Alexa নকলায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির নতুন কার্ড বিতরণ

নকলায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির নতুন কার্ড বিতরণ

নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:৩৮ ১৭ নভেম্বর ২০১৯  

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

শেরপুরের নকলায় খাদ্য অধিদফতরের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির নতুন সুবিধাভোগীদের মাঝে কার্ড বিতরণ হয়েছে। কার্ডধারী মৃত ব্যক্তির পরিবর্তে  এই কার্ড বিতরণ করা হয়।

রোববার সকালে বানেশ্বরদী ইউপির ৪৪ জন হতদরিদ্রের মাঝে নতুন করে এই কার্ড বিতরণ করা হয়। 

এ সময় উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. লুৎফর রহমান, উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক মো. সাইদুজ্জামান, তদারককারী কর্মকর্তা মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকারী হাফিজুর রহমান, বানেশ্বরদীর এলাকার পরিবেশক মাফিজুল হকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ও সুবিধাভোগী অর্ধশত হতদরিদ্র নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।

পরিবেশক মাফিজুল হক জানান, বানেশ্বরদী ইউপিতে ৮৯৮ হতদরিদ্র পরিবার এই সুবিধা ভোগ করছে। তার মধ্যে তার দোকানের আওতায় রয়েছে ৪৫৫ জন এবং বাউসা এলাকার পরিবেশক আক্তারুজ্জামানের দোকানের আওতায় রয়েছে ৪৪৩ জন। এর মধ্যে যে বা যারা মারা গেছেন বা অন্যত্র চলে গেছেন, তাদের পরিবর্তে ইউপি চেয়ারম্যান মাজহারুল আনোয়ার মহব্বতের দেয়া তথ্য ও তালিকা মোতাবেক নতুন করে সুবিধাভোগী নির্বাচন করে তাদের মাঝে কার্ড বিতরণ করা হয়। নতুন কার্ডধারীদের মধ্যে মাফিজুল হকের আওতায় ১৭ জন এবং আক্তারুজ্জামানের আওতায় ২৭ জন। 

মাফিজুল হক বলেন, আমার দোকানের আওতায় ৪৫৫ জনের মাঝে গত ১১ নভেম্বর ১৭০ জন, ১৩ নভেম্বর ২০৪ জনের মাঝে চাল বিক্রি শেষ হয়েছে। বাকি ৮১ হতদরিদ্রের মাঝে স্বল্প মূল্যে চাল বিক্রি করার লক্ষ্যে রোববার সকাল থেকে ১০ টাকা কেজি ধরে চাল বিক্রি শুরু করা হয়েছে। 

তিনি আরো জানান, আজ-কালের মধ্যেই কার্ডধারী সবার মাঝে বছরের শেষ ধাপের স্বল্প মূল্যের চাল বিতরণ কাজ শেষ হবে।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. লুৎফর রহমান জানান, সারাদেশে অন্তত ৫০ লাখ হতদরিদ্র পরিবারকে এই খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে। বছরে পাঁচ মাস করে প্রতি মাসে প্রতি কেজি ১০ টাকা দরে প্রতি পরিবার ৩০ কেজি করে চাল কিনতে পারছেন। 

তিনি আরো জানান, নকলা উপজেলায় ৯টি ইউপি চেয়ারম্যানের বাছাই করা ও পাঠানো তালিকা অনুযায়ী সুবিধাভোগীর সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে। চেয়ারম্যানদের দেয়া তথ্য ও তালিকা মোতাবেক উপজেলায় মোট ৯ হাজার ৮৬৮ হতদরিদ্র পরিবারকে এই স্বল্প মূল্যে চাল ক্রয়ের সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে। চাল বিক্রি ও ক্রেতাদের সুবিধার লক্ষ্যে পৌরসভা ব্যতিত প্রতি ইউপিতে ২ জন করে মোট ১৮ জন পরিবেশক নিয়োগ করা হয়েছে। এসব পরিবেশকের নির্দিষ্ট দোকানে প্রতি সপ্তাহে সুবিধা অনুযায়ী তিন দিন স্বল্প মূল্যের চাল বিক্রি করা হয়।


 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ