নগরকান্দায় প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা ও লুটপাট, আহত ২০

নগরকান্দায় প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা ও লুটপাট, আহত ২০

ফরিদপুর প্রতিনিধি    ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৮:২৯ ৮ আগস্ট ২০২০  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ফরিদপুরের নগরকান্দায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে ২০ জন আহত হয়েছে। এতে কয়েকটি বাড়িতে হামলা এবং লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।  

শনিবার সকালে উপজেলার তালমা ইউপির পিপরুল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় কয়েক লক্ষাধিক টাকার স্বর্ণালঙ্কার, টাকা পয়সা ছাড়াও এক গৃহস্থের চারটি গরু লুট করে নিয়ে যায় প্রতিপক্ষ। হামলায় আহত সাতজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশের সামনে এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে পুলিশ অস্বীকার করেছে।

নগরকান্দা থানার ওসি সোহেল রানা জানান, স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে। একপক্ষে রয়েছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা সামাদ মাতুব্বর ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জামাল হোসেনের সমর্থকেরা। অপরপক্ষে রয়েছেন তালমা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ফিরোজ খানের সমর্থকেরা। 

হামলায় আহতদের মধ্যে জাফর বিশ্বাস, বেলাল মুন্সি, ফারুক বিশ্বাস, গফফার মুন্সি, শরীফ বিশ্বাস, সেলিম মোল্যা ও সামচু মাতুব্বরকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ভর্তি করা হয়েছে। এদের বেশিরভাগই ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জখম হয়েছেন।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আবুল হোসেন মাতুব্বর জানান, বেলা ১১টার দিকে পুলিশের সামনেই শতাধিক লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বেলাল মুন্সি, জাফর বিশ্বাস, মইজা বিশ্বাস ও আজম বিশ্বাসের বাড়িতে ভাঙচুর করে মালামাল লুট করে। 

এ ব্যাপারে ফিরোজ খান বলেন, শুক্রবার বিকেলে সামাদ মাতুব্বরসহ কয়েকজন তার সমর্থকদের উপর হামলা চালায়। এরপর সকালে তারা আবারো দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এরপর সামাদ মাদুব্বরের লোকেরা নিজেদের বাড়িঘর কুপিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দেয়।

সামাদ মাতুব্বর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, শুক্রবার রাতে ও শনিবার সকালে ফিরোজ খানের লোকেরাই হামলা করে। এতে বাশার মুন্সি, আলী মাতুব্বর, রাশেদ মাতুব্বর, সামাদ মাতুব্বরসহ কয়েকজন আহত হন। নিজেদের বাড়িঘরে হামলার ঘটনা সঠিক নয় বলে তিনি জানান।

সহকারি পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেল) মো. মহিউদ্দিন জানান, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানতে পেরেছি। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমএইচ