Alexa ধর্ষণ-হত্যার পর সাত ‍টুকরা: দুলাভাইয়ের ফাঁসি, আইনজীবীর যাবজ্জীবন

ধর্ষণ-হত্যার পর সাত ‍টুকরা: দুলাভাইয়ের ফাঁসি, আইনজীবীর যাবজ্জীবন

বরগুনা প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৪:৪৭ ২৬ জানুয়ারি ২০২০   আপডেট: ১৫:১১ ২৬ জানুয়ারি ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

বরগুনার আমতলীতে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে এক আইনজীবীকে যাবজ্জীবন ও আইনজীবীর সহকারীকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

রোববার দুপুরে বরগুনার নারী ও শিশু আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। এ মামলায় আইনজীবী বিপ্লবের স্ত্রী ইমা রহমানকে খালাস দেয়া হয়েছে। এছাড়া একই আদেশে হত্যার পর মরদেহ লুকানোর চেষ্টার দায়ে বিপ্লব ও পলাশের সাত বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন- পটুয়াখালীর সুবিদখালী উপজেলার ভয়াং এলাকার লতিফ খানের ছেলে আলমগীর হোসেন পলাশ। তিনি নিহত কলেজছাত্রী ফারিয়া ইসলাম মালার মামাতো বোন জামাই।

যাবজ্জীবন দণ্ডিত আসামি হলেন- পলাশের ভাগনি-জামাই আইনজীবী মাঈনুল আহসান বিপ্লব। সাত বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হলেন- বিপ্লবের সহকারী রিয়াজ। 

পিপি মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল জানান, ২০১৭ সালের ২৪ অক্টোবর আমতলীর হাসপাতাল সড়কের বাসিন্দা আইনজীবী বিপ্লবের বাসায় মালাকে নিয়ে বেড়াতে যান পলাশ। সেখানে মালাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন তিনি। পরে মরদেহ সাত টুকরা করে দুইটি ড্রামে রাখেন। এরপর বিপ্লবকে খুনের কথা জানান পলাশ।

তিনি আরো জানান, ওই দিন বিকেলে বিপ্লবের বাসায় অভিযান চালিয়ে ড্রামভর্তি মালার সাত টুকরা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই সময় পলাশকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় বিপ্লব ও পলাশের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে মালাকে ধর্ষণ, হত্যা ও মরদেহ লুকানোর দায়ে পলাশকে ফাঁসির আদেশের পাশাপাশি সাত বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত। পাশাপাশি মরদেহ লুকানোর দায়ে বিপ্লবকে যাবজ্জীবন  ও রিয়াজকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর