নওমুসলিম নাসির মাহমুদ বিন জাবেরের সাক্ষাৎকার (পর্ব-১)

 নুসরাত জাহান ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২০:০১ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১৯:২৬ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

সকলে আল্লাহর তৈরি জান্নাত চায় কিন্তু আল্লাহকে পাওয়ার আশা কারোর মাঝে দেখি না! আমি বৃটেনে জন্মগ্রহণ করেছি। আমার পরিবার ইসরায়েল থেকে সেখানে গিয়েছিল। ভাই-বোনদের মাঝে আমি চতুর্থ ও কনিষ্ঠ। একটু আদুরেই ছিলাম। 

অন্যান্য ধর্মের ন্যায় ইহুদিধর্মেও ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন করা খুবই মন্দ ও অপরাধ মনে করা হয়। ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন করলে মনে করা হয় প্রশ্নকর্তা ধর্ম বা খোদার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে। এদিকে আমার অবস্থা ছিল এমন যে, প্রশ্ন না করলে মনে হয় খাবারই হজম হতো না। বাবা-মা এ কারণে অতিষ্ঠ ছিলেন। তারা সাধ্যানুযায়ী আমার প্রশ্নের উত্তর দিতেন। শেষ পরিণতি তাই হত, যা সারা দুনিয়ার বাবা-মা করে থাকেন। অর্থাৎ প্রহার আর ধমক। 

আমার ভাই-বোনরা যখন যা কিছু পেত তা-ই খেয়ে নিত। কিন্তু আমি কোনো জিনিস না জিজ্ঞাসা করে খেতাম না। এ খাবার কেন কোত্থেকে এলো, কতটুকু এলো, এসব জিজ্ঞাসা করতাম। অন্যথায় খাবার খেতাম না। তাই আমার মা অধিকাংশ সময় খাবার দেয়ার আগে বলতেন, এটা তোমার খালার বাড়ি থেকে এসেছে, তার মেয়ের ঘরে সন্তান হয়েছে, সেই অনুষ্ঠান থেকে এসেছে ইত্যাদি। তারপর ধমক দিয়ে বলতেন, যা এবার পেট ভরে খা। 

ধর্মের ক্ষেত্রে তাদের বিশেষ কোনো জ্ঞান ছিল না। তারা হু হা করে চুপ হয়ে যেত। অথবা যেসব কিচ্ছা-কাহিনি শুনেছে তা বলে দিত। আমি তাদের উত্তর নিয়ে সন্তুষ্ট কী না, এনিয়ে তাদের কোনো মাথাব্যথা ছিল না। ইহুদিধর্মে ইসলামের মতো ছোট থেকে ছোট বিষয়ে ফতোয়া জারি করে দোষারোপ করা হয় না। বরং আপনি ইহুদি আমল করুন আর না করুন আপনার ইহুদি হওয়ার ব্যাপারে কোনো সমস্যা নেই।

ইসরায়েলে রাষ্ট্রক্ষমতায় যারা ছিল তারা কেউ আমলওয়ালা ছিল না। যারা ছিল সকলেই ছিল আমলহীন বা বেআমল ইহুদি। যত ধর্মে গিয়েছি সব জায়গায় একই অবস্থা দেখি যে, রাষ্ট্রের দায়িত্বশীলরা আমলহীন। ধার্মিকরা শুধু কষ্ট-যন্ত্রণার মাঝেই থেকে যায়। সাধারণ লোকদের মাঝে তাদের কোনো আধিপত্য থাকে না। রাষ্ট্রপরিচালনায় তাদের যোগ্যতা থাকে না। এর কারণ হলো রাষ্ট্রপরিচালনার জন্য যে প্রশস্ত অন্তর বা দৃষ্টির প্রয়োজন তা তাদের মাঝে নেই। তাই তাদের ভাগ্যে কষ্ট করা এবং মানুষকে বুঝানো ছাড়া কোনো কাজ জোটে না। 

কখনো কখনো আমি চিন্তা করি ইউসুফ আলাইহিস সালাম একা-একা কীভাবে কাফেরদের বাধ্য করলেন। কীভাবে পুরো দেশের মানুষকে নিজের সৌন্দর্য ও উত্তম চরিত্র দিয়ে, ন্যায়-ইনসাফের মাধ্যমে রাষ্ট্রপরিচালনা করলেন। কীভাবে সকলকে মুসলমান বানিয়ে দিলেন। কোথায় সেই পয়গাম্বর আর কোথায় আজ আমরা।

ইহুদিবাদের খনি থেকে বের হয়ে খ্রিষ্টবাদ এর সমুদ্রে ঝাঁপ দিলাম। বিশেষ কোনো বিষয় আমাকে আকৃষ্ট করেনি। কারণ ইহুদি থেকে খ্রিষ্টান হওয়া, অথবা খ্রিষ্টান থেকে ইহুদি হওয়া এটা একটি সাধারণ বিষয় মনে করা হত। যেমন মুসলমানদের মাঝে ফিকহের পরিবর্তন। কেউ কোনো ইমামকে পছন্দ করলো। কেউ আবার অন্যকাউকে পছন্দ করলো। কিন্তু সকলেই মুসলমান। আমার প্রশ্নের উত্তর খ্রিষ্টানদের কাছেও ছিল না। তাই আমি সেখানে বেশি দিন টিকে থাকতে পারিনি। এক বন্ধু ছিল আমার। আমরা একসাঙ্গে পড়ালেখা করি। সে ছিল শিখ ধর্মের অনুসারী। তার সঙ্গে বন্ধুত্ব হওয়ার ফলে আমি শিখ ধর্ম গ্রহণ করি। তারাও আমার প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেনি। শিখ ধর্মে গিয়েছিলাম তো একা কিন্তু বের হয়ে গেলাম আমরা দুজনই। এখন আমরা দুজনই সত্য ধর্মের অন্বেষণকারী। 

ইসলামধর্ম পড়তে শুরু করি। যদিও আমরা বংশীয়ভাবে মুসলমানদের চরম বিরোধিতা করি। আর মুসলিমবিদ্বেষ আমার রক্তের মধ্যে মিশে ছিল। কোরআন শরিফ যত পড়ছিলাম, আমার ওপর একটি কেয়ামত অতিবাহিত হচ্ছিল। যত বেশি কোরআন পড়ছিলাম আমার ভেতরের প্রশ্নগুলো কেটে যাচ্ছিল। মনে হচ্ছিল কোরআন আমার প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্যই অবতীর্ণ হয়েছে। কোরআন নিজেই প্রশ্ন করে আবার উত্তর নিজেই দিয়ে দেয়। মানুষের মনে আজ পর্যন্ত যেসব প্রশ্ন উত্থাপিত হয়, কোরআন হাজার বছর পূর্বে সেসব প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিয়ে দিয়েছে। কিন্তু আমার সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে ইসলাম গ্রহণ করার পর।

আমি ব্রিটেনে থাকতেই মুসলমান হয়ে গিয়েছিলাম। ভাবছিলাম কোনো মুসলিম দেশে গিয়ে ইসলামের বাস্তব চর্চা করব। আমার বাবা ১৯৭৭ সালের দিকে পাকিস্তানে বৃটেনের হাইকমিশনার ছিলেন। তিনি জানতে পারলেন আমি মুসলমান হয়ে গিয়েছি ও সৌদি আরবে যেতে চাচ্ছি। এ কথা শুনে তিনি পরামর্শ দিলেন তুমি মুসলিম দেশে যদি যেতে চাও তা হলে প্রথমে পাকিস্তান যাও। কারণ এটা এমন একটি দেশ, যার ভিত্তিই হয়েছে ইসলামের ওপর। তুমি যদি ইসলাম বুঝতে চাও তা হলে ওখানে যতটুকু সাহায্য পাবে অন্যকোনো দেশে তা পাওয়া অসম্ভব। আল্লাহই জানেন তার এই পরামর্শের পেছনে কী উদ্দেশ্য ছিল। 

বাবার পরামর্শে পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা দিলাম। করাচিতে পৌঁছে একটি ফাইভস্টার হোটেলে অবস্থান করি। একজন সার্ভিসবয়কে আমার পাকিস্তান আসার উদ্দেশ্য বললাম। তাকে বললাম, আমাকে একটি ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সন্ধান দিন, যেখানে গিয়ে ইসলাম সম্পর্কে বুঝতে পারবো ও ইসলাম জানতে পারবো। তাকে আরো বললাম, আপনি যদি আমাকে সহযোগিতা করতে পারেন তা হলে এটা হবে আমার প্রতি আপনার দয়া। যদি দু-এক দিনের ছুটি নিতে হয় তাও নিয়ে নিন। তা হলে আমি তার বিনিময়ও পরিশোধ করে দিব। এবার সার্ভিসবয় আমার ইন্টারভিউ নেয়া শুরু করে। জিজ্ঞাসা করে আমি কোন ধরনের মুসলমান হয়েছি? যাতে ওই ধরনের মুসলমানদের সঙ্গে সম্পর্ক করে দেয়া যায়। সারা জীবন যেসব প্রশ্ন করে আসছি ওসব প্রশ্নের মধ্যেই চক্কর খাচ্ছিলাম। আর ভাবছিলাম আমি কোন ধরনের মুসলমান হয়েছি।

তাকে বললাম আমি কোরআন পড়েছি এবং সে অনুযায়ী এক আল্লাহকে মানি। মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আল্লাহর রাসূল হিসেবে বিশ্বাস করি। আর মৃত্যুর পরে পুনরায় ওঠা, হিসাবকিতাবের ওপর ঈমান এনেছি। আল্লাহ তায়ালা হজরত জিবরাইল আলাইহিস সালামের মাধ্যমে কোরআন নাজিল করেছেন, যা আল্লাহর কালাম বলে বিশ্বাস করি। এবার আপনি বলুন যে, এটা কোন ধরনের ইসলাম? সে বলল এর দ্বারা কাজ চলবে না। এতোটুকু ইসলাম দ্বারা কাজ চলবে না। এতোটুকু ইসলাম আমাদের পাকিস্তানের চলবে না। এর সঙ্গে সঙ্গে আরো কিছু প্রয়োজনীয় জ্ঞান আছে, যার জন্য আপনাকে আমাদের এক বড় আলেমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করিয়ে দেব। 

পরের দিন সে আমাকে করাচির এক স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে অনেক বড় মোটাতাজা একজন বুজুর্গ বসে ছিল। মাথায় ছিল সবুজ পাগড়ি। তিনি আমাকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করলেন। আমাকে আরো জ্ঞান দিলেন। বললেন হিন্দুস্থানে যেসব বুজুর্গ ইসলাম নিয়ে এসেছেন ওইসব বুজুর্গের ব্যাপারে আমার বিশ্বাস যদি খারাপ হয়, তা হলে মুসলমান হতে পারবো না। এজন্য তিনি আমাকে একজন লোকের সোপর্দ করলেন। সে আমাকে কোনো দরগায় নিয়ে গেলেন। যেখানে উদ্দেশ্য ছিল আমার নফসের আত্মশুদ্ধি। সম্ভবত সেটা ছিল মঙ্গপীরের দরগা। জামিয়া আমজাদিয়ার মুহতামিম সাহেব ওখানকার গদিনেশিন পীর সাহেবের এর কাছে নিয়ে গেলেন। তিনি তার হাতে আমাকে সোপর্দ করলেন। আমাকে গোসল করানো হলো, সবুজ কাপড় পরানো হলো, আমার আঙুলে চারটি আংটি পরিয়ে দেয়া হলো। যার রং ছিল বিভিন্ন ধরনের। বিভিন্ন পাথর দিয়ে সজ্জিত। পীর সাহেব আমাকে বায়াত করে নিলেন। আমার হাতে ধরিয়ে দিল একটি লাঠি। এভাবে আনুষ্ঠানিকতার পর আমাকে ইসলামে প্রবেশ করিয়ে দিল।

সেখানে থাকা অবস্থায় আমার দৈনন্দিনের কাজের মধ্যে একটি কাজ ছিল নাশতার পর সকাল সকাল স্টেশনে যাওয়া। যেখানে আগত মুসাফিরদের ইসলামের দাওয়াত দিতে হতো। সঙ্গে সঙ্গে তাও বলতে হতো আমি কার হাতে মুসলমান হয়েছি। এ আমল ছিল প্রায় দুই মাস। এর মধ্যে আমি যখন কোরআন শরিফ তেলাওয়াত করতাম বা ইসলাম নিয়ে পড়াশোনা করার চেষ্টা করতাম তারা বাধা দিত। আমার ইংলিশ অনুবাদ কোরআন শরিফ খুব আদবের সঙ্গে আমার হাত থেকে নিয়ে রেখে দেয়া হতো। বলা হতো, কোরআনের যা কাজ ছিল তা করে দিয়েছেন। এখন আপনার তরবিয়তের প্রয়োজন। প্রয়োজন নেই অধ্যয়নের।

দু মাস পর একদিন স্টেশনে যাই। দেখি এক তাবলিগ জামাত রেলগাড়ি থেকে নামছে। তাদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলাম। গাইড তাদের সঙ্গে কথা বলতে বাধা দিল। বলল তাদের কাছে যেও না। এ কথা জামাতের এক ব্যক্তি অনুভব করতে পারে। সে তার সাথিদের ছেড়ে আমার কাছে আসে। সালাম বিনিময়ের পর মুসাফা করে এবং খুব সাদামাটা ইংলিশে জিজ্ঞাসা করে আমি কোথা থেকে এসেছি। আমি কী মুসলমান? পরে জানতে পারি তিনি ছিলেন একজন ডাক্তার। আমার উত্তরের পর ডাক্তার সাহেব বললেন আপনার সামানা কোথায়? আমি বললাম- এ ভাই ভালো জানেন। কোনো এক দরগায় আছে। এবার অন্য সাথিরা এসে তাদের সামানা নিয়ে আমার চারপাশে ঘিরে দাঁড়ালো।

তারা আমার গাইডকে বুঝাচ্ছে সে যেন আমাকে তাদের সঙ্গে যেতে দেয়। সে তাবলিগের লোকদের ফিরে যেতে বলছিল। কিন্তু তারা যাচ্ছিল না। আমার সামানা নেয়ার জন্য ডাক্তার সাহেব আমার সঙ্গে আসেন। আমিও তাদের সঙ্গে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করি। তাই তারাও আমার সঙ্গে লেগে ছিলেন। সেখান থেকে সামানা নিয়ে যাওয়া ছিল আরো এক মুশকিল ব্যাপার। সেখানে তাদের কথোপকথনে বুঝতে পারি, তারা পরস্পর একজনের দৃষ্টিতে অপরজন অমুসলিম। একজন অপরজনকে মুসলমান বলে মনে করে না। ডাক্তার সাহেবের নিকট এখন পর্যন্ত তারা মুশরিক। পীর সাহেব আমাকে বলছিল এখন তুমি মুরতাদ হয়ে যাচ্ছো। মুরতাদ হয়ে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাচ্ছো। কিন্তু আমার বুঝে আসছিল না, আমি যখন ইসলামে প্রবেশ করেছি, আমার ইচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ করেছি কিন্তু আমার ইচ্ছা ছাড়া আমার নিয়ত ছাড়া আমি ইসলাম থেকে কীভাবে বের হয়ে যাচ্ছি? 

যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় এসেছে সে গেলে স্বেচ্ছায় যাবে। যে ব্যক্তি প্রকাশ্যে ইসলাম গ্রহণ করেছে, সে প্রকাশ্যে বের হয়ে যাবে। যাক প্রশ্নের চাকা যা কোরআন পড়ে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, তা মুসলমানদের মাঝে এসে অনেক দ্রুত গতিতে চলছে। আমাকে নগদ জামাতের সাথিদের সঙ্গে নিয়ে আসা হলো। সেখানে আমি দু মাসের মতো অবস্থান করি। বিভিন্ন দেশ থেকে আগত জামাতের সঙ্গে ব্যক্তিগত সাক্ষাৎ হয়। চিন্তা-ফিকিরের আদান-প্রদান হয়। এরমধ্যে আমার ৪০দিন জামাতে অতিবাহিত হয়েছে। সেখানকার পরিবেশ খুবই ভালো ছিল। মানুষের সঙ্গে একে অপরের সাক্ষাৎ হয়। সর্বদা আল্লাহর নাম চর্চা হয়। প্রতি বৃহস্পতিবার বাইরে বইয়ের স্টল বসে। সেখানেও মানুষের উপচেপরা ভিড়।

কিছুদিন পর বাৎসরিক ইজতেমা শুরু হয়। সেখানে অনেক পরিমাণে বইয়ের স্টল বসে। ক্রেতাদের ভিড় ছিল যথেষ্ট। একদিন আসর নামাজের পর ওজু করে আসছিলাম। তখন একজন যুবককে দেখতে পেলাম। যুবকটি দেখতে-শুনতে খুবই সুন্দর। অন্যদের থেকে একটু ভিন্ন মনে হচ্ছিল। সে আমাকে দেখে জিজ্ঞেস করলো আপনি কী নওমুসলিম? আমি তাকে মুচকি হাসি দিয়ে উত্তর দিলাম। জ্বী!

সে আমাকে একটি ইংরেজি বই দিলো, যার নাম ছিল ‘টু ওয়ার্ডস অ্যান্ড রাস্টেন্ডিং ইসলাম’। আমি তাকে টাকা দিতে চাইলাম। সে বলল জনাব, আমার টাকা লাগবে না। এমন সময় কিছু লাঠিধারী যুবক তার স্টল সরিয়ে নিতে বলল সে আমাকে কিছু বলতে চায় কিন্তু বইয়ের স্টল ফেলে দেয়ার হুমকি শুনে তাড়াহুড়া করে তার স্টল গুটিয়ে নেয়। যুবক বইটির বিনিময় নিতে অস্বীকার করে। আমি সারা জীবন তার কথা মনে রাখবো। হয়তোবা সে এখন আমার মতো বৃদ্ধ হয়ে গিয়েছে। অথবা আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে চলে গিয়েছে। আল্লাহ হয়তো তাকে আমার জন্যই পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। চলবে...

সূত্র: মাসিক আরমোগান , ভাষান্তর : মুফতি জুবায়ের আহমদ

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএজে