নওগাঁয় ক্রেতাশূন্য বাজার, তবুও বাড়তি চালের দাম  

নওগাঁয় ক্রেতাশূন্য বাজার, তবুও বাড়তি চালের দাম  

নওগাঁ প্রতিনিধি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৫:৩৯ ১০ আগস্ট ২০২০   আপডেট: ১৫:০৩ ১১ আগস্ট ২০২০

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

নওগাঁর খুচরা চাল বাজারে ক্রেতা নেই বললেই চলে। এজন্য অলস সময় কাটছে খুচরা চাল ব্যবসায়ীদের। তবে ক্রেতাশূণ্য বাজারেও বেড়েছে চালের দাম।  

নওগাঁর মোকামগুলোতে বেড়েছে চালের চাহিদা। ফলে দাম বেড়েছে খুচরা বাজারে। সপ্তাহের ব্যবধানে সব ধরনের চালের কেজিতে বেড়েছে ১ থেকে ২ টাকা। আর বস্তা প্রতি বেড়েছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা।  

বর্তমানে নওগাঁর খুচরা বাজারে প্রতিকেজি কাটারি চাল আগে ছিল ৪৪ টাকা বর্তমানে ৪৬ টাকা, জিরা আগে ছিল ৪৬ বর্তমানে ৪৮, আটাশ আগে ছিল ৪০ বর্তমানে ৪২, স্বর্না আগে ছিল ৪১ বর্তমানে ৪২ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ গেলো ৯ দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজি চালের দাম বেড়েছে ১ থেকে ২ টাকা পর্যন্ত।  

নওগাঁর খুচরা চাল বাজারের ব্যবসায়ী কৃষ্ণ চন্দ্র মণ্ডল বলেন, মিলাররা চাল দিতে চাচ্ছেন না। আবার দিলেও তা কিনতে হচ্ছে বেশি দামে। ফলে চালের দাম অল্প বেড়েছে। তবে বাজারে কোনো ক্রেতা নেই। একে তো বাজারে ক্রেতা নেই অন্যদিকে চালের দাম বেড়েছে। সব মিলে বেকায়দায় পড়তে হয়েছে আমাদের।  

নওগাঁ ফারিহা রাইস মিল মালিক শেখ ফরিদ জানান, নওগাঁয় আটো ও হাসকিং মিলিয়ে ১ হাজারের বেশি মিল চাল উৎপাদন করছে। সরকারের সংগ্রহ নীতিতে ধান ও চালের দামে সমন্বয়হীনতার কারণেই চাল বাজারের এমন পরিস্থিতি। এ মৌসুমে সরকার ধান কিনেছেন চড়া দামে। কিন্তু তার বিপরীতে যে দামে চাল কিনছেন তা বিক্রি করে উৎপাদন খরচ মেটানো দায়। আবার এর মধ্যে মজুদ সিন্ডিকেট তো আছেই।  

নওগাঁ খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ডিসি ফুড) জিএম ফারুক হোসেন জানান, চালের বাজার ঠিক রাখতে খাদ্য বিভাগ সারা বছরই কাজ করে। এর মধ্যে চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে জেলার বাজারগুলোতে নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সমন্বয় কাজ শুরু হয়েছে। বাজার নিয়ন্ত্রণে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমএইচ