়েছি। এ বিষয়ে হত্যা মামলার প্রস্তুতিও চলছে।

এদিকে স্থানীয় একটি মহল বিষয়টি ধামাচাপা দিয়ে সমঝোতার চেষ্টা করছে বলে একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেছেন।

নবীনগর থানার ওসি রনোজিত রায় বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে জেলা মর্গে পাঠিয়েছি। তবে মৃত্যুর ঘটনাটি রহস্যজনক। তাই ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই এটি হত্যা না স্বাভাবিক মৃত্যু সেটি বুঝা যাবে। তবে কেউ থানায়  মামলা করেনি। মামলা হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে